Verified reviews from Honda EV owners. Know the pros and cons from real riders.
Honda X-Blade 160
আমার একটা বাইক খুবই প্রয়োজন ছিল যেহেতু আমি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সেলসে জব করি। আমার ডেটুডে লাইফে আমার বাইক আমাকে খুব ভালো সাপোর্ট দিচ্ছে। তাছাড়া ছুটির দিন গুলোতে ঢাকার কাছাকাছি দূরত্বে ঘুরেবেড়াতে আমার এমন একটি বাইক দরকার ছিল যার কিনা সিটি এবং হাইওয়েতে মোটামুটি ভালো পারফর্মেন্স দিতে পারে। এজন্যই হোন্ডা এক্সব্লেড বাইকটিকে চুজ করেছিলাম এবং আমি এটা কিনে নিরাশ হইনি। তবে আফসোস একটাই বাজেট কম থাকায় এবিএস ভার্সনটি কিনতে পারিনি। এই বাইকটির ভালো দিকতো অনেক যা বলে শেষ করা যাবে না। তবে খারাপ দিক বলতে এতে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের মান মোটেই ভালো মনে হয়নি এবং দামও একটু বেশি মনে হয়েছে। আর এর মাইলেজের কথা না বললেই নয়। অসাধারন মাইলেজ ৫০+ পাচ্ছি। তবে এর ওডোমিটার যে অতিরিক্ত স্পীড দেখায় তাতে কোন সন্দেহ নেই। এই বাইকটিতে রেডিপিকআপ নেই সত্যি কিন্তু ৩ নম্বর গিয়ার থেকে এটার কিযেনো হয়। এতো পাওয়ার বেড়ে যায় মনে হয় যেনো পাগলা ঘোড়া। পারফর্মেন্সের পরেই একটা বাইকের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি চাওয়া থাকে কম্ফোর্ট। এক্ষেত্রে এক্সব্লেডকে ১০এ ৯ দিতে হবেই হবে (রাইডার ও পিলিয়ন উভয়ক্ষেত্রে)। একটা কথা না বললেই নয়, সিঙেল ডিস্ক একটা বাইক থেকে এত্য ভালো ব্রেকিং এবং কন্ট্রোলিং আমি সত্যি আশা করিনি। তবে কিছু জিনিস এই বাইকটিতে কমতি আছে বলে মনে হয়। যেমনঃ চাকা তুলনামূলক চিকন, হেড লাইটের আলো যথেষ্ঠ নয়, এফ আই ইঞ্জিন দেয়া হয়নি, আফটার সেল সার্ভিসের মান ভালো নয় এগুলোই। সর্বপোরি খুব সহজেই বলা যায় খুব ভালো একটা বাইক, ব্যবহার না করলে আসলে বুঝবেন না আর এই বাইকটি যদি বাজাজ পালসার ১৫০ এর মত জাতীয় বাইক হয় তবে আমি খুব একটা অবাক হব না। সবশেষে বলতে চাই, সবাই সাবধানে বাইক চালাবেন এবং অবশ্যই ভালোমানের হেলমেট ব্যবহার করবেন কারণ হেলমেটের চেয়ে জীবনের মূল্য অনেক বেশী। ধন্যবাদ।
Honda Livo 110 Disc CBS
জব করে টাকা জমিয়ে আলহামদুলিল্লাহ নিজের টাকায় প্রথম বাইক কিনছিলাম ২৮সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখে । এখন পযন্ত ১০,০০০+ কিমি রাইড দিয়েছি । আমার মতে মিড বাজেটে সুন্দর লুকের বেস্ট বাইক হোন্ডা লিভো । জাপানিজ ইঞ্জিন নিয়ে কোন কথাই হবে না, সাথে ব্রেক কন্ট্রোল সব দিকে বেস্ট । ২টা লং ট্যুর দিয়েছিলাম ঢাকা থেকে সিলেট এবং দিনাজপুর । বেস্ট সাপোর্ট পেয়েছি বাইকটি থেকে । নেগেটিভ দিক বলতে গেলে বলবো, পেছনের চাকাটা চিকন, হাড ব্রেক ধরলে চাকা স্কিড করে, তাছাড়া আর প্রবলেম নেই । আমি বলতে চাই, যাদের বাজেট মিড রেঞ্জে তারা চোখ বন্ধ করে বাইকটি নিতে পারেন, ঠকবেন না ।
New Honda CBR 150R Victoy Red Black
CBR er back panelta aro mojbut hole 10/10 deya jeto. R chain er noiseta jodi remove kora jeto tahole valo joto.
Honda X-Blade 160
This bike is really the best for mileage and comfort. It's been two years since I bought the bike and I'm still getting 40km mileage. But I have a little frustration with my breaking performance. The design and looks of the the bike is awesome. After sales service so far Alhamdulillah.
Honda X-Blade 160 ABS
A best bike with best looks,best milage. But spare parts is very costly.
New Honda CBR 150R Victoy Red Black
CBR 150R! নামটা শুনতেই মনে হয় দেখতে সুন্দর, এবং পাওয়ারফুল একটি বাইক। * আমার বাইকটি কেনার মুল কারন এটির অদ্ভুত সুন্দরর্য এবং কমফোর্টেবল। * এই বাইকটির ভালো দিন বলে শেষ করা যাবেনা। এর মধ্যে আমার কাছে সব থেকে যে বিষয় গুলো বেশী ভালো লেগেছে সেগুলোই বলছি.. ১/ ইনস্টেন পাওয়ার। ২/ স্পোর্টস বাইক হিসেবে মাইলেজ। ৩/ গুড লুকিং। ৪/ কমফোর্টেবল। 5/ কন্ট্রোলিং। * CBR এর এতো এতো ভালো দিকের মধ্যে কিছু বিষয় রয়েছে যা আমার কাছে ভালো লাগেনি। যেমনঃ ১/পার্টসের দাম অন্য বাইকের তুলনায় অনেক বেশি। ২/ স্টক চেইন সাউন্ড করে। ৩/ ২০ হাজার কি.লি. পর সাউন্ড কিছুটা নষ্ট হয়ে যায়। এগুলো ছাড়া বাইকটির সব কিছুই আমার বেশ ভালো লেগেছে।
Honda CB Hornet 160R CBS
আমি আমার বাইক টি আমার নিত্যদিনের অফিস যাতায়তের জন্য ইভ্যালী ই কমার্স প্লাটফর্ম থেকে কেনা।কিন্তু বাইক আনতে হয় সেই বসিলা থেকে হোন্ডা রিসিভ করতে হয়।আমার হর্নেটের সব দিক ই আমি সন্তুষ্ট, কিন্তু হোন্ডা কোম্পানির কোন হর্ন ই আমার সন্তুষ্টি পরিপূর্ণ করে দিতে পারে নি।এটা খারাপ দিক।আর না হয় সব কিছুই আমি সন্তুষ্টি প্রকাশ করি।আগে যদি জানতাম হোন্ডা কোম্পানির সার্ভিস এত বাজে হবে তাহলে কখনোই হোন্ডা ব্র্যান্ডের বাইক কিনতাম না।আর পার্টস এর দাম ত আকাশ ছোয়াই।যেমন হর্নেটের এক্সালেরেশনের মাথায় যে গুটলি গুলা থাকে অইগুলা নাকি ১৫০ টাকা জোড়া।এতটাই দাম রাখে শো রুম গুলা যে।অথচ গ্রে মার্কেটে ৪০ টাকা। সার্ভিস বাবদ ও অনেক টাকা গুনতে হয়।যেহেতু পার্টসের দাম বেশি।আর এই হল আমার চলার সাথীর তিতা মিঠা দিকগুলি।
Honda CB Hornet 160R CBS
আমি বাইক কিনেছি মুলত নিজের ব্যক্তিগত ব্যবহার এর জন্য। কেনার অভিজ্ঞতা ভালো হয়নি কারন আমি অনলাইন ব্যংকিং করেছিলাম কিন্তু একটু ভুল বুঝাবুঝিতে বাইক হাতে পেয়েছি একদিন পরে। এছাড়া উনাদের কমিটমেন্ট পুরোপুরি ঠিক ছিলো না। যাই হোক, আলহামদুলিল্লাহ।
Honda CB Shine SP
ভালো দিকঃগ্রাফিস ডিজাইন অসাধারণ, কম্পোট,সিটিং পজিশন, মাইলেজ, বেকিং। খারাপ দিকঃ ডিজিটাল মিটার নেই, সামনে পিছনে চাকা চিকন।
Honda X-Blade 160 ABS
আমি বাইকটি কেন কিনেছি: আমার বাজেট এর মধ্যে দেখতে সুন্দর ও ABS সিস্টেম থাকায় এই বাইকটি পছন্দ করি। ভালো দিক: ১. ABS ব্রেক। ২. মাইলেজ ভালো। ৩. দেখতে সুন্দর। ৪. ফ্যামিলি বাইক। খারাপ দিক: ১. সামনের চাকাটি একটু চিকন। ২. হেড লাইটের আলো একটু কম। মাইলেজ: আমি বাইকের মাইলেজ পাই ৪০+-, পিক আপ এবং ব্রেক সিস্টেম আমি সন্তুষ্ট। আমার বাইকের আফটার সেল সার্ভিস খুভ ভালো। তেমন কোনো বাড়তি খরচ করা হয়নি।
Honda CB Hornet 160R CBS
Bike er looks and comfort amar kase valo lage eita manush vede change o hoite pare. Milage on average 40er kom city te o pai nai. Spare parts er price ektu beshi tobe longibility o kom na jemon front break pad 1650 approximately 6k km er moto chole. Acceleration o jotheshto valo. Ami top speed peyechi 126 aro uthano jeto but I don't like to do over speeding. Shob miliye jodi amar marks dite hoy ei price range a I'll give it 4.5 out of 5.
New Honda CBR 150R Victoy Red Black
আসসালামু আলাইকুম, আমি আজ আপনাদের সাথে আমার হোন্ডা সিবিয়ার এর ৭০০০ কিমি পথচলার অভিজ্ঞতা শেয়ার করবো। প্রথমেই বলে নেই, আমার এই বাইকটি পছন্দ করার কারন। প্রথমত এর লুক অন্য স্পোর্ট বাইক থেকে ভিন্ন এবং এর হেডলাইট যেন ক্ষুধার্ত সিংহের ন্যায় চেয়ে থাকে। এছাড়াও এর সিটিং পজিশন,হ্যান্ডেলিং,ব্রেকিং( ডুয়েল চ্যানেল এবিএস) এক কথায় অনবদ্য। এবং তার চেয়েও বড় যে বিষয়টি রয়েছে তা হচ্ছে এর ডিএনএ যা হোন্ডা কম্পানির একটি বাইক। আমাদের দেশে এখনও আমরা বাইক বলতে হোন্ডা কেই বুঝি। এখন যদি আমি বাইকের ভালো কিছু পয়েন্ট উল্লেখ্য করি, তাহলে: ১. এর লুক ( যদিও এটা পারসোনাল ব্যাপার) ২. এর ব্রেকিং, যা আপনার ব্রেকিং কনফিডেন্স কে বাড়িয়ে দিবে। ৩. এর কন্ট্রোলিং। ৪. এর রিলায়বিলিটি। ৫. এর সিটিং পজিশন এবং এই বাইকের মেইনটেনেন্স খরছ একদম। এখন যদি এই বাইকের খারাপ বা আমার ভালো নাহ লাগা দিক বলি: ১. এই বাইকের গতি অন্য সকল স্পোর্টস বাইক থেকে কম। ২. এই বাইকের পিছনের চাকা ১৩০ যেটা অন্তত ১৪০ করে দিলে আরো ভালো গ্রিপ এবং করনারিং করা যেত। ৩. এর চেইনের নয়েজ। ৪. স্পেয়ার পার্টস এর প্রাইজ বেশি। ৫. এর মুল্য যা একটি ১৫০ সিসি বাইকের জন্য অনেক বেশি। আমি আমার এই বাইকে সিটি তে ৪০/৪৫ এর মত এবং হাইওয়েতে ৫০/৫৫ এর মত মাইলেজ পেয়েছি। এমন কি ৫০০০ আর পি এম এ মাওয়া রোডে ৬৫+ মাইলেজও পেয়েছ। মাইলেজ নিয়ে আমি খুবই খুশি। এবং এরপর যদি বলি ব্রেকিং এবং কন্ট্রোলিং তাহলে বলবো, যদিও এইটা আমার লাইফের প্রথম বাইক কিন্তু এরপরও কখনও মনে হয় নি এর আগে যে আমি কখনও বাইক চালাই নি। খুব সহজেই বাইকটি এর রাইডার কে আপন করে নেয়। এখন যদি সার্ভিসিং এর কথা বলি, হোন্ডার যে অফিশিয়াল সার্ভিসিং সেন্টার রয়েছে সেগুলো বেশ ভালই কিন্তু একমাত্র আমাদের বাইকের মডেল টি হোন্ডা বাংলাদেশ এর একমাত্র এফআই বাইক, তাই এদের সার্ভিসিং সেন্টারে এফআই ক্লিনার নেই, যেটা কখনই কাম্য নয়। এখন বলবো, মেইনলি এই বাইক কারা কিনবেন? প্রথমত যাদের কাছে এই বাইকের লুক ভালো লাগে, যারা খুব বেশি টানাটানি করেন নাহ বাট পাওয়ারফুল বাইক রাইড করতে চান এবং একটি কমফোর্ট সিটিং পজিশন, যার মাধ্যমে আপনি একটি স্পোর্টস বাইক নিয়েও লং টাইম রান করতে পারবেন।
Honda CB Hornet 160R CBS
আমি ইশতিয়াক আহমেদ । আমার জন্মস্থান: মানিকগঞ্জ জেলার ,সাটুরিয়া থানা | আমি Honda Cb Hornet 160r Cbs Special Edition user | বাইকটি আমি এখন পর্যন্ত রাইড করেছি ৯৫০০+। আজ আমি আপনাদের কাছে আমার Honda Cb Hornet 160r এর ব্যাপারে কিছু অভিজ্ঞতার বিষয় শেয়ার করবোঃ আমার ছোট থেকেই অনেক নেশা বাইকের প্রতি। আমি বড় হয়ে একটা মোটরসাইকেল কিনব। আমি যখন ক্লাস ৫ এ পড়াশোনা করতাম তখন থেকে মোটরসাইকেল চালানো পারি। আমি আমার কাকার honda cd 80 দিয়ে চালানো শিখছি। তারপর থেকে বাইকের প্রতি আরো অনেকটাই নেশা বেড়ে গেল। আমার আরেকটা কাকার তখন Hero Honda Glamour ছিল। তো হঠাৎ করে একদিন বাইকটা কাকার কাছে চেয়েছিলাম কিন্তু দিয়েছিল না। তারপর আমার মা সেটা জানতে পারল।মা এই বিষয়টা বাবার কাছে বলল। বাবা বলল এসএসসি পরীক্ষা শেষ কর তারপরে কিনে দেব । এসএসসি পরীক্ষা শেষ করলাম। এরপর আমি সব সময় ইউটিউবে Honda Cb Hornet 160r এর রিভিউ দেখতাম। bikebd এর রিভিউ দেখতাম। bikebd ইউটিউব চ্যানেলে তখন Honda Hornet 160r Single Disc এর রিভিউ টা ছিল।সেইটা দেখেও ভালো লাগলো। এরপর আল্লাহর রহমতে রেজাল্টটা ভাল হইল। তারপর বাবা বলল কোন বাইক টা কিনবি । আমি তখন Honda Cb Hornet 160r Cbs পছন্দ করলাম।03-06-2020 এ আমি আর বাবা গেলাম BHL এর অনুমোদিত শোরুম Azad Motors, Manikganj এ Honda Cb Hornet 160r বাইক টি ক্রয় করতে । শোরুমে যাবার পর দেখি একটাই Honda Cb Hornet 160r Cbs special editions আছে ।তারপর বাইকটি ক্রয় করা হল ১,৮৯,০০০ টাকা দিয়ে । তারপর বাইকটি চালিয়ে বাসায় নিয়ে আসলাম। কিনে আনার পর সারাদিনই বাইক চালিয়েছি । ওই দিনটা স্মৃতি হয়ে থাকবে।। Honda Cb Hornet 160r টি তে রয়েছে - 162.71cc Air Cooled, 4 Stroke 15.04 BHP 8500 rpm ইঞ্জিন। ৫ টি গিয়ার। বাইকটির ওজন - 140 kg। পিছনের চাকা 140/70-17 এতে cornaring করে অনেক মজা। সামনের চাকা 100/80-17। আরো রয়েছে LED Headlight যা রাতের বেলায় দেখতে অনেক সাহায্য করে। বাইকটিতে CBS ব্রেকিং থাকায় অনেক ভালো পারফরম্যান্স পাওয়া যায়। Cbs ব্রেকিং হচ্ছে পিছনের ব্রেক দরলে সামনের টাও অটোমেটিক কাজ করে। এর জন্য Cbs ব্রেক অসাধারণ। আর Honda Cb Hornet 160r এর ইঞ্জিনের শব্দ অনেক সুন্দর । ব্রেকিংপিরিওডঃ Honda Cb Hornet 160r এ ব্রেকিংপেরিওড মেন্টেন করেছি 4000 km পর্যন্ত। প্রথমাবস্থায় ইঞ্জিন অয়েল চেঞ্জ করেছি 800 km পর পর। 9000 km পর্যন্ত Honda 10W 30 ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করেছি। এরপর ব্যবহার করলাম Liqui Moly 10W 30 Synthetic Technology এই ইঞ্জিন অয়েল এর পারফরম্যান্স টা ভালই পাচ্ছি। Honda Cb Hornet 160r এ 4 টা Free সার্ভিস এবং 3 টা Paid সার্ভিস। বাইকের ৩ টা সার্ভিস সম্পন্ন করা হয়েছে Azad Motors, Manikganj থিকে। বাইক টিকে আমি আমার নিজের চাইতে বেশি যত্ন করি। যখন যা লাগে সময় মতো দেই। Honda Cb Hornet মাইলেজ _ অকটেন এ হাইওয়েতে মাইলেজ পেয়েছি 45km+ Honda Cb Hornet 160r নিয়ে টুর করেছি - টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ, গাজীপুর, ঢাকা Honda Cb Hornet 160r নিয়ে টুর করে অনেক মজা পেয়েছি। বাইকের Top speed পেয়েছি 126 ঢাকা - টাঙ্গাইল হাইওয়েতে। Honda Cb Hornet 160r এর হ্যান্ডেলিং পজিশন ভালো হওয়ার জন্য back pain তেমন হয় না। Honda Cb Hornet 160r এর ভালো দিকসমূহ _ ১- সিটিং পজিশন। ২- Cbs ব্রেকিং সিস্টেম। ৩- গতি নিয়ন্ত্রণ ৪- হ্যান্ডেল বার পজিশন। ৫- ইঞ্জিনের শব্দ অসাধারণ ৬- LED Headlight সব বাইকের যেমন ভালো দিক আছে তেমন খারাপ দিক আছে। Honda Cb Hornet 160r এর খারাপ দিকসমূহ - ১- চেইন অনেক শব্দ করে। ২- প্লাস্টিক বডি। ৩- রেডি পিকআপ নেই। আমি 9500 km+ ride করে এই কয়েকটি খারাপ দিক পেয়েছি। Honda Cb Hornet 160r বাইকটি নিয়ে আমার চূড়ান্ত কথা হলো- এই বাইকটি সবদিকেই আমার কাছে অসাধারণ লেগেছে। বিশেষকরে এই বাইক এর ব্রেকইং সিস্টেম এবং মাস্কুলার চেহেরা।। (ধন্যবাদ)
Honda CB Hornet 160R CBS
জীবনে চলাচলার পথে তুই আরেকটি সঙ্গি। যেকোনো গন্তব্যে সঠিক সময়ে যাওয়ার বাহনের নাম বাইক। কিনেছিলাম শখের বসে, আজ তা নেশা হয়ে গেল। আমার কর্মস্তলের এখন অনেক হেল্প হয়। সবদিক থেকে এখন ভালো সার্ভিস পাচ্ছি। ভালোবাসা অবিরাম।।।।
Honda X-Blade 160 ABS
it is a very fuel efficient bike.. and also I like this bike for its stylish look. the pillion seat is very long and comfortable. I want to say its a family bike too.