Verified reviews from TVS EV owners. Know the pros and cons from real riders.
TVS Stryker 125
Well, ready pickup is outstanding. Engine hitting issue pretty bad, 55+ speed you will face vibration. It's increased with high RPM. Overall not bad at all
New TVS Apache RTR 160 4V
I using Rtr 4v for almost 4 years. It’s an awesome bike. I ride it in hill, onroad, off-road. Not for a single time It's give any trouble to me. Overall a great Machine.
TVS Stryker 125
*Aita amr first bike..R new ekta experience. Aita ami varsity te asa jawar jnno kinechi.. *Amr bike er sob theke vlo dik hocche er osadharon look. R aitar khrp dik bolte aitar break ta r ektu better hoite parto.. *Amr bike tir mileage ta khub kom r ektu vlo mileage hole valo hoto. Break tai oto comfot pai ni r sob dek a bike ta besh vlo comfort peachi.. *Amr bike ti te 1st service deyachi. Service motamuti valoi peachi r exta kono cost hoy ni bike ti te.
New TVS Apache RTR 160 4V
টায়ার চেঞ্জ করলে ভালো হবে
TVS Raider 125
I believe that the way you guys reviewed the bike, it was very informative and explanatory. The review was very much applicable to the general and common people and the new riders. Thank you for your tremendous support towards the community. Hope you would keep the content comming.
TVS Apache RTR 160 Single Disc
I am very happy to used this bike with my family
New TVS Apache RTR 160 4V
আমি আজ থেকে ৭-৮ মাস আগে Apache 4v ইউজার হই।বাট কেনার সময় একটা ভয় ছিলো যে কেমন হবে কন্ট্রোল বা ব্রেক।কিন্তু ১ মাস ইউজ করে বুজতে পারলাম। Apache 4v একটা বাইক না রোবট। ::যাই হোক মুল কথায় আসি 4v খুবি অসাধারন একটা বাইক কন্ট্রোল খুবি চুমেংকার। ব্রেক অসাধারন।এবং খুবি কম্ফোট ভাবে বাইক টা চালানো যায়। সাওন্ড টার তো কোন কথা ই নাই। আমি সবমিলিয়ে ৩৫-৪০ মাইলেজ পাই।
New TVS Apache RTR 160 4V
#ReviewPost Apache 4V (ABS) ৭৬ দিনে ৫০০০ কিলোমিটার🤐 ➡️➡️➡️ প্রথমে খারাপ দিকগুলা বলি ঃ 1️⃣➡️ এই গাড়ি টা অনেক পোলাপাইন উল্টা পাল্টা ভাবে চালায় তাই এটার হেটার্স অনেক বেশি। আপনি সাধারণ ভাবে রাইড করলেও অনেকে আপনাকে অন্য চোখে দেখবে। 2️⃣➡️ মাইলস্ একটু কম ( ২৮/৩০/৩৬) এমন হবে হয়তো। 3️⃣➡️ ABS (কোনো রকমের সুবিধা আমি পাইনি ৫০/৬০ গতিতে ব্রেক দিলেও 🥴 কেল্লা ফতে🤐। (হুদাই ২৩০০০ টাকা বেশি দিছি)। সম্ভবত আমার ABS এ সমস্যা আছে। 4️⃣➡️ শহরের মধ্যে চালাতে একটু কষ্ট হয়। কারন গাড়িটা একটু ভাড়ি। ➡️➡️➡️ এখন আসি কয়েকটি ভালো দিক নিয়েঃ 1️⃣➡️ মাত্র ২ লক্ষ্য টাকার গাড়ি দিয়ে ৩/৪ লক্ষ্য টাকার গাড়ির সাথেও রেস নেয়ার মতো সক্ষমতা দিয়েছে এই গাড়িটাতে ( যদিও তাদের আগে যাওয়া সম্ভব নয়)। তবে এটাতেও অনেক গতি দিয়েছে। 2️⃣➡️গতি / লুক / দাম সব মিলিয়ে ভালোই। 3️⃣➡️ এটার সিট টা একটু বড় আছে বসতে কষ্ট হয় না।( আমি আমার আম্মুকে সাধারণ ভাবেই বসাতে পারি)। 4️⃣➡️ লং ট্যুরের জন্য এটা আমার কাছে ভালোই লাগছে। ( ৭৬ দিনে ৩ বার কুয়াকাটা ট্যুর)😌 5️⃣➡️ মিটারের সাথে মোবাইলের ব্লুটুথ কানেকশন টা ভালোই কাজে লাগে লং টুরে কেউ কল দিলে সেটা মিটারে সেভ করা নাম সহ ভেসে উঠে। BikeBD গ্রুপের রুলস অনুযায়ী আরো কিছু লেখালেখি করতে হবে তাই ভাবলাম একটু এডিট কইরা আরো কিছু লেখালেখি করি😑 প্রথমে বলি এই গাড়ি টা কেনার কারন টা ঃ আমরা চেয়েছিলাম Gixxer কিনতে ঐটার ছিট একটু বেশিই ছোট আম্মু বসতে পারবে না তাই দেখলাম এটার সিট ও একটু বড় আছে তাই এটা নিলাম। বাইকটির দাম ছিলো ২,০৭,৯০০/- টাকা কাগজ ছাড়া। সবকিছু বিবেচনা করলে বাইকটি যথেষ্ট ভালো একটা কথা আছে যে অল্প টাকায় রঙের বাহার 🥰। যার গতি লাগবে না তার জন্য এই গাড়িটা না নেওয়াই ভালো, কারন এটার মাইলেজ ও অনেক কম পাবেন। যার অল্প বাজেটে গতি লাগবে তার জন্য এটা মনেহয় ভালোই হবে। #bikebd #bikelovers
New TVS Apache RTR 160 4V
A bad side which is very embarrassed. Back tyre
TVS Metro Plus
বাইকার খুব ভালো প্রথমে মনে করেছিলাম ততটা পারফরমেন্স ভাল পাব না, কিন্তু সে আমাকে ভুল প্রমানিত করেছিল। ব্রেকিং সিস্টেম ভালো মাইলেজ ও ভালো দেয় গেটাপ অসুন্দর সর্বোপরি শেষ কথা আমার খুব পছন্দের।
TVS Stryker 125
I think the bike is value for money in this budget segment
TVS Apache RTR 160 2V Single Disc
আমার পছন্দের একটি বাইক এই Apache Rtr 4v... সামর্থ ছিলো না এই বাইকটি কিনার কিন্তূ আমার কঠোর পরিশ্রমে অবশেষে 4v আমার কাছে ধরা দেয়।আমি খুব আনন্দের সাথে বাইকটি রাইড করি। সব দিক থেকে ভালো হলেও milage এবং ব্রেকিং একটু নজর দিলে বেশি ভালো হতো।তবে সত্যি কম সামর্থ্যের মানুষের পছন্দ থাকতে পারে কিন্তু পূরণ করা একটু কষ্টকর। কিন্তূ চেষ্টা করলে আল্লাহ্ তায়ালা অবশ্যই তার ইচ্ছা, পছন্দ, চাহিদা পূরণ করে দেন।
TVS Raider 125
টিভিএস রাইডার কিনার কারণ। আমি ভালো মাইলেজ পাবো এবং দেখতে যেন নেকেড বাইক হয় তাই এই বাইক টা নেওয়া। ব্যাস্তব অভিঙ্গা খুব জগন্য তেমন কোনো আইডিয়া ছিল না আমার। প্রথম বাইক নিব খুব কঠিন এক্সাইটেড আবার চিন্তিত ও। বিডি বাইক এর টিভিএস রেইডার রিভিউ দেখলাম চমৎকার ভাবে তুলে ধরেছে গাড়িটির বর্ননা। এবার আসি গাড়ি খারাপ /ভালো দিক। প্রথম খারাপ দিক বলি। আমার মনে হয় গাড়িটির ইঞ্জিন ওয়েল কুল দেওয়া উচিত ছিল। একটা ইমাজেন্সি সুইচ নেই, ভালো দিক হল, বসে কমফোর্ট, ব্রেকইন টা এক কথায় অসাধারণ, এবং ওভার টেকিং সময় খুব ভালো থোটাল রেসপন্স পাওয়া যায়। আফটার সেলস সার্ভিস ভালো হবে আশা করা যায়। ১২৫ সিসি কমিউনিটি সেগভমেট মধো বেস্ট বাইক।
TVS Apache RTR 160 Single Disc
এই সেগমেন্টে এটি একটি চমৎকার মেশিন। তবে এটির ব্রেকিং এবং ব্যলেন্সে আরেকটু নজর দেয়া উচিত বলে আমি মনেকরি।
TVS Radeon
কম সিসির কমিউটার বাইক হিসেবে এককথায় অসাধারণ। যেমন সিটিতে তেমনই পাহাড়ে, পিলিয়নসহ সাজেক এবং ডিম পাহাড় ডিঙ্গাতেও হতাশ করেনি।
New TVS Apache RTR 160 4V
নিজের প্রথম বাইক মানেই অন্যরকম এক ভালোলাগা। সাথে যে ব্যাপারটা কাজ করে তা হলো বাইকের সাথে এডজাস্টমেন্ট। আমাদের প্রচলিত ধারণা থেকে জেনে আসছি যে, 4v মানেই মরণ বাইক! এ ব্যাপারটার জন্য 4V avoid করার প্রবল ইচ্ছা ছিল। কিন্তু abs version টা আসার পর, এই দামে এতকিছু আর কোনো বাইক provide করছিল না। তাই এটাই নিয়ে নিলাম। নেওয়ার পর ধারনাই বদলে গেল! এর কন্ট্রোলিং কখনো খারাপ মনে হয়নি। ব্রেকিংএ বাইট একটু কম পাওয়া যায়, কিন্তু abs এর কল্যাণে দুই একবার বেশ ভালো বাঁচা বেঁচেছি। আর মাইলেজের ব্যাপারে বলতে গেলে প্রায় ১০হাজার কিমি চালানো হয়েছে এখন মাইলেজ পাচ্ছি ৩৫কিমি/লি। সত্য কথা বলতে 4v এর আসল মজা হাইওয়েতে। নিশ্চিতে চালানো যায়! নতুন ভার্সনের led headlight এর জন্য এখন পর্যন্ত কোনো fog light এর দরকার পড়েনি হাইওয়েতও। সবশেষে বাইক চালানো নিজের ওপর তাই যেকোনো বাইকে নিজের কন্ট্রোলে রেখেই চালানো উচিত। Happy Biking <3
New TVS Apache RTR 160 4V
বাইকটি আমি যে কারণে কিনি - বাইক কেনার আগে অনেক বাইকের রিভিও দেখি BikeBD ইউটিউব চ্যানেল থেকে। তেমনি Apache RTR 160 4v বাইকটির টিম বাইক বিডির রিভিও দেখতেও মিস করি না। অসাধারণ পাওয়ার এবং সুন্দর লুকস দেখে ভালো লাগায় বাইকটি কেনার জন্য মনস্থির করে ফেলি। আমি এখন পর্যন্ত ২৪০০০KM রাইড করেছি।এই পথচলায় বাইকটির ভালো এবং খারাপ দিক গুলি যা পেয়েছি- ✓ইঞ্জিন - ১৬০ সিসি, ফোর ভালব, সিঙ্গেল সিলিন্ডার ইঞ্জিন। এই বাজেট রেঞ্জে মোস্ট পাওয়াফুল বাইক ইন বাংলাদেশ। ✓পাওয়ার- ১৬.৩BHP এবং ১৪.৭ Nm টর্ক রয়েছে সাথে অয়েল কুল ইঞ্জিন। এথেকে বোঝা যায় বাইকটি কুইক এক্সিলারেশন ও টপ স্পিডের দিক এগিয়ে থাকবে এই বাজেট সেগমেন্টে।ওয়েলকুল ইঞ্জিন থাকায়, ইঞ্জিন তাড়াতাড়ি ঠান্ডা করতে পারে। যার ফলে হাইওয়েতে গেলে পাওয়ার লস ফিল হয় না। ✓ লুকস- বাইকটির লুকস আসাধনরণ। অনেক এগ্রেসিভ লাগে। কিন্তু ওভারঅল লুকস এর সাথে এক্সজস্ট টা আমার কাছে ভালো লাগে নাই।✓কমফোর্ট- আমি বাইকটি নিয়ে মাঝে মধ্যেই ডে লং ট্যুরে বের হই।একটানা রাইডে বাইকটি আমাকে কোন প্রকার ব্যাকপেইন, হ্যান্ডপেইন জাতীয় সমস্যায় ফেলেনি। সাথে শোয়া ব্র্যান্ডের মনসক্স টা থেকে ভালো ফিডব্যাক পেয়েছি ইভেল পিলিয়ন সহ রাইড করেও। আমি বলবো সিটি এবং হাইওয়ে রাইডে সেরা কমফোর্টেবল বাইক। ✓বিল্ট কোয়ালিটি- বিল্ট কোয়ালিটি ভালো আমার মতে। প্লাস্টিক কোয়ালিটিও ভালো এবং বেশ মজবুত। কিন্তু ওয়ারিং কোয়ালিটি আর একটু ভালো করা যেত। ✓হ্যান্ডলিং- আপরাইট পজিশনের পাইপ হ্যান্ডেলবার মানেই বেশ আরামদায়ক কন্ট্রোলিং। হ্যান্ডেলবার আপরাইট হওয়ায় স্মুথ রাইডিং এক্সপিরিয়েন্স পাওয়া যায়। ✓স্ট্যাবিলিটি- বাইকটা বেশ স্ট্যাবল। হাইওয়েতে উচ্চ গতিতেও তেমন ভাইব্রেশন থাকে না। ৭০০০ আরপিএম ক্রস করলে ফুটপেগ ও হ্যান্ডেলবারে সামান্য ভাইব্রেশন ফিল করেছি। ✓টায়ার - সামনে রয়েছে ৯০/৯০-১৭ এবং পিছনে ১৩০/৭০-১৭ সাইজের টায়ার দেয়ার কারণে কর্নারিং এ ভালো সাপোর্ট পাওয়া যায়। ✓ব্রেকিং- বাইকটির সামনে এবং পিছনে উভয় চাকায় রয়েছে ডিস্ক ব্রেক। [ফ্রন্ট ২৭০ NM, রেয়ার - ২০০NM] বাইকটির ব্রেকিং খুব ভালো বলবো না মোটামুটি ভালো। হাইস্পিডে মাঝে মাঝে চাকা স্কিট করে তাছাড়া ভেজা রাস্তায় ব্রেকিংটা সন্তোষজনক নয়। ✓মাইলেজ- বাইকের মাইলেজ নির্ভর করে ভালো পাম্পের ফুয়েল, সময়মতো ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন, পারফেক্ট গিয়ার শিফটিং ও রাইডারের রাইডিং স্টাইলের উপর। আমি সিটিতে ৩২-৩৫ এবং হাইওয়েতে ৩৫-৩৮ মাইলেজ পেয়েছি। ×× বাইকটির কিছু খারাপ দিক - টার্নিং রেডিয়াস অনেক বেশি,ওজন বেশি, হেডলাইটের আলো নাইট রাইডের জন্য পর্যাপ্ত নয়। আফটার সেলস সার্ভিস- TVS Sales Point এর সার্ভিস সেন্টার থেকে বেশ ভালো সার্ভিস পেয়েছি। তাদের দক্ষ মেকানিক এবং তাদের হেল্পফুল স্টাফদের থেকে কয়েকবার সার্ভিস নেয়ার সুযোগ হয়েছে।
TVS Stryker 125
বাইক চালানোর নেশা আমার সেই ছোটবেলা থেকেই কিন্তু কখনো কারও কেছে থেকে চেয়ে চালাইনি। যখন আব্বু বাইক কেনে তখন আমার তো আকাশ চুম্বি খুশি। তখন আব্বুকে বলে বাইকের চাবিটা নিয়ে নিজে বাইক স্টার্ট দিয়ে চালানোর চেষ্টা করতাম। একটা সময় নিজে নিজেই চালানো শিখে যাই তারপর বাইক চালানোর যে নেশা উঠেছে সেটা পুরন করেছি আমি নিজের টাকায় এই TVS Stryker কিনে। বলতে গেলে আমার সামর্থ অনুযায়ী এটি ভালো বাইক। আর TVS এর এই Price range এ এইটাই আমার লুকিং, মাইলেজ এবং ব্রেকিং এ ভালো লেগেছে। তাই এটি আমার কাছে এল্পতেই খুশির একটি বাইক যা আমার সপ্নকে পুরন করেছে।