Verified reviews from Yamaha EV owners. Know the pros and cons from real riders.
Yamaha FZS FI Double Disc
আমার বাড়ি থেকে আমার কর্মস্থল ৩৫ কি.মি. দুরে অবস্থিত। বাড়ি থেকে দূরত্ব, ওয়ার্কিং আওয়ার, রাস্তায় সময় মতো পরিবহন না পাওয়া এবং ইয়ামাহা এফজেডএস ভার্শন -২ এর প্রতি নিজের একটা দুর্বলতা এই বাইকটি কিনতে আমাকে প্রলুব্ধ করে। কেনার সময় এসিআই মোটরস করোনার অযুহাতে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়িয়ে দেয় এবং প্রিবুকিং দিয়ে প্রায় ৬ মাসের মতো অপেক্ষায় থেকে বাইক কিনতে হয়েছিল যেটা আমার কাছে একটা অনাকাঙ্ক্ষিত অভিজ্ঞতা ছিলো। রাগ করে বহুবার অন্য বাইক কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরেও এফজেডেস ভার্শন -২ এর প্রতি দুর্বলতা সে সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে আসতে বাধ্য করেছে। এই বাইকের ভালো দিকগুলো মোটামুটি সবারই জানা তারপরেও এর নিয়ন্ত্রণ এবং সিটিং পজিশন আমার কাছে সেরা। খারাপ দিক বলতে গেলে এর মিটারের ফুয়েল ইন্ডিকেটর এতোটাই বাজে যে অনেক সময় ভেঙ্গে ফেলতে ইচ্ছা করে। নতুন বাইক গুলোর বডি কিট এর ফিটিংস খুবই বাজে,অল্পতেই ফাকা হয়ে যায় এবং দেখতে খারাপ দেখায়। ওভার হিটিং ইসুও চোখে পড়ার মতো। এটা একটা কমিউটার বাইক হিসেবে এর পিকআপ নিয়ে আমি অসন্তুষ্ট না কারন আমি স্পিড লাভার না এবং হাইওয়েতে বাইক চালানো হয়না বললেই চলে। মাইলেজ নিয়ে আমি সন্তুষ্ট বা অসন্তুষ্ট কোনটাই না তবে যত গর্জে ততো বর্ষে না বলে আমার মতামত। কম্ফোর্ট নিয়ে কোন আপত্তি নাই তবে পিলিয়ন সিট নিয়ে মোটেও সন্তুষ্ট না। এর সব চাইতে ভালো দিক আমার কাছে এর ব্রেকিং। কখনো, কোন পরিস্থিতিতেই এর ব্রেক আমাকে হতাশ করেনি। বলতে গেলে বলা যায় এর ব্রেক আমার সহচরের মতোই সব পরিস্থিতিতে সাথে থাকে এবং কথা শোনে। আফটার সেলস সার্ভিস নিয়ে খুব বেশি অসন্তুষ্ট না তবে সন্তুষ্ট ও না। ঢাকঢোল পিটিয়ে এর যতটা প্রচার করে সার্ভিসিং নিতে গিয়ে সেই রেস্পন্স পাওয়া যায় না। তবে সার্ভিসিং কস্ট খুবই নগন্য। সত্য কথা বলতে গেলে এসিআই কর্তৃক প্রদত্ত ৫টি ফ্রি সার্ভিসিং এ ১৩ হাজার কি.মি.তে ইঞ্জিন অয়েল এবং ফিল্টার বাদ দিয়ে আমার ১ হাজার টাকাও খরচ হয়নি ইভেন ২০ হাজার কি.মি. পর্যন্ত আমার সার্ভিস কস্ট ২ হাজারের ঘড় পার হয়নি। এদিক থেকে আমি অনেক সন্তুষ্ট।
Yamaha Fazer FI V2
আমি ও আমার ফেজার এফ আই। আমার এই ফেজার বাইকটি কেনার কারন ছিলো আরামদায়ক লং রাইড করা। ফেজার বাইকটি অনেক স্মুথ চলতে পারে ও লং রাইডেও ক্লান্তি দেয় না এটাই এই বাইকের সবচেয়ে বড় গুন। তবে এই বাইকে ডাবল ডিস্ক থাকলে বেশি ভালো হতো। ডাবল ডিস্ক না থাকার কারনে কিছুটা সমস্যা হয় এটাই মেইন খারাপ দিক বলতে পারেন। এখন অব্দি আফটার সেলস সার্ভিস ভালোই যদিও আমার এই বাইক মাত্র ৯০০০+ কিমিঃ চলেছে। আর খরচ ও তুলোনামুলক কম। আমি এই ফেজার নিয়ে ভালোই আছি আপনি?
Yamaha R15M
বাইক টা আমি শখের বসে কিনেছিলাম অন্য মানুষ বাইক চালাত আমার খুব শখ হত কিন্তু ছোট ছিলাম বলে বাড়ি তে বাইনা করে ছিলাম তখন কিনে দিয়েছিল না কিছু দিন পরে কিনে দিয়েছিল, আর আমার ছোট থেকেই শখ যে R15 কিনব
Yamaha MT 15
প্রথমে আমার বাইক এতোটা পছন্দ ছিলো না।২০২০ এর করনার সময় ঘরে থেকে আস্তে আস্তে মটোভ্লগিং দেখা শুরু করি এবং বাইকিং এর উপর আলাদা একটা ভালো লাগা কাজ শুরু করলো। প্রায় সব ভালো বাইকের রিভিউ দেখা শুরু করলাম। বাইক বিডির গ্রুপ+ পেজ+ ইউটিউব এবং অন্যান্য চ্যানেল থেকে প্রচুর ভিডিও এবং ইনফরমেশন নিতাম।কিন্তু আমি বাইক চালাইতে পারতাম না।অন্য কারর বাইক নিয়ে শিখতেও ইচ্ছা করত না। বাসায় অনেক বলাবলি করতাম ফ্যামিলি মেম্বার দের সামনে ভিডিও দেখতাম বাইক এর সারাদিন।কিন্তু বাসা থেকে পছন্দ করতো না বাইকিং।অনকদিন বাসায় কিছু বলতাম না বাইক নিয়ে।কিন্তু তারা দেখতো তাদের ছেলে সারাদিন বাইক এর ভিডিও দেখে ।তারপর আস্লো ২০২২ এর march একদিন ঘুম থেকে উঠে দেখি বড় বোন এসে বলতেছে কোন বাইক নিবি আমি নিজেকে চিমটি কেটে বলি সপ্ন দেখতেছি নাকি!!! বল্লাম মজা করিস না যা বাইক লাগবেনা।পরে শুনি নাকি না দিবে আমাকে বাইক কিনে। পছন্দের R15 থাকলেও কম্ফর্ট এর চিন্তা করে নিয়ে ফেল্লাম Mt15😊 Alhamdulillah. স্বপ্ন পূরন হলো।
Yamaha FZS V3 ABS BS4
Looking & controlling is Awesome. Milage is not good.Average. Seatings position is good & comfortable. ABS working perfectly. I love my machines.
Yamaha FZS FI Double Disc
আসসালামু আলাইকুম। আমি এস এম মোস্তাক। বাসা টাংগাইল। তো আজ আমার বাইক কেনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করবো। ২৫/০৮/১৭ এর বিকেলে আমার বন্ধু আমাকে ফোন দেয় তার নতুন বাইক কিনেছে তার জন্যে আমাদের কিছু বন্ধুদের ট্রিট দিবে। তো আমি যাই তার বাইকে কিছু ক্ষণ ঘুরাঘুরি করে নিজ থেকে উপলব্ধি করি যে আমার নিজেরও একটা বাইক লাগবে। ঘুরাঘুরি আর ট্রিট শেষ করে বাসায় যাই। বাসায় আব্বুর রুমে যেয়ে দেখি আব্বু শুয়ে আছে। তাকে ঢাক দিয়ে বলি আমার একটা বাইক লাগবো। আমার কথা শুনে সে উঠে বলে বাইক দিয়ে কি করবা? আমি বলি যে বাইক দিয়ে অন্য মানুষেরা যা করে আমিও তাই করবো। পরে আব্বু জিজ্ঞেস করলো আমার কোনো বাইক পছন্দ আছে কিনা!! আমি আব্বুকে বললাম আর টি আর সাদা কালারের বাইকটা খুব পছন্দের। পরে আব্বু বললো যে পালসার পছন্দ হয় না। আমি বললাম যে না ভালো লাগে না। আব্বু বললো যে ঠিক আছে সকালে কিনে দিবো এখন খেয়ে ঘুমাইয়া পরো। বিশ্বাস করেন আমার সারা রাত ঘুম হয় নাই। পরের দিন সকালে বের হয়ে যাই টিভিএস এর শো-রুমে। ওই খানে বাইক দেখে একটা সিলেক্ট করি। পরে আব্বু দেখে যে চেক নিয়ে আসে নাই। পরে আমাকে নিয়ে বের হয়ে অফিসে চলে আসে। ওইখান থেকে চেক নিয়ে পরে আমাকে ইয়ামাহা এর শো-রুম কোথায়!! আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম ইয়ামাহা শো-রুমে কিরবা!! আব্বু বলে যে ইয়ামাহা শো-রুমে আমার লোক আছে তাকে নিয়ে গেলে কিছু ডিস্কাউন্ট পাবো। পরে আব্বু কে নিয়ে আসি ইয়ামাহা শো-রুমে যাই। ওই খানে যে ফেজার বাইকটি আমাকে দেখতে বলে। তার কথা শুনে আমি আকাশ থেকে পরি। ২০০৩ এ বাইক এক্সিডেন্ট করার পরে বাইক কিনে দিতে চাইছিলো না আর আজ সে কিনা আরটিআর না কিনে ফেজার কিনে দিবে। পরে আব্বুকে বললাম বাসার রাস্তা ছোট যদি কিনে দাও তাহলে এফ জেড এস কিনে দাও। আব্বুর পছন্দ ছিলো ফেজার কিন্তু রাস্তা চাপা বলে এফ জেড এস কেনা হলো। বাইকের রেডি পিকাপ বাদে আর কোনো খারাপ দিক পাইনি আমি। ১৫০ সিসি সেগমেন্টে এর উপরে বাইক হয় না। ব্রেকিং থেকে নিয়ে সব কিছুই পুরাই অস্থির। আর বাইকের সার্ভিস নিয়ে কোনো ধরনের প্যারায় পরতে হয় নাই। মেসার্স মামুন মটরস এর টেকনেশিয়ানরা খুব যত্ন সহকারে আমার বাইকটি সার্ভিস করে দিয়েছে। আর তাদের সবার ব্যবহারও ছিলো অমায়িক।
Yamaha FZS FI Double Disc
my name is md nazmul hossen. i live in konabari. when was in 11 years old that time i can ride bike that was my father bike that bike name was bajaj 4 stroke. when i have completed my hsc that time i was interested to buy a bike.then i decided to buy a bike ..then i choose this bike fzs v2. i always comfort with this bike
R15 V3 Indian Version Dual ABS
Less Comfortable otherwise everything is 'OK'
Yamaha FZS V3 ABS BS4
Very Smooth Breaking system. Feel comfortable while riding.
Yamaha MT 15
ইয়ামাহা এমটি ১৫ লুকিং দেখেই প্রেমে পরে যাই, ২০২০ করোনা মহামারি শুরু তখন পাবলিক ট্রান্সপোর্ট বন্ধ, তখন বাইকের প্রয়োজন অনুভব করি কোথাও অফিশিয়াল এমটি পাচ্ছিলাম না সব শোরুমে কাইসিস সব জায়গাতে খবর নেওয়ার পর শুধু ফেনী শোরুম একটা গাড়ি পেয়েছিলাম আর দেরি না করে নিয়ে নিলাম, নেওয়ার পর সে আমাকে কখনো হতাশ করেনি ব্রেকিং মাইলেজ অফটার সার্ভিস খুবই ভালো ছিল, আমি বাইক ট্যুর করতে ভালবাসি, অফিশিয়াল বাইক হওয়া কারনে আমি সারা বাংলাদেশের যেকোনো ইয়ামাহা শোরুম সার্ভিস করাতে পারতাম যার কারনে বাইকের পারফরম্যান্স আরো বেড়ে গেছে, ধন্যবাদ বাইক বিডি কে এই রকম কন্টাস্ট আয়োজন করার জন্য
Yamaha MT 15
আস্সালামু আলাইকুম ।আমি মাজেদ। পেশায় একজন চাকুরীজীবি। ছোট্টবেলা থেকে ভীষন বাইকপপ্রেমি। মোটামুটি এ পর্যন্ত 35-40 ধরনের বাইক রাইড করেছি। ছোট্ট জব করি। জবের জন্য প্রতিদিন গড়ে 40-45 কিমি রাইড করতে হয়।হাইওয়েতে বেশী রাইড করতে হয়। আমি FZS V3 চালাইতাম।কিন্তু হাইওয়েতে খুব প্যারা দিত ওভারটেকিং এর সময,এছাড়া টার্নিং রেডিয়েস অনেক বেশী। একারণেই আমি অন্য বাইক নেওয়ার কথা ভাবি। অফিসিয়াল বাইকের মধ্য MT15 এর চেয়ে ভালো অপশন পাই নাই, আমার প্রয়োজন মত।লুকস,পাওয়ার, কমফোর্ট, কন্ট্রোলিং, ব্রেকিং, মাইলেজ, সার্ভিস, ইত্যাদি আমার মুল প্রয়োজন ছিল। এজন্য FZS V3 টা সেল দিয়ে MT15 নেই।এই বাইকটির ভালো দিকের পাশাপাশি কিছু খারাপ দিকও আছে। ভালো দিকের মধ্যে এর লুকস, পাওয়ার, কন্ট্রোল, কমফোর্ট, মাইলেজ,ব্রেকিং উল্লেখযোগ্য। খারাপ দিকের মধ্যে বিল্ড কোয়ালিটি অন্যতম। এছাড়া সিংগেল চ্যানেল ABS, মেটাল সুইংআরম,হাইওয়েতে লাইটের আলো কম। আমি হাইওয়েতে মাইলেজ পাই 60+kmpl.সিটি হাইওয়ে মিলে প্রায় 50 kmpl. কারণ আমি 80-90 kmphএ রাইড করি।এর পারফরম্যান্স অনেক ভালো।তবে এক্ষেত্রে ইন্জিন অয়েল অনেক বড় ফ্যাক্ট।এর রেডি পিকআপ আমাকে বিমোহিত করে। একারণেই মন হয় এর নামকরন টা যথার্থ। MT:MASTER OF TORQUE.0-100 তুলতে সময লেগে ছিল 12 সেকেন্ড। আমি টপ স্পিড লাভার না, একদিন 133কিমি পর্যন্ত উঠেয়েছিলাম, তখনই স্পিড ব্রেকার দেখি, থেমে যাই, আর ট্রাই করি নাই।সব কিছু স্টক ছিল। বেশ কমফোর্ট, কন্ট্রোলিং One of the Best, ব্রেকিং বেশ ভালো, তবে Dyal channel ABS হলে আরও ভালো হত। অন্তত কনফিডেন্স বাড়ত। ইয়ামাহার আফটার সেলস সার্ভিস এককথায় BEST IN BD। 20000কিমি পর্যন্ত দুইবার ব্রেক প্যাড, একবার শুধু স্পোকেড, 1বারক্লাস কেবল, 1বার থ্রোটল কেবল, 2বার প্লাগ,1বার এয়ার ফিল্টার চেন্জ করেছি।প্রিমিয়াম বাইক তাই পার্টসও একটু দামী।এটা মেনে নিতে হবে। তবে বাহিরে কিছুটা কমে পাওয়া যায়। ইয়ামাহার সার্ভিস নিয়ে আমি 100%সন্তুষ্ট।পরিশেষে #বাইকবিডি লাভারদের উদ্দেশ্যে বলব, যদি বাজেট সমস্যা না হয়, টপ স্পিড নিয়ে মাথা ব্যাথা না থাকে, এবং বিল্ড কোয়ালিটি কিছুটা কমপ্রোমাইজ করতে পারেন, তবে আপনার পছন্দের মেশিন হতে পারে #MT15-TheDarkSideOfJapan.এটুকু বলতে পারি হতাশ কখনই হবেন না।It's An All rounder Machine. NB:Need regular Care like Family member is Needed for this Machine. If You want Best Performance.Thanks All.Bike মানে BikeBD. ভুলত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
Yamaha FZS FI Double Disc
ইয়ামাহা (Yamaha)FZS FI V2 DD….. অল্প কিছু বছর পূর্বেও এদেশে ইয়ামাহার তেমন ডিস্ট্রিবিউট ছিল না। এমনকি ২০১৬ তেও ইয়ামাহার শোরুম ঢাকার বাইরে কদাচিৎ দেখা যেত। কিন্তু বর্তমানে বাংলাদেশের রাস্তা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ইয়ামাহা, রাজার মত। চমৎকার ইন্জিন এবং দারুণ ডিজাইনের জনপ্রিয় বাইকগুলোতে রাইড করলে আপনি অনুভব করবেন আপনি হয়তো ঠিক উড়েই বেড়াচ্ছেন৷ সেই অনুভূতিটা আমি নিজেও অনুভব করি FZS V2 DD বাইকটি রাইড করে। ইয়ামাহা ব্যান্ডের FZS V2 DD বাইকটি কালার, ডিজাইন বর্তমানে সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। বাইকটির ইঞ্জিন ফুয়েল ইঞ্জেকশন হওয়ার কারণে মাইলেজ এর দিক থেকে অনেক ভালো পারফরম্যান্স দেয়। বিল্ড কোয়ালিটি বেশ ভালো। বাইকের চাকা/টায়ার বড়/চওড়া এর জন্য সাইড কর্নারিং করতে স্লিপ করে না পরে যাওয়ার ভয় থাকে না, যার ফলে খুবই সহজে সাইড কর্নারিং করা যায়। উঁচু-নিচু, ভাঙ্গা রাস্তায় বাইকটি রাইড করে তেমন একটা ঝাঁকি লাগে না, কোমর ব্যাথা, হাত ব্যাথা,পিঠ ব্যাথা, শরীর ব্যাথা হয় না। বাইকটির ডাবল ডিস্ক ব্রেক হওয়ার কারণে মূহুর্তের মধ্যে কন্ট্রোল করা যায়। এককথায় বাইকটির বর্ণনা করতে গেলে বাংলাদেশের রাস্তা ও বাংলাদেশের সকল বয়সের বাইকারদের জন্য বাইকটি পারফেক্ট। বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে ওপরের কথা গুলো বললাম কারণ আমি নিজে একজন FZS V2 DD বাইক রাইডার। আমি বাইকটি ১৪ হাজার কি.মি. এর বেশি রাইড করেছি এর মধ্যে কোন প্রকার কোন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় নাই। মেঘের রাজ্য সাজেক গিয়েছিলাম, বাইক নিয়ে যাওয়ার আগে অনেকেই বলেছিলো বাইক নিয়ে পাহাড়ি রাস্তায় চলাচল করা অনেক ঝামেলা, বাইক পাহাড়ে উঠতে পারবে কি না আরও অনেক কথা। যাই হোক সবকিছু উপেক্ষা করে আল্লাহর রহমতে সুস্থভাবে খাগড়াছড়ি,রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, চট্টগ্রাম এক কথায় পাহাড়ি রাস্তা পাঁচ দিনে মোট ১৬০০ কিঃ মিঃ রাইড করে বাড়ি ফিরে এসেছি, ইনশাআল্লাহ এর বাইকে কোন সমস্যা দেখা দেয় নাই।আলহামদুলিল্লাহ FZS FI V2 DD বাইকটি নিয়ে আমি অনেক সন্তুষ্ট। তাছাড়া, এসিআই মোটরস প্রতিনিয়ত সেবা দিয়েই যাচ্ছে ইয়ামাহাকে। পরিশেষে সকল কিছুর জন্য ধন্যবাদ জানাই ইয়ামাহা ও এসিআই মটরসকে।
Yamaha FZS FI Double Disc
আমি ফয়সাল আল হোসেন বয়স – ২৫ বছর ঠিকানা – ইউনিয়ন-মনিগ্রাম (৬২৮০) থানা- বাঘা জেলা – রাজশাহী বাইক - আমার জীবনের প্রথম বাইক FZ-S V2 ছোট থেকেই বাইকের ওপর আলাদা একটা ভালোলাগা কাজ করত । আব্বুর পেছনে বসে বাইকে কোথাও যেতে দিলে আমিতো অনেক খুশি , তখন ক্লাস ৬ এ পড়তাম আব্বুকে বলতে পারতাম না ভয়ে আব্বু বাইক একটু চালানো শিখায় দিবা ! যদি বকাঝকা করে এই বয়সে বাইক চালানো শিখা কিসের ! সহ্য করতে পারবোনা । স্কুল থেকে ফেরার পথে বাইক দেখতাম মনে মনে চাইতাম ইশ যদি আমিও বাইকটা একটু চালায়তে পারতাম । যখন আমি ক্লাস ৭ এ পড়ি একদিন দুপুরে আব্বু নামাজে গেছেন । আমার চাচাতো ভাই সে বাইক আগে থেকেই চালাতে জানে আমাকে বলে তোর আব্বু নামাজে গেছে চল এই সুযোগে বাইক নিয়ে ঘুরে আসি । আমিতো খুব খুশি, কিন্তু যদি আব্বু চলে আসে ! বলে সমস্যা নাই চাচা বাড়ি আসার আগেই আমরা ঘুরে চলে আসবো । ভাই বাইক চালাচ্ছে আমি পেছনে বসে মনে মনে ভাবছি ভাইকে একটু বলে দেখব ! বাইক চালানো শিখাবে নাকি ! এর মধ্যেই ভাই বলে কিরে বাইক চালাবি? আমিতো অনেক খুশি একটুও দেরি না করে বললাম হুম চালাবো ভাই । তখন আমাকে বাইকের হ্যান্ডল ধরে বসেছি ভাই পেছনে বসে ভাইও হ্যান্ডলে হাত দিয়ে আছে , এভাবে কিছুদিন চলে,রোজ দুপুরের অপেক্ষায় থাকতাম কখন দুপুর হবে আব্বু নামাজে যাবে আর আমরা বাইক নিয়ে বের হবো ! একদিন ভাই হ্যান্ডল ধরে রেখেছিল বললো আমি ছেড়ে দেয় তুই একা চালা আমি পেছনে বসে আছি হ্যান্ডল শক্ত করে ধরে রাখবি আর পড়ে যেতে লাগলে আমি ধরে ফেলব চিন্তা নাই । আমিতো একটু ভয় পেলাম আবার খুশিও হলাম জীবনের প্রথম বাইক একা চালাবো । যখনি ভাই বাইকের হ্যান্ডল আমাকে ছেড়ে দিল একটুদুর গিয়েই পাগারে ( ছোট খাদ ) নামায় দিলাম । দুই ভাই হাসছি খুব যদিও আল্লাহ্র রহমতে কোন ক্ষতি হয়েছিল না আমাদের কিন্তু বাইকের হেডলাইট কিছুটা ভেঙ্গে যায় । আর আব্বুর কাছেও আমরা সেদিন সেজন্য ধরা খেয়ে যায় তারপর থেকেই আব্বু আমাদের হাতে আর বাইক দেয়না । ভাইকে মাঝে মাঝে যখন কাজ থাকত তখন বাইক দিতো কিন্তু আমাকে দিতো না আর । সেই থেকে বাইকের ওপর আরও ভালবাসা বেড়ে যায় । ক্লাস ৮ এ পড়া কালিন আব্বুর বাইক নিতাম মাঝে মাঝে তখন বাইক চালানো শিখেছি মোটামোটি । এদিক সেদিক ঘুরতাম মাঝে মাঝে কিন্তু সময় নির্ধারণ থাকতো ৩০ মিনিট / ১ ঘন্টা এরকম সময় দিতো আর আস্তে বাইক চালাতে বলতো । আমিও সময় মতো বাইক দিয়ে আসতাম নাহলে পরে আবার যেদিন বাইক চাইব সেদিন যদি বাইক না দেয় , মাঝে মাঝে কাজ থাকার কারনে আব্বুকে বাইক নিয়ে এদিক সেদিক যাওয়া লাগতো তাই বাইক যদি না দিতে পারতো খুব মন খারাপ করে বাজার থেকে বাড়ি ফিরে আসতাম । সত্যি বলতে বাইক ছোট থেকে অসম্ভব ভালবাসি যা ভাষায় প্রকাশ করতে পারবোনা । যখন ইউনিভার্সিটিতে পড়তাম ঢাকায় আমার মতো আরও একটা বাইক পাগলা ভাই ছিলো তার সাথে ফ্রী সময়ে বাইকের সো-রুমে চলে যেতাম নতুন সব বাইক গুলা দেখতাম বাইকে বসে দেখতো ওই ভাই আমি লজ্জায় উঠতাম না আমি শুধু বাইক দেখতাম ইচ্ছে ছিল নিজে যেদিন বাইক কিনবো সেদিন চড়বো । বাইকের লিফলেট দিতো রুমে নিয়ে আসতাম রাতে লিফলেট দেখতাম ইউটিউব এ বাইকের ভিডিও দেখতাম টপ স্পীড দেখতাম কোন বাইকের কতো স্পীড । যখন ঢাকা থেকে রাজশাহীতে চলে আসলাম । প্রায়ই বাইক কেনার জন্য আব্বুকে বলতাম কিন্তু আব্বুর সামর্থ্য থাকার পরও আব্বু নিয়ে দিতো না একটাই ছেলে আমি কিছু হয়ে গেলে আব্বু মেনে নিতে পারবেনা, বাসায় মাঝে মাঝে লুকায় কতো কান্না করেছি আম্মু মাঝে মাঝে চুপি চুপি দেখতো । আম্মুকে মাঝে মাঝে দেখাতাম এই বাইক আম্মু আমার খুব পছন্দ তখন FZ-S V2 বাজারে নতুন । একদম ক্রাশ বাইক আমার । হঠাৎ একদিন আম্মু বাইকের টাকা গুছায় আমাকে দিয়ে বলে এই টাকায় হবেনা! কিছু কম ছিল টাকা তারপরও আমি বললাম এতেই হবে কারন বাকিটা আমার গোছানো ছিলো । সন্ধায় সাথে সাথে ঢাকায় আমার সাথে আমার এলাকার বাইক পাগলা যে ভাই ছিল তাকে ফোন দিয়ে বললাম বাইক কিনতে যাব সাথে দুইটা বন্ধু বললো ফাইনালি তাহলে বাইক কিনছো । আমি যে কতো খুশি ছিলাম বলে বোঝাতে পারবোনা । সেদিনের রাতটা যেন পারই হচ্ছিলো না প্রায় সারারাত জেগে জেগে ভাবছি কাল বাইক কিনবো ট্যাঙ্কই ফুল করবো বাইক নিজে চালায় নিয়ে আসবো এসব ভাবতে ভাবতেই রাত প্রায় শেষ । ভোরে একটু ঘুমিয়ে সকালে উঠে নাস্তা করে বেরিয়ে পড়লাম সবাইকে ফোন করে ডেকে নিলাম তখন যে চাচাতো ভাই বাইক চালানো আমাকে সিখাইছিল সেই ভাইকেও ফোন দিয়ে ডাকলাম ভাই বাস্ততার জন্য আসতে পারলো নাহ । আমরা সেদিন বাইকটি দুপুর হতে হতেই কিনে নিয়ে চলে আসি । এখন আমার বাইকটি যখন প্রতিদিন চালায় এতো যে ভেতরে ভালোলাগা কাজ করে বলে বোঝাতে পারবোনা । আমার বাইকটি বানেসসর নিউ মোটরস থেকে কিনেছিলাম সেখানকার ফ্রী সার্ভিস ৫ম টা পর্যন্ত নিয়েছি । ২৫০০ এর সময় ৪৫-৪৮ মাইলেজ পেয়েছি ২৫০০ এর পর বাইকে ৪২-৪৫ পায় এখন । আমার বাইকটি আমি সপ্তাহে শুক্রবার বাসায় নিজে ধোয়ামোছার পর্ব শেষ করি । আমি শুরু থেকেই YAMAHA LUBE মবেলটি ব্যবহার করছি । যেটা ১৫০০Km পর্যন্ত চালানো যায় এবং সার্ভিস খুবি ভাল পাচ্ছি আর আমি সবসময় চেষ্টা করি ইয়ামাহা সার্ভিস সেন্টার থেকে মবিল নেয়ার । বাইকের ব্রেক সু ক্ষয় হয়ে গিয়েছিল এজন্য এটা পরিবর্তন করা লেগেছিল । তাছাড়া মবিল আর মবিল ফিল্টার ছাড়া কিছুই পরিবর্তন করা লাগেনি । আমার বাইকটি এখন ১২,০০০ কি,মি চলে প্রায় । আমি আমার বাইকটি কখনও কোন মডিফাই করিনাই । শুধু ৩/৪ টা স্টিকার লাগিয়েছি এই পর্যন্ত । বাইকের ৫ টি ভাল দিক বলতে = ১-বাইকটি দেখতে বেশ সুন্দর। ২-বাইকটির ব্যালেন্সিং খুব ভালো। ৩-ইয়ামাহা সব সময় তাদের ব্রেকিং নিয়ে খুব সচেতন,এই বাইকটির ক্ষেত্রেও তাই,ব্যক্তিগত ভাবে এই বাইকটির ব্রেকিং এর আমি অনেক বড় ফ্যান। ৪-সাউন্ডটা স্মুথ। ৫-হাইস্পীড কর্ণারীং এর জন্য উপযুক্ত। বাইকটির খারাপ দিক বলতে ১-বাইকটির টপ স্পীড আমার কাছে কিছুটা কম মনে হয়েছে। ২-ব্যাকলাইট খুব বেশি দিন টেকশয় হয় না। ইয়ামাহা FZS Fi v2 এর খারাপ দিক আমি খুব কমই পেয়েছি সর্বোচ্চ স্পীড আমি তুলেছিলাম কুষ্টিয়ার রাস্তায় লালন শাহ্ সেতুতে । স্পীড ছিল ১২২ বাইক একাই রাইড করেছিলাম তখন । বাইকটি নিয়ে দূরে বলতে আমি কুষ্টিয়া আর সিরাজগঞ্জ চাইনা বাঁধ গিয়েছিলাম মাইলেজ আর পারফরমেঞ্চে আমি অনেক সন্তুষ্টি ছিলাম । আর রাস্তায় আমাকে কোন রকম বিরক্ত করা ছাড়াই রাজশাহী বাঘাতে ফিরেছিলাম নাটোর শহর হয়ে অনেক মজা হয়েছিল সেদিন আসলে বাইক নিয়ে দূরে কথাও গ্রুপ করে যাওয়ার মজাই আলাদা কখনও কোন বাইকের গ্রুপয়ের সাথে বাইক ট্যুরে যাওয়ার সুযোগ পেলে হাতছাড়া করবোনা ইনশাল্লাহ বাইক নিয়ে নিজের দেশটা অন্ততও ঘুরে দেখার ইচ্ছে আছে দোয়া করবেন আমার জন্য সবাই খোদা হাফেজ
Yamaha FZS FI Double Disc
আসসালামু আলাইকুম। কি দিয়ে শুরু করব জানি না, তবে আমার বাইক কেনার অভিজ্ঞতা ছিলো একদমই ভিন্ন।অনেকে একটা বাইকের জন্য কতো সাধনা করে, কতো লোকের দেখছি বাইক কেনার জন্য সুইসাইড পর্যন্ত করে। কিন্তু আমি যে বাইক কিনব এটা আমি কখনো স্বপ্নেও চিন্তা করি নি।আর ইচ্ছেও ছিলো না বাইক কিনবো। হঠাৎ একদিন আব্বুকে বল্লাম আব্বু আপনি একটা কেনেন। কিন্তু যেহেতু সরকারি চাকুরী করে বাসায় থাকে না তাই কিনতেও চাইলো না। পরবর্তী মাসে হঠাৎ কি হলো বাইক কেনার জন্য আমার হাতে টাকা ধরিয়ে দিলো। আমি তো পুরাই অবাক! পরে চিন্তা করলাম কি বাইক কেনা যায়।এর আগে আমার কোন ধারণা নেই বাইক কি জিনিস কেমনে চালাতে হয় পর্যন্ত জানি না আমি। পরে এক বন্ধু সে বললো সে yamaha fzs-v2 বাইক কিনতে চাই। পরে আমিও বল্লাম আমিও এটা কিনবো। কিন্তু দুঃখের বিষয় সে সময় ছিলো করোনার মধ্যে এবং এই বাইকটাও মার্কেট আউট ছিলো। হতাশ হয়ে গেলাম কি করব বুঝছিলাম না। পরে বন্ধুর সাথে পরামর্শ করলাম যে বাইক যদি পাওয়া যায় তুই নিবি তো। ও বল্ল হ্যাঁ নেব। তারপর সারা বাংলাদেশ তন্ন তন্ন করে খুজে লক্ষিপুরে ২ টা ব্লু কালারের বাইক পাওয়া গেলো। তাও যদি ২৪ ঘন্টার মধ্যে আমরা যেতে পারি তাহলে দিতে পারবে। যেমন কথা তেমন কাজ। একটা পিকআপ ভাড়া করলাম মোট ৬ জন বেরিয়ে পরলাম। আলহামদুলিল্লাহ পরের দিন সকালে বাইক নিলাম, চালানো শিখলাম, সকল বিষয় জানলাম। অতঃপর বাইক চালেয়ে যেমন মজা, তেমন ব্রে-কিং সিস্টেম। সবথেকে ভালো লাগছে এর ব্রে-কিং সিস্টেম টা। আলহামদুলিল্লাহ এই ছিলো আমার বাইক কেনা থেকে শুরু করে অভিজ্ঞতার গল্প