Verified reviews from Honda EV owners. Know the pros and cons from real riders.
Honda CB Hornet 160R CBS
When I first saw the hornet special edition i was just fall in love with that. After few months I saw new hornet 2.0 in india but due to cc limitations that was just a dream to me. But finally in December 13, 2021 I purchased my bike by the bless of Allah. I bought the red one. Since then the total odo 8.7k & the performance was fantastic, cbs breaking is quite good, milage was also quite good around 40/42 in dhaka city, 50+ in highway. But the main disappointed thing is the headlight. In dhaka city or other main city ride was good at night but in highway it just a firefly. I installed fog light for highway ride. Sitting position was fantastic. To recapitulate it can be said that, after successfully purchased my dream bike it never disappointed me, Al hamdulillah.
Honda CB Hornet 160R CBS
I thought Honda Private Limited totally drop this bike performance and quality.
Honda Dio
আমি নতুন রাইডার। জুন মাসের ২০ হোন্ডার সোরুমে গিয়েছিলাম স্কুটার দেখতে ।গিয়ে শুনি পরের দিন থেকে দাম বাড়তেছে। তখনই নিয়ে নিলাম। যদিও আমার আগের থেকেই ঠিক করা ছিলো হোন্ডা ডিও নিব, ঈদের অফারের জন্য অপেক্ষা করতেছিলাম । ভাল দিক : অনেক আরামদায়ক , কন্ট্রোল অনেক ভাল, কম্বি ব্রেকের জন্য ব্রেকটা অনেক ভাল, স্কুটারের লুকটা অনেক সুন্দর , যেহেতু নুতন ইউজার তাই মাইলেজ বলতে পারব না, পিকআপ অনেক স্মুথ । খারাপ দিক : external lock খুঁজে পাচ্ছি না, পিলিয়নের ফুট রেস্ট টা অনেক ছোট ( ফুট রেস্ট আলাদা করে যেটা লাগাইতে হবে সেটা পাচ্ছি না)।
Honda CB Hornet 160R CBS
কেন নিলাম- ছোটবেলা থেকে বাইকের প্রতি নেশা কখনোই আমার ছিলনা। কিন্তু কর্মজীবনে পা রাখার পর থেকে উপলব্ধি করতে পারি অন্ততপক্ষে ঢাকা শহরে সময় নিয়ন্ত্রণ করে চলার জন্য বাইকে কোন বিকল্প নাই। ভাল/খারাপ দিক- হোন্ডা সিবি হর্নেট এর ভাল দিক হচ্ছে এর ব্রেকিং আর কন্ট্রোল খুবই ভাল। বাইকের জন্য ব্রেকিং/কন্ট্রোল/কম্ফোর্ট ভাল না হলে কত সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। এর প্রথম খারাপ দিক হচ্ছে বিল্ড কোয়ালিটি। আরও কিছু গায়েবি সমস্যা হর্নেট ব্যবহারকারীরা সম্মুখীন হয়। মাইলেজ/পিকাপ/কম্ফোর্ট - ১৬০ সিসির বাইক থেকে ৩৫+ মাইলেজ পাচ্ছি এটুকুই অনেক মনে হয়। রেডি পিকাপ নেই, কিন্তু পিকাপ রেস্পন্স আরো কিছুটা ভাল হলে সোনায় সোহাগা হত। মহাসড়কে বড় গাড়ি ওভারটেক করার সময় ফিল হয়। আমি ফ্যামিলি বাইকার, আমার জন্য চলে আরকি। আর কম্ফোর্ট বলতে গাড়ি একটানা দু'ঘন্টা চালিয়েছি, একটু একটু গ্যাপ দিয়ে প্রায় ৮-৯ ঘন্টা রাইড দিয়েছি। সিটটা আরো কম্ফোর্টেবল হওয়ার দরকার ছিল। তুলনামূলক লং রাইডে এনার্জি লস হয় বেশি। আফটার সেলস সার্ভিস & খরচ- আফটার সেলস সার্ভিস খুব ভাল বলা যাবেনা, কারন আমি খুব বেশি সমস্যায় না পড়লেও অন্যান্য বাইকারদের অনেক সমস্যাই দেখেছি যার সমাধান একেক সার্ভিস সেন্টার থেকে একেক ভাবে দিয়েছেন আবার অনেকের সমস্যার কোন সমাধানই তারা দিতে সক্ষম না। ইঞ্জিনের দু'বছর বা বিশহাজার কিলোর ওয়ারেন্টি নিয়েও তাদের অনেক গড়িমসি। মনে হয় তারা নিজেদের ভাগের অংশ কাউকে দিতে চাননা। তবে আমি এইটা হোন্ডা কোম্পানির অন্যত্র তাকিয়ে থাকা কাজ বলবো। লোকাল মার্কেটের সাথে এক্সেসরিজের দামের তারতম্য আকাশ-পাতাল। ছোট ছোট পার্সগুলোর দামও অনেক। তবে পরিশেষে বলবো কমিউটার সেগমেন্টের একটি ব্যালেন্সড বাইক। এর বিল্ড কোয়ালিটি, আফটার সেলস সার্ভিস আর এক্সেসরিজের প্রতি কোম্পানির আলোকপাত করা অতিব জরুরি।
Honda CB Hornet 160R CBS
বাইকটি কেনার শুরুতেই যেই জিনিসটি মাথায় রেখেছিলাম তা হলো বাইকের লুক, কম্ফোর্ট ও মাইলেজ।আলহামদুলিল্লাহ সবই পেয়েছি এই বাইকে।আমি একদম সাধারণ একজন বাইকার।বাইকের প্লাস্টিক গুলো একটু নিম্নমানের। এটা ছাড়া আলহামদুলিল্লাহ সবকিছুই ভালোলেগেছে।আমার বাইকটিতে আমি এভারেজ ৪০ কি.মি এর মতো মাইলেজ পাচ্ছি।কম্ফোর্ট ও পাচ্ছি বেশ ভালোই।এই বাইকটির সার্ভিস নিয়ে আমি একটু হতাশ।আমাদের এড়িয়ার কোন শুরুমেই ভালো সার্ভিস আমি পাইনি।শুরুমের লোকেদের আচরনেও আমি তেমন সন্তুষ্ট না।কিন্তু বাহির থেকে সার্ভিস করিয়ে আলহামদুলিল্লাহ আমি সন্তুষ্ট। সার্ভিসিং করার পর বাইকটি চালিয়ে অন্যরকম কম্ফোর্ট পাওয়া যায়।
Honda CB Hornet 160R CBS
আমি মোঃ শাহাবুল হক বাসা কুষ্টিয়াতে। আমি পেশায় একজন ছাত্র । বাইক হচ্ছে আমার স্বপ্ন এবং আমার দিনের বেশিরভাগ সময় চলাচলের সঙ্গী। কলেজ এবং শখে ঘোরাঘুরি করতেও আমার honda cb hornet 160r cbs বাইকটি ব্যবহার করে থাকি। যখনই একটু সময় পাই বাইক নিয়ে তখনই ছুটে বেড়ায়। আজকে আমি এখানে আমার honda cb hornet 160r cbs এর প্রথম রাইড অভিজ্ঞতা তুলে ধরবো এবং আরেকটি কথা সবার আগে বলবো যে হোন্ডা হোন্ডাই। ইঞ্জিনটা অনেক স্মুথ একটা ইঞ্জিন মনে হয়েছে এবং এক্সেলেরেশন অনেক ভালো । সবচেয়ে বেশি ভালোলাগার দিক হচ্ছে বাইকের কন্ট্রোলিং এবং কম্ফোর্ট আরেকটি আশ্চর্যের বিষয় হলো আমি মাইলেজ পাচ্ছি লিটারে প্রায় ৪৫-৫০ কিমি প্রতি লিটারে। সাথে শক্তিশালী ইঞ্জিন তো আছেই। আমি এখন বলবো ডিজাইন এবং বিল্ড কোয়ালিটি নিয়ে। ডিজাইনটা আমার কাছে এই সেগমেন্টের যত বাইক আছে সবগুলো বাইক থেকে ডিসেন্ট মনে হয়েছে । আমার মনে হয় সব বয়সের রাইডারের সাথে এই বাইকটা মানানসই। মাস্কুলার লুক যে কাউকে খুব সহজেই আকৃষ্ট করবে। বিশাল ফুয়েল ট্যংকার ও বডি পার্টসগুলো সত্যিই আমার কাছে খুব ভালো লেগেছে। বাইকটার বেশিরভাগ অংশে প্লাস্টিকের ব্যবহার থাকলেও সেগুলো অনেক উন্নতমানের। এই বাইকটা একদিনে সর্বোচ্চো ১২০ কি.মি. পর্যন্ত চালানোর অভিজ্ঞতা আছে এতে কোন ক্লান্তি বা ব্যাক পেইন অনুভব করিনি। সুইচগুলো অনেক ভালো কিন্তু সুইচগুলো হোল্ডারগুলো তেমন ভালো না। হেডল্যাম্প অনেক ভালো এবং রাতে যথেষ্ট আলো যোগায় কিন্তু জরুরী মুহূর্তে ব্রেক করলে বাইকটার পেছনের চাকা স্কীড করে।এটা হইতো রাইডারের উপর নির্ভর করে কিন্তু আমি এটা অনুভব করেছি। সাসপেনশনগুলো সুন্দর কাজ করে এবং আমি খারাপ রাস্তাতেও খুব কম ঝাঁকুনি অনুভব করি। দুই দিকের সাসপেনশন খুব ভালো কাজ করে। এই বাইকের খারাপ দিক - চেইন এই বাইকের চেইন থেকে ভালো পরিমাণের শব্দ আসে যা বিরক্তিকর আমি নিয়মিত এই বাইকের চেইন পরিষ্কার করে থাকি তাতে একটু কমে থাকে। ধন্যবাদ বাইক বিডিকে এই ধরনের আয়োজন করার জন্য আর বিশেষ ভাবে ধন্যবাদ জানায় সিলেট বাসীর পাশে দাড়ানোর জন্য। লেখাগুলো গুছিয়ে লিখতে পারিনি সময়ের অভাবে। তাই ভুলত্রুটি থাকতে পারে।
Honda CB Hornet 160R CBS
ছোটবেলা থেকেই বাইকের নেশাটা ছিল, পরিবারের অসচ্ছলতার জন্য স্বপ্নটা পূরণ হয়নি। আট ভাই বোনের মধ্যে আমি ষষ্ঠ, ছোটবেলা বুঝতাম না এতবড় একটা পরিবার সালাতে কতটা হিমশিম খেতে হয় বাবাকে। ছোট ছোট আবদার গুলো যেখানে অপূর্ণতায় ভরপুর ছিল, পূর্ণতার ছোয়াটা খুব কমই স্পর্শ করতে। বাবাকে কখনো বলা তো দূরের কথা, বড় ভাইদের কাছে আমার স্বপ্নটা শেয়ার করতে পারিনি। শুধু মনে মনে ভাবনায় ছিল যখন নিজে ইনকাম করব সুন্দর একটা বাইক কিনবো। প্রথম যখন চাকরিতে ঢুকলাম বেতন এত সামান্য ছিল নিজের চলতে কাজটা হয়ে যেত। স্বপ্নপূরণ তো তখন স্বপ্ন থেকে যাবার মত অবস্থা। মনে মনে চিন্তা করলাম চাকরির পাশাপাশি কিছু একটা করতে হবে। কষ্ট হলেও এক বেলার খাবার কম খেয়ে দিন অতিবাহিত করে শুরু করে দিলাম, তবু স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করার সংগ্রাম থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিলাম না। কয়েক মাস পরে দুইটা রিক্সা কিনলাম, একটা গ্যারেজে দিলাম ভাড়া চালাবার জন্য। ওখান থেকে যে টাকাটা আসতো ওইটা জমাতে শুরু করলাম, পাশাপাশি নিজেও আর একটু পরিশ্রম বাড়িয়ে অফিস থেকে বাড়তি ইনকাম শুরু করলাম। ১২ ঘন্টা পরিশ্রম শুরু হল আমার। এর কয়েক মাসের মধ্যে এক বন্ধুর কাছ থেকে ছোট একটা ব্যবসায় বিনিয়োগের সুযোগ পেয়ে তা হাতছাড়া করলাম না। ছোট একটা লোন তুলে ফেললাম। পরিশ্রমই আরো বেড়ে গেল। সকাল সাতটায় বের হতাম, রাত বারোটায় বাসায় ঢুকতাম। তখন মনে মনে হিরো হাঙ্ক কেন স্বপ্ন দেখতাম, সামনে দিয়ে নিজের পছন্দের বাইকটি গেলে তাকিয়ে থাকতাম। স্বপ্ন পূরণের পথটা যখন হাতের নাগালে চলে এসেছে, ঠিক তখনই জীবনের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ একটা ডিসিশন নিতে হলো আমাকে। পালিয়ে বিয়ে করে ফেললাম, নিজের স্বপ্নটাকে মাটিচাপা দিয়ে। কারণ এই স্বপ্ন থেকেও ভালোবাসার মূল্যটা আমার কাছে বেশি ছিল তখন। তখন মোটামুটি ভালোই আয়-উপার্জন ছিল, কিন্তু বাধা হয়ে দাড়ালো বউয়ের পড়াশোনার স্বপ্ন। বৌ''কে ভর্তি করালাম বিবিএ তে, তারপর এমবিএ। এমবিএ পড়ার সময় আমাদের ঘর আলোকিত করে আসলে আমাদের ফুটফুটে রাজকন্যা। রাজকন্যার সুখে ভুলে গেলাম স্বপ্নের কথা। তারপরে কেটে গেল সুখে শান্তিতে থাক কয়েকটা বছর। এরমধ্যে বউ আমার পিজিডি কমপ্লিট করে ফেলেছে। দায়িত্বের বোঝাটা তখন অনেকটা হালকা হয়ে গেছে। তখনই আবার স্বপ্নটা পূরণ করার ইচ্ছাটা জাগ্রত হল। এরমধ্যে বৌয়ের ছোট একটা চাকরি হলো, শেয়ার করলাম স্বপ্নটা বউয়ের কাছে। খুব কাছের কয়েকজন বন্ধু ছাড়া, এই প্রথম কাউকে স্বপ্নটার কথা শেয়ার করলাম। বউকে পড়াতে গিয়ে আমার টাকা জমানোর সাধ্য টা ছিলনা। একদিন হঠাৎ বৌ বলে ফেলল বাইক কেনার কথা, বাজেট দুই লক্ষ। তাও টাকাটা তুলতে হবে লোন করে। দুজনে মিলে পরিশোধ করব সেটা। এর কিছুদিনের মধ্যে Honda CB Hornet বাংলাদেশের ঢুকলো। বসুন্ধরা কনভেনশন সিটিতে Honda CB Hornet উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করলাম। তখন এত মোটা চাকার বাইক দেখে আনন্দে আত্মহারা হয়ে গিয়েছিলাম, কয়েকটা ছবি তুলে আসলাম। বাইকটির দেখতে খুবই চমৎকার। আমার কাছে খুব ম্যানলি লাগে। হাইওয়েতে রাইট করে মজা আছে তবে একটু গরম হয়ে যায়। কন্ট্রোলিং মোটামুটি ভালই বলা যায়। বর্ষার দিনে একটু অতিরিক্ত সতর্কতার সাথে চালাতে হবে। ভেজা রাস্তায় মোটা চাকার তুলনায় একটু কম ডিসটেন্স ব্রেক বিপদজনক মনে হয়। ৪ নাম্বার গিয়ারে যতটা পাওয়ার ৫ নাম্বার গিয়ারে সেই তুলনায় পাওয়ার কম। মাইলেজ নিয়ে আমি সন্তুষ্ট, হাইওয়েতে ৪২ থেকে ৪৫ অনায়াসে পেয়েছি। ঢাকা সিটিতে ৩৮ থেকে ৪০। সার্ভিসিং খরচের দিক থেকে সন্তুষ্ট তবে কোন কোন সার্ভিসিং সেন্টারে গিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়তে হয়েছে। পরিশেষে বলতে চাই প্রত্যেকটা বাইকের এই কিছু না কিছু ভুল ত্রুটি থাকে, সবকিছু নিজের মত মানিয়ে চলতে পারলে ভালো ফলাফল আশা করা যেতে পারে। সব সময় সেফটি মেনটেন করে গাড়ি চালানো উচিত প্রত্যেকটা সচেতন ব্যক্তি কে। দিন শেষে সবাই আপনারা পরিবারের কাছে ফিরে যেতে চাই, ঈশ্বর সবাইকে নিরাপদ রাখুক।
Honda CB Hornet 160R CBS
এই বাইকটা কেনা আমার ২০১৯ সালে যখন প্রথম বাংলাদেশে প্রথম আসে।বাইকা আজ প্রায় তিন বছর যাবত ব্যাবহার করতেছি।আমাকে এটা কখনো হতাশ করে নাই।আমি এটা কেনার পর থেকে তেমন কোনো সার্ভিসিং করানোর দরকার হয় নাই।প্রাস ষাট হাজার কিলো চালানো হয়ছে।
New Honda CBR 150R Victoy Red Black
সিবিআর বাইক কিনার সবথেকে বড় যে মুখ্য উদ্দেশ্য কি ছিল সেটা হচ্ছে আমার সেটা আমার কমফোর্ট জোন টা কে আমি প্রেফার করি, একমাত্র স্পোর্টস বাইক এর মধ্যে সিবিআই রয়েছে সবথেকে বেশি কমফোর্ট, কন্ট্রোলিং, মাইলেজ এবং বেস্ট লুক যা আমাকে এই বাইক কেনার জন্য অনুপ্রাণিত করে সবথেকে বেশি।সবকিছুই রই তিতা- মিঠা দিক রয়েছে সিবিআর আরো কিছু ভালো এবং খারাপ দিক তো অবশ্যই, সিবিয়ার এর খারাপ দিক যদি বলি তাহলে এএই বাইকের চেইন সমস্যা আমাকে অনেক ভুগিয়েছিলো,,যা খুবই কমন একটি প্রবলেম, এছাড়া আমার মাইটি সিবিআর এর মেজর কোন সমস্যা আমি পাইনি, এই বাইকের মাইলেজ আমি সিটিতে অন এভারেজ 35--38 এবং হাইওয়েত40-45 পেয়েছে এবং যাতে আমি খুবই খুশি।এই বাইকটি আফটার সেলস সার্ভিস যদি বলা যায় তাহলে হচ্ছে এটি একটি হোন্ডা ব্র্যান্ড,, ব্র্যান্ড ভ্যালু ওয়াইস আফটার সেলস সার্ভিস খুবই খারাপ কারণ অফিশিয়ালি এটার অনেক পার্টস হোন্ডা শোরুমে পাওয়া যায় না, যার কারণে লোকাল মার্কেট থেকে অনেক বেশি দাম দিয়ে এগুলো কিনা লাগে, এ জন্য এই বাইকের মেইনটেনেন্স কস্ট অনেক বেশি।এইতো আমার সিবিআর এর জীবনমুখী গল্প,
Honda CB Hornet 160R CBS
০১. বাইক কেনার অভিজ্ঞতাঃ শৈশব থেকে বহু অপেক্ষার প্রতীক্ষার পর নিজের ইনকামে অনেক কষ্টে টাকা জমিয়ে একটা সেকেন্ড হ্যান্ড হোন্ডা সিবি হর্নেট(সিঙ্গেল ডিক্স) বাইক কিনি। আমি নিজে বাইক নেয়ার আগে বাইক সম্বন্ধে আমার এক্সপেরিয়েন্স একদম ছিলোনা বললেই চলে। বাইকটা কেনার সময়ে এক কাছের বড় ভাইকে নিয়ে গেছিলাম বাইকটা দেখতে। যার কাছে বাইকটা নিয়েছি বাইকের মালিক বলেছিল বাইকটা ছয় হাজার কিলোমিটার চলেছে মিটারেও তাই ছিলো রানিং 6000 সামথিং। যাইহোক সরল মনে তার কথায় বিশ্বাস করে বাইক টা নিয়েছিলাম, কিন্তু পরে সার্ভিস সেন্টারে বাইকটা নিয়ে যাওয়ার পরে তারা রীতিমতো আমাকে হতাশ করেছে। ওরা বাইকের কন্ডিশন দেখে আমাকে বলেছে বাইক নাকি 20 হাজার কিলোমিটারের উপরে চলেছে এবং বাইকটার অনেক কিছুই চেঞ্জ করা হয়েছে ডুবলিকেট পার্স লাগানো এবং ইঞ্জিনেও কাজ করা আছে। এসব শুনে তো আমার ওখানেও কেদে ফেলার মতো অবস্থা। যাক পরে অনেক কষ্টে নিজেকে কন্টোল করছি, এবং সার্ভিস সেন্টারে বাইকের পুনরায় কাজ করাই, এবং অনেক কিছুই চেঞ্জ করি। বাইক নেয়ার আমার এক বছর হয়ে গেল, এর মধ্যে প্রায় 35 হাজার টাকার উপরে আমার খরচ হয়ে গেছে। যাক এসব বলে লাভ নেই এখন মোটামুটি ভালো চলতেছে মধ্যে আমি টায়ারও চেঞ্জ করে ফেলেছি। ০২. আমার বাইকের ভালো এবং খারাপ দিকঃ বাইকটির দুইটা খারাপ দিক বলি সেটা হচ্ছে এক নাম্বার গিয়ার শিফটিং টা আমার কাছে কেমন যেন স্মুথ না, নাম্বার দুই এর সাউন্ড খুবই খারাপ যা হেলমেট ছাড়া রাইট করতে গেলে অনেক বিরক্ত লাগে। এই দুইটা ছাড়া মোটামুটি বাইকটার সবগুলোই ভাল দিক। ০৩. মাইলেজ একটু কম পাই(এভারারেজ ৩৫ এর মতো), পিকআপ, কম্ফোর্ট, ব্রেক সহ এর পারফর্মেন্স অসাধারণ।
Honda Livo 110 Disc CBS
I am a private service holder and my office at Mohakhali. i am staying in uttara almost 33 KM far from my office. I am working here almost 2 years ansld i am useing this bike 3.5 year. i am proudly to announced yet not a Single days late to reach office.It's possible only my bike.Thanks
Honda CB Hornet 160R CBS
Everything is fairly good, only the silencer pipe is not a good one. If it gets a little muddy, it will rust within 4/5 days.
Honda X-Blade 160
আমার নিজের প্রথম বাইক টি কেনা হয় ১৩ই আগস্ট ২০২১। ব্যাবসায়িক কাজে বাবাকে হেল্প করার জন্য কেনা হলেও আমি প্রধানত একজন বাইক লাভার।বাইকের উপর ভালোবাসা থেকেই আমার এই বাইক নেয়া। বাইক লাভারদের একটাই স্বপ্ন থাকে সেটা হচ্ছে একটা ভালো বাইক তাদের কাছে থাকুক প্রথম বাইক কেনার অনুভূতি কখনো ভাষায় প্রকাশ করা যায়না একজন বাইক লাভার ই এই অনুভূতি বুঝতে পারবে। প্রথম বাইক পাবার পর বাবাকে জরিয়ে ধরে কেদে দিসিলাম বাইক শপেই এটা এক অন্যরকম অনুভূতি। আমার বাইকের প্রথম রাইড আমার বাবা ই দিয়েছিলেন। আমার বাইক টার ওজন ১৪০ কেজি হওয়াতে বলা যায় এটা একটা লাইট ওয়েট বাইক ইজিলি কন্ট্রোল করা যায় মুভ করানো যায়, পাইপ হ্যান্ডেল বার থাকায় অনেক কমফোর্ট পাওয়া যায় রাইডে একটা অসুবিধে সেটা হচ্ছে ভেজা রাস্তায় একটু জোরে ব্রেক করলে বাইকের পেছনের চাকা একটু স্কিট করে। আমার বাইক হোন্ডা এক্স-ব্লেড এহ মাইলেজ আলহামদুলিল্লাহ ৫০ পাই সঠিকভাবে ব্রেক ইন পিরিয়ড মেইনটেইন করলে অনেক ভালো মাইলেজ পাওয়া যায়। ১৬০ সিসি তে ৫০ পাওয়া অনেকে বিশ্বাস করতে চায়না কিন্তু এই জায়গাতে হোন্ডা অনেক ভালো কাজ করেছে। হোন্ডার রেডি পিক-আপ যথেস্ট ভালো আর ব্রেকিং ও নন এবিএস হিসেবে অনেক ভালো। এই বাজেটে কমফোর্ট জোনের বাইক খুজলে এক্স ব্লেড বেস্ট, সিটিং পজিশন অনেক ভালো হওয়ায় ব্যাক পেইন এর কোনো চান্স নেই। হোন্ডা ব্র্যান্ডের আফটার সেল সার্ভিস অনেক ভালো প্রথম তিনটে সার্ভিস ফ্রি ছিলো। নরমালি সার্ভিসিংয়ে ৬০০ টাকা করে নেয়।
Honda CB Hornet 160R CBS
সিবি হরনেট বাইকটির সব থেকে আকর্ষণীয় ফিচার হলো এর সিবিএস ব্রেকিং সিস্টেম। অল্পের মধ্যে এরকম দুর্দান্ত একটা ব্রেকিং সিস্টেম যারা নতুন বাইক কিনে তাদের জন্য অনেক উপকারি। এক কথায় এই সিস্টেমটা অসাধারন। বাইকের সব কিছুই মুগ্ধ করার মত। হেড লাইটের আলো একটু বেশি হলে এবং সিঙ্গেল হর্ন না হয়ে ডুয়াল হর্ন হলে ভালো হতো। তবে এই বাইক খোদ হোন্ডার সার্ভিস সেন্টারেও সার্ভিস করতে পারে ভালোমত সেরকম মেকানিক খুব কমই আছে। এই দিকটা ইম্প্রুভ করা প্রয়োজন। আর বাইকের চাকা এ তো যেন মুভিতে দেখা চাকা, বেশ মোটা, স্কিড করে নাহ। ব্রেকিং এর সময় ভালো গ্রিপ দেয়, করনারিং করা যায় সেই ভাবে। টপ স্পিড মোটামুটি ১২১ পর্যন্ত পেয়েছি এখনো পর্যন্ত, তবে আমার টপ তেমন প্রয়োজন হয় না। রেডিপিক আপও যতটুকু আছে সেটা যথেষ্ট মনে করি। বাইকের চেনের শব্দ একটু বিরক্ত করে মাঝে মাঝে।
Honda X-Blade 160
One of the best commuter bikes.. money can buy. Breaking and controlling is something else.. Further more the cornering capabilities are way too good to be true. Best value for money if considered only commuting