Verified reviews from Yamaha EV owners. Know the pros and cons from real riders.
R15 V3 Indian Version Dual ABS
When I was a student in 2015, one day I saw R15 V2 which was my first crash, I purchased my 1st bike in 2016 but due to low budget I purchased gixxer sf. Alhamdulillah I was quite satisfied with my gixxer. But in the bottom of my heart there was a R15. I rode that SF till 2021 December. I got the best feelings ever with that bike. Because for the 1st time I had a 307 KM road trip with that bike. That bike was my 1st love, today I have a R15 V3 but still I missed my 1st love.
Yamaha Saluto
That's a very simple and coolest bike. Mileage 65 per liter(petrol). I buy it 1y ago and services good enough. But one thing is that speedometer is slowly increasing. Servicing cost was nothing much. I think that maximum cost was 5k taka. Breaking system, Mileage, pickup are quite good. Overcall this bike is low price and comfortable.
R15 V3 Indian Version Dual ABS
Young generation is going to thrilled always by this...Ride safe
Yamaha FZS V3 ABS BS4
আমি 25 বছর যাবত বাইক রাইট ও ট্যুর দিয়ে থাকি বাইক রাইট অভিজ্ঞতা থেকে বলছি fzs v3 best bike
Yamaha Fazer FI V2
Yamaha Fazer fzv2 150cc car is a very good car because this car is much better than the price. I have driven many other cars but I have not found any other car that has the comfort of Yamaha Fazer. The braking control in this car is much better if it is not a double disc. This car consumes less oil and has better mileage. As with other cars, the One One Five makes you feel a little tired after a long drive, but the Fazer will not cause you any fatigue and long drive will not be a problem. And the Yamaha Fazer car looks so beautiful. The engine quality of this car is very good.
Yamaha R15M
কিশোর অবস্থা থেকে বাবার বাইক চালালেও নিজের নামের বাইক ছিলনা। কোনো এক বন্ধুর হঠাৎ ঠাট্টার ছলে বলা কথায় আঘাত পেয়েই আমার এই R15 (indian) বাইকটি কেনা। দেখতে দেখতে প্রায় ৩০ হাজার কিলোমিটার চালিয়ে ফেললাম। এর মধ্যে এই বাইকটি নিয়ে দেশের প্রায় ৪০ টা জেলা ঘুরেছি। পাহাড় থেকে সমুদ্র, অফরোড অনরোড সবখানেই বাইকের পারফরম্যান্স ছিল পুরো ১০০ তে ১০০। হ্যা আমি নিজের বাইককে সবসময় ১০০ তে ১০০ ভাবার চেষ্টায় থাকি এবং চেষ্টা করি কন্ডিশন সর্বোচ্চ সেরা রাখার। এই দুই চাকার মেশিনিটাই আমার জীবন কেড়ে নিতে পারে তাই তাকে নিজের মনের মধ্যে সেরা মেশিন হিসেবেই নিজের মনকে তৈরী করে নিছি। এক কথায় এই বাইকে সর্বোচ্চ সন্তুষ্টি খোজার চেষ্টা করি৷ আমার কাছে এই বাইকের মাইলেজ, টপ স্পিড, ব্রেকিং ও ব্যালেন্স, কর্নারিং এবিলিটি, লুকস, এসব বাজারের বাকি সবার থেকে সেরা হিসেবেই মনে হয়৷ তবে সব বাইকের মতন R15 V3 বাইকটারও কিছু খারাপ দিক আছে যদিও স্পোর্টস বাইকে কম্ফোর্ট থাকবেনা এটাই স্বাভাবিক তবে সামান্য কিছুটা ভালো সিটিং পজিশন হতেও পারতো। যদিও এখন আমি অভ্যস্ত হয়ে গেছি এই পজিয়াহনেই। এছাড়া বাইকের সাসপেনশন আরো কিছুটা সফট করা গেলে সামান্য অফরোডে ভালো ফিডব্যাক পাওয়া যেত। বাইকটি yamaha কোম্পানির অফিশিয়াল ডিলার পয়েন্ট থেকে কেনা। আফটার সেলস সার্ভিস সবসময় ভালোই পেয়ে আসছি। সঠিক সময়ের সঠিক সার্ভিসের ফলে এই ৩০ হাজারে বাইকের রেগুলার মেইন্টেনেন্স বাদে আর কোনো পার্টস পরিবর্তন করতে হয়নাই। সবমিলিয়ে আমার এই Yamaha R15 V3 (Indian) বাইকটি নিয়ে আমি ১০০% সন্তুষ্ট।
Yamaha MT 15
বাইকটা কেনার প্রথম এবং অন্যতম কারণ হচ্ছে আমার এটা ক্রাশ। বাইকটি এফ আই ইঞ্জিন হওয়াতে মাইলেজ খুবই ভাল পায় এবং এটির রেডি পিকআপ অনেক বেশি এর জন্য একে মাস্টার অফ টর্ক বলা হয় এবং এবিএস থাকাতে ব্রেকিং অত্যন্ত চমৎকার। বাইকটিতে সার্ভিস ভালোই পাচ্ছে কিন্তু সার্ভিস করার সময় একটু বেশি খরচ করতে হয়।
Yamaha Fazer FI V2
প্রথমেই বলি বাইকটা কেন কিনলাম। ছোটবেলা থেকেই ইয়ামাহা এর প্রতি আলাদা টান কাজ করতো। ভেবেছিলাম জীবনের প্রথম বাইকটাও ইয়ামাহাই হবে। কিন্তু টাকার সমস্যার কারণে তা আর হলো না। যদিও কিনেছিলাম হিরো হাংক বাইকটি। ওইটা বছর দুয়েক চালানোর পরই ইয়ামাহা ফেজার বাইকটি পেলাম। আমার স্বপ্ন পূরণ হলো। আমার ইয়ামাহার স্বপ্ন পূরণ হলো। এই বাইকটা সম্পর্কে সবার কাছেই ভালো শুনেছি। কখনো খারাপ বলতে শুনিনি। এক কথায় কমফোর্ট কিং! সিটি রাইডে যেমন কমফোর্ট পাই ঠিক হাইওয়ে রাইডেও ওইরকমই কমফোর্ট পাই। এক কথায় অসাধারণ একটা বাইক। তবে সব অসাধারণ এর মধ্যেও আমি কিছু খারাপ দিক পেয়েছি। প্রথমত এর হেডলাইট! এতো কম পাওয়ার এটার হেডলাইটে যে রাতে সিটি রাইডেও ঝামেলা পোহাতে হয়েছে। পরে বাধ্য হয়ে এলইডি লাইট লাগিয়েছি। আমি স্টক জিনিসে বিশ্বাসী। কিন্তু সবকিছু স্টক রাখা সম্ভব না। তারপর আসি বাইকের পাওয়ার নিয়ে। হায়ার এন্ড এ ভালো সাপোর্ট দিলেও লো এন্ড এ কোনো পাওয়ারই ডেলিভার করতে পারে না এই বাইক। হাইওয়েতে বিশেষ মুহূর্ত গুলোতে এটা থেকে পাওয়ার আউটপুট পাওয়া যায় না বললেই চলে। ইনস্ট্যান্ট এক্সেলেরেশন নেই বললেই চলে। এই দুইটা খারাপ দিক আমাকে অনেক হতাশ করেছে। এই দুইটা দিক বাদ দিলে অনেক ভালো সাপোর্ট পাচ্ছি বাইক থেকে। এখন আসি মাইলেজ নিয়ে। মাইলেজ আলহামদুলিল্লাহ ভালো। সিটি তে আমি ৪০-৪২ কিমি/লিটার পেয়েছি। আর হাইওয়েতে ৪৮-৫০ কিমি/লিটার পেয়েছি। ব্রেকিং বেশ ভালো। সামনে ডিস্ক ব্রেক এর পেছনে ড্রাম ব্রেক। ড্রাম ব্রেক হওয়া সত্ত্বেও আমার ব্রেকিং এ কনফিডেন্স কখনো কমেনি। ব্রেক চাপ দিলেই আকড়ে ধরে। কমফোর্ট নিয়ে আমার কোনো সমস্যা নেই। এই বাইককে মানুষ কমফোর্ট কিং বলে এবং এটা আসলেই তাই। হাইওয়েতে একটানা রাইড করলেও বুঝার উপায় নাই যে এতোক্ষণ রাইড করেছি! পিকাপ নিয়ে আমার একটু সমস্যা আছে। তবে খুব বেশি সমস্যা করে না। সিটিতে বুঝার উপায় নেই যে পিকাপ কম। কিন্তু হাইওয়েতে ওভারটেকিং এর সময়ই বিপাকে পরতে হয়। যাইহোক এটা মেনে নিয়েই আমি চালাচ্ছি আমার বাইকটি। এটার সার্ভিস আফটার সেল সার্ভিস খুব বেশি ভালো না। কিন্তু আবার একেবারে যে খারাপ তাও না। তবে পার্টস এর দাম খুব বেশি না। হাতের নাগালেই এবং সহজলভ্য। আমি এই বাইকটি ৮ হাজার কিমি চালিয়েছি। এই পর্যন্ত আমার একটা এয়ার ফিল্টার বাদে আর কিছু কিনতে হয়নি। আর ইঞ্জিন অয়েল তো চেঞ্জ করতেই হয়। সাথে ফিল্টারও। ওইটার আর কি হিসাব করবো। সর্বোপরি, এটাই বলতে চাই যে ফেজার বাইকটি অনেক ভালো একটা বাইক। এই বাইকের দুই তিনটা জিনিস বাদ দিলে বাইকটা আপনার ভালো লাগতে বাধ্য। ধন্যবাদ।
Yamaha FZS V3 ABS BS4
বাইক মানেই একটা ছেলের জীবনে অনন্য এক স্বাধীনতা। আমার প্রথম বাইক টা মূলত একটা ই কমার্স সাইট থেকে কেনা ২০২১ সালে। বাসায় আব্বুর ইতিমধ্যে একটা বাইক ছিল, তাই এটা অর্ডার করি ই কমার্স সাইটে। তখন এটার অফিসিয়াল বাজার মূল্য ছিল ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা আর আনঅফিসিয়াল ছিল ২ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা। তো যাই হোক, অনেকের অনেক রকম মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায় fz-v3 নাম টা শুনলেই... এবার আমি বলি আমার ১১ হাজার কিলোমিটার চালানোর অভিজ্ঞতা... যদি এক কথায় বলি, অভিজ্ঞতা ছিল অসাধারণ! অনবদ্য! আসলে যতো দামী আর ভালো ভাইক ই হোক না কেনো! প্রতিটি বাইকের ই কিছু সীমাবদ্ধতা আছে.... আমার বাইকের ভালো দিক টা দিয়েই শুরু করি... * ভালো দিক- ১. কম্ফোর্ট: সত্যি বলতে fz v3 এর কম্ফোর্ট কোনো ক্রুজার বাইক থেকে কম মনে হয় নি কখন ও... ঘন্টার পর ঘন্টা রাইড করলেও খুব অল্প ক্লান্তি আসতো, কোন ধরনের পেইন এর তো প্রশ্নই আসে না, মজার ব্যাপার হলো গ্রুপ রাইড এ গেলে পিলিওন রা আমার বাইক এ ওঠার জন্য নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করতো। যে কোনো ধরনের দৈনন্দিন কাজের জন্য উপযুক্ত! বাজার বলেন, ট্যুর বলেন যাই বলেন না কেন! এক কথায় ইউজার ফ্রেন্ডলি একটা মেশিন! ২. কন্ট্রোল : বাংলাদেশে যতো বাইক আছে তাদের মধ্যে r15 এর পর বেস্ট কন্ট্রোলিং আমার মনে হয় fz v3 তেই পেয়েছি আমি... ১১হাজার কিলোর মাঝে বাইক টা একবারের জন্যেও আমার হাত থেকে পড়েনি, একবার বালিতে বাজে ভাবে ব্যালেন্স হারিয়ে যায়, কিনতু অদ্ভুত ব্যাপার বাইক নিজেই সেটা কন্ট্রোল করে নেয় এবং আমার বিশ্বাস fz দেখেই এটা সম্ভব হয়েছিল... হাইওয়েতে বাইকের স্টাবিলিটি এক কথায় অসাধারণ! যত টিউমার, গর্ত এসেছে কখন ও মনে হয় নি বাইক আমার নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাবে! ৩. মাইলেজ: মাইলেজের কথা কি বলবো! হয়তোবা অনেকেই বিশ্বাস করবেন না আমার কথা... ৫৫+ মাইলেজ পেতাম আমি আমার fz থেকে... একবার তেল ভরলে সত্যি বলতে আমি ভুলে যেতাম কবে তেল ভরেছি... সবচেয়ে মজার ব্যাপার হল আমি ৮০০ টাকার তেল দিয়ে চিটাগং আপ ডাউন ট্যুর দিয়েছি পিলিওন সহ... ৪.পার্টস এন্ড সার্ভিস: পার্টস অবশ্যই এভেইলেবেল... দাম ও রিজেনেবল...তবে ১১ হাজার কিলো তে আমি শুধু একবার ব্রেক প্যাড চেঞ্জ করেছি, আর কিছুই করা লাগে নি... বাকি সব কিছুই ১১ কিলো পরেও নতুনের মতো ছিল বলা যায়... এবার আসি খারাপ দিক গুলোয়... * খারাপ দিক: ১. রেডি পিকাপ: ১৫০সিসি বাইক হিসেবে রেডি পিকাপ খুব ই কম... অনেক ১২৫ সিসি বাইকের ও রেডি পিকাপ হয়তো এর চেয়ে বেশি.. ওভারটেক করতে বেশির ভাগ সময় কনফিডেন্স পাওয়া যায় না.. ২. বিল্ড কোয়ালিটি : বাইক টার প্লাস্টিক বডির বিল্ড কোয়ালিটি একেবারেই ভালো লাগে নি, বিশেষ করে কিছুদিন পরেই ট্যাংক ফাকা হয়ে যায়.. আর অন্যান্য অংশের প্লাস্টিক গুলো ও খুব ই ঠুনকো... ৩. হেডলাইট : হেডলাইটের আলো হাইওয়ে রাইডিং এর জন্য মোটেও উপযুক্ত না, বলতে গেলে কিছুই দেখা যায় না.. *** লুকঃ লুক টা আসলে যার যার ব্যক্তিগত প্রেফারেন্স, আমার কাছে পার্সোনালি fz v3 এর এই লুক ভালোই লাগে... পরিশেষে বলতে পারি, হয়তো রেডি পিকাপ কম,হয়তো কচ্ছপ, কিন্তু কম্ফোর্ট, রিলায়েবিলিটি, ডিউরেবিলিটির দিক দিয়ে fz v3 এর জুড়ি নেই... ইতি একজন বাইক লাভার, একজন Fz ফ্যান....
Yamaha FZS FI Double Disc
হেভি লুক, হেভি কম্ফোর্ট, ব্রেকিং সিস্টেম দারুন কিন্তু একটাই সমস্যা ফুয়েল ইন্ডিকেটর সমস্যা তার পরেও সমস্যা মনে হয় না কারন সব যে পার্ফেক্ট হতে হবে এমন কথা না। মাইলেজ অনেক সুন্দর পেয়েছি আর পাচ্ছি আলহামদুলিল্লাহ।
R15 V3 Indian Version Dual ABS
So far it's the best motorcycle I have ever ride, both city and highway.
Yamaha FZS V3 ABS BS4
ইয়ামাহা এফ জেড এস ভি ৩ বাইকটি আমার সপ্নের বাইক।এই বাইকটির ব্রেকিং সিস্টেমের আমি ফ্যান।অনেক বিপদে এই ব্রেকিং আমাকে রক্ষা করেছে।এই বাইকটির লুকস আমাকে মুগ্ধ করেছে।বাইকটি চালিয়ে অনেক কম্ফোর্ট ফিল করি সব সময়ে।
Yamaha FZS FI Double Disc
Yamaha FZS v2.0 প্রতিদিন ব্যবহার উপযোগী বাইক। শুধু ব্যবহার উপযোগী বলেই লোভনীয়, বিলাসী স্বপ্ন দেখাতে চাচ্ছি না। কারণ একটি বিষয় বিবেচনা করে দেখুন যখন,আপনি আপনার গন্তব্যে পোঁছানর পর বাইকটি কোন এক স্থানে পার্ক করবেন সারাদিন এটি নিয়ে ভ্রমণের পরেও এটি আপনাকে তখনও মুগ্ধ করবে। Yamaha FZS v2.0 Review কারণ Fz series সর্বদা যেই লুক বহন করে তা আপনাকে কখনই উদাসীন করবে না। নতুন যোগ করা টায়ার এর গ্রিপ ভাল, আগের থেকেও। ইয়ামাহা FZS এর আগের ভার্সন ব্যবহারকারীরা খুশি ছিল টায়ার নিয়ে। বৃষ্টি, পিচ্ছিল বা ভাঙ্গা রাস্তায় আগের থেকে ভাল নতুন টায়ার ভালো ফল দিবে। তাছাড়াও বাইকের ঢিলা চেইন অ্যাড করার পরও সেগুলো ড্রামের রবারগুলি সঠিকভাবে আটকে রেখেছে। যার ফলে উচ্চতর পুনর্বিবেচনায়ও বাইকটি এটির নতুনত্ব অস্তিত্বকে হারায় না। বাইক আপনার নিকট সর্বদাই নতুন মনে হতে থাকে। সূচনালগ্ন থেকেই বাংলাদেশেFzসিরিজ ইয়ামাহার বেস্ট বিক্রিত বাইক। এই তথ্য থেকেই অবগত হওয়া যায় যে, FZS v 2.0 কতটা স্টাইলিশ ও অত্যাধুনিক। আর নতুন আউটলুকটি ও নজর কাড়বে যে কারো। এই ভার্সনে রয়েছে ১৪৯ সিসিযুক্ত ইঞ্জিন ও ফুয়েল ইনজেকশন, ইঞ্জিনের সক্ষমতা আগের তুলনায় শক্তিশালী হওয়াতে এটি ১৩bhp তে ৮০০০rpm শক্তি এবং ১২.৮Nm এ ৬০০০ টর্ক ৬০০০rpm উৎপন্ন করে। ৪৫ কিঃমিঃ/লিঃ মাইলেজ অর্থাৎ একবার ফুয়েল ট্যাঙ্ক পূর্ণ করলে যাওয়া যাবে ৫৪০ কিঃমিঃ। বস্তুত,নতুন ভার্সনে মাইলেজ ১৪% বৃদ্ধি পাবার কথা বলা হয়েছিল, কিন্তু মাইলেজ কাগজে লেখার মত এতটা না বাড়লেও ভালই বেড়েছে (৪১-৪২ কিঃমিঃ/লিটার)। তবে ব্রেকিং এ কনফিডেন্স পাওয়া গেছে আগের থেকে বেশি। রেয়ার ও সামনের ডিস্ক ব্রেক বড় ব্যাবহারের কারণে এটা সম্ভব হয়েছে। রাইড হিসেবে ইয়ামাহা সবসময় আরামদায়ক ও নির্ভরযোগ্য। যেহেতু FZS-FL v2.0 এর ডিজাইন ও আকর্ষণীয়, কিছুটা গর্ব হয় বাইকনিয়ে রাস্তায় বের হলে। তবে গড়বড় লাগতে পারে গতি তোলার সময়। এটি আগের ভার্সনগুলর মত ফার্স্ট না। শূন্য থেকে ১০০ তুলতে আগের থেকে সামান্য বেশি সময় লাগবে। আর টপ স্পিডও কিছুটা কম। এর কারণ কি ব্যাখ্যা দিতে গেলে, ইঞ্জিনের RPM যেহেতু পিক পাওয়ার তৈরি করে সেজন্য ইঞ্জিনটাকে দায়ী করা যেতে পারে।
Yamaha FZS FI Double Disc
Amar shopner bike ti kinar pichone mul uddeshsho chilo Bangladesh er bibhinno prante bike niye ghuraghuri kora. Tobe poribar er shobaike bole chilam j bike ti paribarik bibhinno kaje bebohar korbo. Bike ti kinte shohojogita kore amar ek porichito boro bhai. 2021 shaler Ramzan mashe ami amar bike ti kini. Oi shomoy FZS V2 er Dark Knight colour varient ta stock a onek kom chilo. Ami shidhdhanto niye felechilam j bike kinle eitai kinbo ei colour a. Nahole kinbo na. Amar bike er bhalo dik bolte gele onek kichui bolar ache. Bike er acceleration power onek. Khub olpo shomoye onek speed uthate pari. Bike ti onek shohoje maneuver kora jay rastay. ABS na thaka shotteo bike tir braking onek bhalo. Tobe ekta gear indicator thakle onek bhalo hoto. Stock headlight ta onek kom alo chilo. Ami pore change kore niyechi. Stock horn tao onek kom sound. Comfort a amar bike 100 out of 100. Mileage ami highway te litre a 45 km - 50 km peyechi. Yamaha er jekono bike er after sales service onek bhalo. Apni bike kenar por 4 ta free service paben. Free service er reminder dite apnake email kora hoy ebong service centre theke sms pathano hoy. Spare parts er availability onek beshi Yamaha er bike gulor. Service er khoroch ta ektu beshi holeo apni bhalo maner service paben nishchit. Ami amar bike kine onek satisfied. Amar bike change korar kono uddeshsho nai CC limit baranor ag porjonto. Thank you Yamaha for building such an amazing bike. Love the bikers community of Bangladesh. Love BikeBD.
R15 V3 Indian Version Dual ABS
আমার ড্রিম বাইক আরওয়ান ফাইভ ভি থ্রী।সবারই একটা স্বপ্ন থাকে সুন্দর একটা বাইক হবে তার।ঠিক তেমনি আমার ও স্বপ্ন ছিলো ভালো একটা বাইক হবে।আমার ড্রিম বাইকটা নিয়েছিলাম অফিসায়ালি ভাবে।বাইকটির স্পীড+ব্রেকিং +কন্ট্রোলিং+লুক এই দিক গুলা বিবেচনা করে আমার স্বপ্নের বাইকটা নিয়েছিলাম।যে দিন বাইকটা কিনেছিলাম সেদিন অনেক ভালোলাগছিলো।কারন স্বপ্ন পুরন হয়েছে।সব কিছুর ভালো ও খারাপ দিক থাকে।খারাপ দিকটা তিতা লাগে,আর ভালো জিনিসটা মিষ্টি লাগে।তাই খারাপ দিকটা আগে বলি।R15v3 বাইকের পার্টস এর দাম টা অনেক বেশি।সামান্য একটা ব্রেকপ্যাড এর মূল্য ২ হাজার টাকা।ব্রেকপ্যাড টা ৪০০০/৫০০০ কিলো চলে।আর মাইলেজ মোটামুটি ৩৪ কিলোমিটার যায় লিটারে সিটি রাইডিং এ।হায়ওয়েতে ৪০ কিলোমিটার যায় লিটারে।এবার আসি ভালো দিক এ,বাইকটির ভালোদিক হচ্ছে স্পীড অনেক,খুব তাড়াতাড়ি ১০০ আপ হয়,স্পীড যেমন রেডিপিআপ তেমনি ব্রেকিং ও খুব ভালো আর কন্ট্রোলিং ও মারাত্মক ভালো।বাইকে যেমন রেডিপিআপ স্পীড ঠিক তেমন ব্রেকিং আর কন্ট্রোলিং।বাইকটিতে বেশিখন রাইড করা পসিবল হয়না,দুরে কোথাও গেলে বেশিখন রাইড করতে পারিনা,একটু হাতে ব্যাথা করে আর মাজায়,ব্যাপার না দুরে কোথাও গেলে একটু রেস্ট নিয়ে চালালেই সব আনকমপর্টফিল দুর হয়ে যায়।আর বাইকটা অফিসিয়ালি সার্ভিস করাতে গেলে অনেক খরচ পরে যায়,অনেক ব্যায়বহুল।১৮০০০ কিলোমিটার রানিং এ একটা মাস্টার সার্ভিস দিছিলাম অফিসিয়াল সার্ভিস সেন্টারে,ওখানে আমার খরচ হয়েছিলো প্রায় ১৭ হাজার +। বাহিরে সার্ভিস করলে মালামালটা কিনতে হবে দেখে শুনে,কারন বাজারে অনেক নকল মালামাল পাওয়া যায় যেটা একদম সেম।আফটার সার্ভিস করালে মোটামুটি একটু কম খরচে পার্টাস কিনে বাইকে ইন্সটল করা যায়।তবে ভালো কোন সার্ভিসিং সেন্টারে সার্ভিস করাবেন,যেখানে ভালো সুদক্ষ টেকনিশিয়ান কাজ করে।এভাবেই আমার পথচলা আমার ড্রীম বাইক নিয়ে।
Yamaha FZS FI Double Disc
বাজেট কম থাকায়,সেকেন্ড হ্যান্ড বাইক কিনে বাড়ি ফিরেছিলাম বীরের মত।ছোটবেলায় বাইক চালানো শিখতে গিয়ে একটা এক্সিডেন্টের পর শপথ নিয়েছিলাম যে,নিজের বাইক ছাড়া অন্য কারো বাইক চালাবোনা।তাই নিজের বাইক কিনে সেটাতেই চালানো শিখেছি।আর মাত্র ৮ দিনের মাথাতেই নিজের দক্ষতা পরীক্ষা করার জন্য একাই চলে যাই বগুড়া থেকে দিনাজপুরে।আর সেখানে এক ফ্রেন্ডকে সাথে নিয়ে চলে যাই তেতুলিয়া ও বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্টে।মাইলেজ,কম্ফোর্ট এর দিকে ১০০% স্যাটিস্ফাইড ছিলাম।শুধু স্পীড ও রেডি পিক-আপ নিয়ে একটু দ্বিধাধন্দে ছিলাম,,তবুও এভারেজ এদিক থেকে।পার্টস এর দাম একটু বেশী হলেও,এভেইলিবিলিটি ভাল থাকায় সার্ভিসিং-এ কোন ঝামেলা পোহাতে হয়নি।আলহামদুলিল্লাহ,সকল দিকেই বাইকটি আমাকে Chilled & Thrilled রেখেছে।তবে ফ্যামিলি প্রব্লেমের কারণে,বাইকটি বিক্রি করে দিতে হয়েছি ৬-৭ মাস পর।এরপরে Bikebd কর্তৃক আয়োজিত Win a Thriller কন্টেস্টেও অংশ নিয়েছিলাম একদম শেষদিনের শেষ মুহুর্তে।Video Reach/Engagement কম থাকায়,কন্টেস্টটিনা জিততে পারলেও,বাইকের প্রতি এবং Bikebd এর প্রতি ভালোবাসা অটুট আছে এবং থাকবে ইনশাআল্লাহ।ধন্যবাদ