Verified reviews from Honda EV owners. Know the pros and cons from real riders.
New Honda CBR 150R Victoy Red Black
It is a very good bike with best controlling amd break but not the best with ready pickup.
Honda CB Hornet 160R CBS
There are lots of brand and lots of motorcycles currently in our country. I was looking for the best performance, control & best breaking available in a bike according to my budget. I choose Honda Hornet CB 160R CBS. It has outstanding breaking and acceleration which i needed in my day to day journey. I have completed almost 19,000km in my bike. I almost ride 70km/per day. It successfully fulfilled my requirements. I get milage average 45+km/litre. But the parts and accessories i think its somewhat costly in honda showroom that's a quite issue to me. Overall its a beast under your control in this budget segment.
Honda X-Blade 160 ABS
নতুন মোটরসাইকেল কেনার পরে করনীয় ========================================= নতুন মোটরসাইকেল কিনে চালানো শুরু করেছেন কিন্তু মনে হচ্ছে ইঞ্জিন অনেক গরম হচ্ছে, ইঞ্জিন থেকে অন্যরকম শব্দ হচ্ছে। চলতে চলতে হঠাৎ ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, গিয়ারটা ঠিক মতো চেইন্জ হচ্ছে না। নতুন বাইকে এ ধরনের কিছু সমস্যায় পড়তে হয় যা বৈশিষ্ট্যে ছোট কিন্তু নতুনদের কাছে বড় এবং বিরক্তিকর মনে হয়ে থাকে। সমস্যা এবং সমাধানগুলো আগে থেকেই জানা থাকা ভালো। একই সংগে নতুন বাইক কেনার পরে কিছু করনীয় কাজ থাকে যা করলে আপনার এবং আপনার বাইকের উভয়ের জন্যই মঙ্গলজনক। - বাইকটি পরিপূর্নভাবে চেক করে নিন নতুন মোটরসাইকেল কেনার সময় পরিপূর্নভাবে মোটরসাইকেলটি চেক করে নিন। বিশেষকরে বাহির থেকে চোখে পড়ে এমন কোথাও দাগ/ফেটে যাওয়া/ভেংগে যাওয়া ইত্যাদি রয়েছে কিনা। থাকলে সাথে সাথে জানান। - ওয়ারেন্টির নিয়মগুলো জেনে নিন মোটরসাইকেলটির কোন যন্ত্রাংশের কতদিনের জন্য ওয়ারেন্টি রয়েছে, ওয়ারেন্টির জন্য কিকি শর্ত রয়েছে ইত্যাদি বিষয়ে স্বচ্ছ ধারনা নিন। - মোটরসাইকেল ম্যানুয়ালটি পড়ে নিন আমরা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এই বিষয়টি অবহেলা করে যাই। অথচ ম্যানুয়েলে বর্নিত নিয়মগুলো একবার পড়ে নিলে আপনার বাইকের অনেক দরকারী তথ্যই আপনার জানা থাকবে যা আগামি দিনের অনেক ছোট-বড় ঝামেলা থেকে আপনাকে বাচিয়ে দিবে। যেমন পেট্রোল নাকি অকটেন ব্যবহার করবেন। কতদিন পরপর ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করবেন। কোন গ্রেডের ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করবেন ইত্যাদি। - নিরাপত্তা নতুন মোটরসাইকেল, প্রিয় সম্পদ, তাই এর নিরাপত্তার বিষয়ও সবার আগে ভাবতে হবে। ডিস্কব্রেক থাকলে ভালো মানের ডিস্কলক ব্যবহার করুন। চাইলে শিকল লক বা সিকিউরিটি এলার্মও ব্যবহার করতে পারেন।ইলেক্ট্রিনিক সিকিউরিটি ডিভাইস লাগানোর পূর্বে অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে , ভালো মানের ডিভাইস না হলে অনেক সময় ডিভাইস এর কারণে বাইক এর স্টার্ট না হওয়ার মতো কিছু সমস্যা দেখা দেয় । - মেনে চলুন ব্রেকিং পিরিয়ড একটি মোটরসাইকেল কিনে সাথে সাথেই রেস খেলতে বা বন্ধুকে পেছনে তুলে ঘুরতে না যাওয়াই ভালো। নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কিছু নিয়মের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। একে ব্রেক-ইন পিরিয়ড বলে। মোটরসাইকেলের ব্রেক-ইন পিরিয়ড ========================================= - সঠিক সময়ে সার্ভিসিং করিয়ে নিন কোম্পানী কর্তৃক নির্ধারিত সময়গুলোতে বাইক সার্ভিসিং করিয়ে নিয়ে ভুলবেন না। অন্তত নতুন বাইকে নির্দিষ্ট সময় পর পর সার্ভিসিং করানো খুবই জরুরী। যা বাইকের পরবর্তী সময়ে স্থায়ীত্ব এবং পারফরমেন্সে সাহায্য করে। - ইঞ্জিন গরম হচ্ছে, কি করবো? নতুন মোটরসাইকেলের ইঞ্জিন গরম হওয়া স্বাভাবিক ঘটনা। নতুন অবস্থায় যেহেতু কিছুটা লো আরপিএম এ বাইক চালানো হয় তাই ইঞ্জিন গরম হতেই পারে। হলেই বরং ভালো। তবে ইঞ্জিনের তাপমাত্রা আপনার কাছে অস্বাভাবিক মনে হলে সার্ভিস সেন্টারে বিষয়টি জানাতে পারেন। - অনেক তেল খাচ্ছে, কি করবো? নতুন মোটরসাইকেলে প্রথমদিকে একটু বেশি তেল খরচ হয়। এটি স্বাভাবিক। ব্রেক-ইন পিরিয়ড শেষ হলে অর্থাৎ ১৫০০কিমি থেকে ২০০০কিমি পর থেকে তেল খরচ স্বাভাবিক হতে থাকে। এরপরেও তেল খরচ বেশি হলে সার্ভিস (লোকাল বা কোম্পানির) সেন্টারের সাহায্য নিন। - কত কিলোমিটার পর পর ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করবো? নতুন মোটরসাইকেলে প্রথম ৩০০-৪০০কিমি পরে এরপরে ৭০০-৮০০কিমি পরে। এবং এরপরে প্রতি ৯০০-১০০০কিমি অন্তর অন্তর। যদিও পরবর্তিতে সিনথেটিক ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করলে ১০০০কিমি এর পরিবর্তে ব্রান্ড অনুযায়ী আরো বেশি সময় পরে ইনজিন অয়েল পরিবর্তন করতে হয়। তবে ব্রান্ড ভেদে বিষয়টি ভিন্নতর হতে পারে। মোটরসাইকেল কেনার সময়েই সার্ভিস সেন্টার থেকে বিষয়টি ভালোভাবে জেনে নিতে পারেন। - মোটরসাইকেল স্টার্ট নিচ্ছে না, কি করবো? মোটরসাইকেল স্টার্ট না নেবার অনেক কারন আছে। নতুন নতুন অনেকগুলো বিষয় না জানার কারনে ছোট সমস্যাই বড় মনে হয়। স্টার্ট না নিলে দেখুন- - চাবি অন করা আছে কিনা? - ইঞ্জিন কিল সুইচ থাকলে সেটি কোন পজিশনে আছে। - নিউট্রাল লাইট জ্বলছে কিনা। - ট্যাংকে জ্বালানি পর্যাপ্ত আছে কি না? - জ্বালানি সুইচ অন আ্ছে কি না? - প্লাগ পরিস্কার আছে কি না? - প্লাগ ক্যাপ ঠিকমতো লাগানো আছে কি না? - প্রয়োজনে চোক টেনে স্টার্ট দিন এরপরেও স্টার্ট না নিলে টেকনিশিয়ানের সাহায্য নিতে হবে। - চলতে চলতে স্টার্ট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, কি করবো? অনেক কারনেই এই সমস্যা হতে পারে। নতুন বাইকে নতুন রাইডারদের এ বিষয়ে প্রায়ই অভিযোগ করতে দেখা যায়। সঠিকভাবে কার্বুরেটর টিউনিং না থাকা, জ্বালানিতে ময়লা থাকা, প্লাগ পরিস্কার না থাকা, এয়ারফিল্টার পরিস্কার না থাকলে এমন হতে পারে। অনেক সময় নতুন বাইকার হিসেবে গিয়ার, ক্লাস এবং পিকআপের মধ্যে সঠিক সমন্বয় না করতে পারার কারনেও স্টার্ট বন্ধ হতে পারে। সঠিকভাবে আইডল আরপিএম সেট না থাকার কারনেও হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে সাভিস সেন্টারের সাহায্য নেয়াই ভালো। - প্রতিদিনের যত্ন কথায আছে “যত্নে রত্ন মিলে”। মোটরসাইকেল যে ব্রান্ডেরই হোক, অযত্নে নষ্ট হতে থাকে, যত্নে দীর্ঘ মেয়াদী স্থায়ীত্ব বাড়ে। তাই বাইকটিকে শুরু থেকেই যত্নে রাখুন, আশা করি সেও আপনাকে ভালো সার্ভিস দিবে। - বাইকের ব্রেক * বাইকের ব্রেক আপনার জীবনের নিরাপত্তার জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ , তাই এটার সঠিক যত্ন নিন * ড্রাম ব্রেক এ যাতে পানি না যায় । * ডিস্ক ব্রেক এ বালি / কাদা লাগলে বাসায় এসে তা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন । * ড্রাম ব্রেক এর প্যাডেল এর ফ্রি প্লে রাখুন। বেশি টাইট করলে তা হঠাৎ লক হয়ে যেতে পারে । * নিয়মিত সামনের ডিস্ক ব্রেক এর প্যাড এর অবস্থা চেক করুন । - গিয়ারে সমস্যা নতুন বাইকে গিয়ার শিফটিং নিয়ে অনেক বাইকার সমস্যায় পড়েন। গিয়ার পরিবর্তন হতে চায় না, শক্ত মনে হয় ইত্যাদি। এধরনের সমস্যাতে ক্লাচ এডজাস্ট করেই সমস্যার সমাধান হতে পারে। তবে সমস্যা বেশি মনে হলে সার্ভিস সেন্টারে জানাতে পারেন। তবে মাথায় রাখবেন গিয়ার শিফটিং এ স্মুথনেস আসতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। - পরিশেষে নতুন কিছুতে এডজাস্ট হতে সময় একটু লাগেই। এসময়টা ধৈর্য্য এবং বিচক্ষনতার সাথে পাড়ি দিলে পরবর্তিতে ভালো হয়। নতুন বাইক নিয়ে বাইকারগন সাধারনত যে সমস্যায় পড়েন তার অনেকগুলোই হয় খুবই ছোট, জানা না থাকার কারনে বড় মনে হয়। কিছু থাকে সত্যিকারেরই বাইকের সমস্যা, যা সার্ভিস (লোকাল বা কোম্পানির)সেন্টার থেকে সমাধান করে নেয়াই ভালো, কিছু সমস্যা থাকে যা সময়ের সাথে এমনিতেই চলে যায়। ভালো থাকুন, হ্যাপী বাইকিং। #Honda_X_Blade ❤
Honda X-Blade 160
My 1st bike was Honda H100, whice i got from my father. I raid it for 11years. So, Honda is my 1st choice when i am decided to buy a new bike. At 2020, i bought Honda X-Blade. I have two choice in budget. X-Blade and Hornet. My beloved father is with me to clear my confusion. My father choose X-Blade. In my view, i use the bike for family purpose. This bike serves so well. At this budget, i think X-Blade is a compelete family package. Its has look, power. A little lack on its comfort. Rear suspension is bit hard. Riding position is good. When the topic is about mileages, X-Blade is hero. I got 49km/lit at high way, 45km/lit in city ride. I do not exprect any more. So far, X-Blade need to maintain so well, or else it will charge the user. As its a curborator engine, its sould not need so high maintenance, bt its needs. Low power of head light is the another bad side of this bike. And in the end, im highly disappointed with Honda for not providing engine kill switch to any of there bike models. Honda always awar about providing spare parts for there bikes. All spare parts of this bike is available in market. Honda also provides a good after sales service as far i know. But the service centers of Barishal is not satisfying. Paid service is good of Honda Service Centers. The cost is also affordable.
Honda CB Hornet 160R CBS
আমি ' Honda CB Hornet 160R CBS' ব্যবহার করি আমার দৈন্দিন যাতায়াতের কাজে। আমি যেহেতু ঢাকায় রাস্তায় বেশি চলাচল করি, তাই আমার কাছে একটি কম্ফোর্ট, ডেশিং লুক,বেস্ট ফর মাইলেজ এবং একটি এডভান্স ব্রেকিং সিস্টেম বাইক প্রয়োজন ছিলো। অতঃপর অনেক রিভিঊ দেখে #Bikebd তে গ্রুপের রিভিউ এবং নিজের ব্যবহার কথা চিন্তা করে আমি Hornet বাইকটি ক্রয় করি। Xblade & Hornet পছন্দের তালিকায় থাকলেও আমি Hornet নিয়েছি,কারণ এই বাইকের যে পারফমেন্স এবং বালকি লুক, অন্য ১৬০ সিসি সেগমেন্ট বাইক থেকে অতুলনীয়।এর মাইলেজ আমি ঢাকার জ্যামের মধ্যেও আমি ৪৫-৪৮ মাইলেজ পেয়েছি। বাইকটির ভালো দিক, এর কম্ফোর্ট অনেক বেশি, মনোসোক্স সাস্পেনশন, CBS ব্রেকিং সিস্টেম, মাইলেজ, খুব সহযে জ্যামের মধ্যে বাইক ঘুড়িয়ে চালানো যায়, এবং বাইকটির সাভিস সেন্টার পয়েন্ট গুলো এভেলেভেল আছে। বাইকের খারাপ লাগা দিকগুলো অন্যতম হচ্ছে, এর গিয়ার ইন্ডিকেটর নেই, অনেক সময় খেয়াল রাখা যায় না বাইক কত নাম্বার গিয়ার আছে, ফলে মাঝে মাঝে স্টাট বন্ধ হয়ে যায়। বাইকে কিল সুইচ থাকলে ভালো হয়,ইমারজেন্সি টাইম বা বাইক পড়ে গেলে সেইক্ষেত্রে ইঞ্জিন অফ করার জন্য সুইচ থাকলে ভালো।বাইকটির চেইন নয়েজ কিছু পাওয়া যায়, এছাড়া মন্দ দিক আমার আছে বলে জানা নেই। আফটার সেল সাভিস ভালোই,উনাদের কাছে সমস্যা কিংবা প্রশ্ন নিয়ে গেলে উনারা আন্তরিকতা সাথে সাহায্য করে। স্পেয়ার পাটস এভেইলেভল আছে, তবে দামটা হাতের নাগালে। আশা করি এই সেগমেন্ট বাইকের জন্য এইটা একটা ভালো দিক। যারা আসলে একটি কম্ফোর্ট বাইক চায় সাথে ভালো ব্রেকিং সিস্টেম তাদের জন্য এই বাইক হতে পারে। খুব দ্রুত টানাটানি জন্য এই বাইক নয়,কেননা এই বাইকে ইন্সটেন্ট এক্সালেরেশন খুব কম, এবং প্রথম ১-৩ গিয়ার পযন্ত ভালো রেসপন্স পেলেও ৪-৫ গিয়ার কোন রেস্পন্স আসে না। আমি টপ তুলেছি ১১৫ এবং এভারেজ ৫ম গিয়ারে ৫হাজার আরপিএমে ৫০+ স্পিডি রাইড করি,তখন গাড়ির স্মুথনেস অনেক থাকে। আজকের জন্য এখানেই শেষ করলাম, ধন্যবাদ।
Honda CB Shine SP
I am owner of Honda Shine Sp 125. I bought this bike 1-9-2019. I'm using this bike last 2.5 years, Honestly I didn't find any flaws and some super quality of this bike making it awesome. Here is my thoughts of this bike. Positive side 1) Silent Engine and Decent sound.2) Very fine and smooth engine 3) Nice Performance on highway as well as on the street. 4)I rode it 90 -100 easily it can handle and nice stablity at 60/70 kmh. 5) Decent instrument cluster with needful information. 6) Seat size easily 2 person can sit. 7) Better Milage in city and highway. Negative things - 1) Very negative things of this bike is real tyre size mostly rear tyre. 2)Gear is smooth but I found at traffic when I want to down gear some times it stuck slightly .
Honda X-Blade 160
# Alhamdulillah!! all good very good performance, super mileage, like all rounder sukria honda xblade 160 cc, # pichoner suspension ta r aktu hard hole valo hoto cz samanno coto speed breaker e lege jay, jodi o besi vanga rastay cola fira korle sob suspension e nichu hoe jay, e chara honda xblade oshadharon akta bike Alhamdulillah... thank you honda X blade
Honda X-Blade 160
I'm very much satisfied with my X-Blade.
Honda Livo 110 Disc CBS
Everything is good. But after sale service is too much bad
Honda X-Blade 160
Everything is good. But after sale service is too much bad
Honda X-Blade 160 ABS
I am a gentle rider who uses this bike for school and office going. Good braking and balance was important. Good milage gives it bonus point. But very little issue with gear shifting sometime. After sales service is good. Technicians are eager worker.
Honda X-Blade 160 ABS
বাইক কেনার কারন/অভিজ্ঞতাঃ মূলত ব্যবসায়ীক তাগাদা/যাতায়াত এর জন্য বাইকটি কিনি। আমার ফ্রেন্ড কে দেখে আমিও বাইকটি কিনি। বাইকের মাইলেজ এরাউন্ড ৩০। পিক আপ & ব্রেক স্যাটিস্ফাইড। সবমিলিয়ে মোটামুটি ভালো। আফটার সেলস সার্ভিসঃকোম্পানির নিজস্ব সার্ভিস সেন্টার এ সার্ভিস ভালোই। তবে বাইক পার্স মাঝে মাঝে স্টক থাকে না। সার্ভিস খরচ এভারেজ।
New Honda CBR 150R Victoy Red Black
One problem in unofficial bike, Price is too much high & all color, model are not available.Thanks
Honda Livo 110 Disc CBS
হোন্ডা লিভো বাইকটি আসলে আমার জন্য একটা আবেগের জায়গা।মধ্যবিত্ত ফ্যামিলির ছেলে ১৫০সিসি কেনার সামর্থ নেই।১১০ সিসির মধ্যে তাই লিভো বাইকটি আমার কাছে বেস্ট মনে হয় তার কারন,১। মাজলেজ যা সিটিতে ৫৫ এবং হাইওয়েতে ৬৬-৭০ পাই,২।দাম এবং সিসি অনুযাই ব্রেকিং অনেক ভালো বলে আমার কাছে মনে হয়েছে,৩। বাইক এর আফটার সেলস সার্ভিস যথেষ্ট ভালো পার্টস এভেইলএবিলিটিও ভালো।বাইকের খারাপ দিক বলতে গেলে বলতে হয়, ১। পাওয়ার আরেকটু বেশি দরকার ছিলো,২।বাইকের পিছনের টায়ারটি আরেকটু মোটা হলে ভালো হতো,৩।বাইক্টি অনেক হাল্কা।
New Honda CBR 150R Victoy Red Black
Everything is good except their chain system. Their chain is too noisy in our (BD) condition.setting position is good . You don’t have to bend so must to ride. Specifically lower hight rider can easily ride this bike.ABS breaking system quality is good. Overall its a nice machine.
New Honda CBR 150R Victoy Red Black
আসলে বাইক হলো একটা আবেগ। পূর্বে বাইক চালাইছি কিন্তু মনের মধ্যে সন্তুষ্টি কাজ করে নাই কারন বাইকের পাওয়ার ছিল কিন্তু রাইড করলে অনেক ব্যথা হত। কিন্তু এখন আলহামদুলিল্লাহ সবদিক থেক অনেক ভালো। পাওয়ার, কমফোর্ট, মাইলেজ তবে ভালো পার্টস সব জায়গায় পাওয়া যায় না। এমনিতে আলহামদুলিল্লাহ্ সবদিক থেকে ভালো ।
New Honda CBR 150R Victoy Red Black
New CBR 2021, became fan when its first came in BD. After 1.5 years of financial management able to purchase this mighty machine. Ragarding outlook and design its awesome everytime i fall in love when i saw it from the front due to its aerodynamic design and attaractive 6pit led headlamp. Massive cockpit shares a muscular look from toe top. Full digitalmeter shared all information i required from engine temperature to avg mileage. Riding after 280 km at one sitting and sharing the unbeatable sitting comfort for long ride. Dual channel ABS probides the atmost safety in any road condition. Front usd suspension and slipper clutch where as upliftef the riding performance anywhere you go. Color combination from its upper segment fireblade will crete a hypnotist situtaion you dont want to regret. I just love this baby blade edition and he thrills my every journey.
Honda X-Blade 160 ABS
Break is enough good but control is poor for tiny tyre