Verified reviews from Honda EV owners. Know the pros and cons from real riders.
Honda X-Blade 160
2. Horn isn't loud & head light is low.
Honda Livo 110 Disc CBS
Honda livo very good bike in 110 segment
Honda CB Hornet 160R CBS
প্রায় পাঁচ বছর হলো আমি সিবি হর্নেট বাইক চালাচ্ছি। 70000 কিলোর বেশি রাইড করা হয়ে গেছে।হাইওয়ে, ঢাকা শহরের জ্যাম, পাহাড়,সমুদ্র কোথাও বাইকটা আমাকে হতাশ করেনি। দেখতে একটু ফ্যাট বডি হলেও মাইলেজ কম্ফর্ট ব্রেকিং কন্ট্রোলিং ছিল অসাধারণ।
Honda CB Hornet 160R ABS
আমি রবিন, আমার বাসা যশোর জেলার শার্শা থানা। বর্তমানে আমি Honda Hornet 160 SD বাইকটি ব্যবহার করছি। বাইকটি মোট ২৩ হাজার কিলোমিটার রাইড করা হয়েছে। এখন আমি আমার এই Honda Hornet বাইকটি নিয়ে আমার কিছু রাইডিং অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি। ১ঃ আমার বাসা যশোর জেলার শার্শা থানায় ৷ আমি যশোরে পড়ালেখা করি। মুলত প্রতিদিন যাতায়াতের জন্য Honda Hornet 160 বাইকটি কিনেছি। কম সময়ে যাওয়া এবং যানযটের বিরক্তিকর পরিস্থিতি থেকে বাচার জন্যই বাইক কেনা। তবে বাইক নিয়ে ঘুরতে খুব ভালোবাসি। ছোট বেলা থেকেই বাইকের প্রতি অন্যরকম একটা আগ্রহ ছিল। ২ঃ আমি ছোট-বড় অনেক গুলো ট্যুর কমপ্লিট করেছি। আমি বাইক ট্যুর দিতে অনেক ভালোবাসি এবং প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে হলে বাইক ট্যুর অন্যতম মাধ্যম । বাইক চালানো শিখেছি যখন ক্লাস 3 পড়ি । আর আমি প্রথম বাইক কিনি ক্লাস একাদশ এ। ৩ঃ বাইকের প্রতি আমার অন্যরকম ভালোবাসা রয়েছে। Honda Hornet কখনো আমাকে অসন্তুষ্ট করে নাই। বাইকের লুকিং আমার বেশ ভাল লেগেছে, তারপর এর কুইক এক্সিলারেশন বেশ ভালো। যখন আমি বাইকটি কিনি তখন এর দাম ছিল ২ লক্ষ ১ হাজার টাকা। আমি সাতক্ষীরা থেকে ক্রয় করি এবং যশোর এর নাম্বার করেছি। যেদিন আমি বাইক কিনেছিলাম সেদিন আমার জন্য খুব স্পেশাল দিন ছিল এবং আমার সাথে গিয়েছিল আমার আম্মু ও আমার মামা, তারা আমার থেকে ও বেশি খুশি হয়েছিল। ৪ঃ যখন আমি বাইক ক্রয় করি তার আগে কখনো Honda Hornet রাইড করে দেখিনি। প্রথম যখন টেস্ট রাইড দিলাম সেই অনুভূতি ছিল অন্যরকম। ফ্যামিলির সবাই বাইক চেঞ্জ করার বিরুদ্ধে ছিল অনেক কষ্টে মা বাবাকে রাজি করছিলাম। আমার বাইকের মধ্যে সবথেকে পছন্দের রং হচ্ছে কালো। সেজন্য আমি আমার বাইকটি কালো রঙের নিয়ে থাকি। বাইকটিতে রয়েছে আধুনিক গ্রাফিক্স ডিজাইন এবং লুকিং সব কিছুই আমার ভালো লেগেছে । ৫ঃ ডিজিটাল স্পিডো মিটার, এই গুলো আমাকে বেশি মুগ্ধ করেছে। আমার যা যা চাহিদা ছিল সবকিছুই আমি এই বাইকটির মধ্যে পেয়েছি । প্রথমে আমি বাইকের বিষয়ে একটু উদাসীন থাকলেও পরে যত্নশীল হয়েছি। প্রথমে Honda Service Center থেকেই সার্ভিসিং করেছি। এখন বাসার পাশে হওয়ায় লোকাল সার্ভিস সেন্টারেই সার্ভিসিং করি। বড় কোন সমস্যা না হলে অফিসিয়াল সার্ভিস সেন্টারে যাই না। ৬ঃ আমি আমার Honda Hornet মাইলেজ পাই প্রায় ৫০ প্লাস ।মাইলেজ নিয়ে আমি সন্তুষ্ট। বাইকের চেইন লুব করা এবং ওয়াস বাইরে থেকে করাই। বাইকের নিয়মিত স্পার্ক প্লাগ, এয়ার ফিল্টার পরিষ্কার করে থাকি। ৭ঃ আমি আমার বাইকে তেমন কোনো মডিফাই করে নি শুধুমাত্র কিছু স্টিকার মডিফাই করেছি। বাইকের সামনে টেলিস্কোপিক ও পিছন মনোশক সাসপেনশন থাকায় অন রোডে এবং অফ রোডে অনেক কমফোর্টেবল ভাবে রাইড করা যায়। ৮ঃ আমি প্রথমে ইঞ্জিন অয়েল হিসাবে honda 10W30 ব্যবহার করতাম কিন্তু এখন ও honda 10w30ব্যবহার করি। honda এর পারফরম্যান্স একটু ভাল মনে হয়েছে তাই আমি রেগুলার honda 10W30 ইঞ্জিন অয়েলটি ব্যবহার করতেছি । honda এর মূল্য ছিল 450 টাকা । আমি ৮০০-১০০০ কিলোমিটার পর পর আমার বাইকের ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করি ।
New Honda CBR 150R Victoy Red Black
Bike ta kinechi onekdin hoeche. Chain er problem cbr a new na. Ar parts price onek high and rare also. Performance bolte gele valo.. Bt up to the mark na. Ready pickup bes kom mone hoeche ai segment er bike er tulonai. Jodio amra jani honda er ready pickup aktu kom. Seating position 100.
Honda CB Hornet 160R CBS
ছোট বেলা থেকেই বাইকের প্রতি অন্যরকম ভালোলাগা কাজ করতো মনের ভিতরে,আর ছোট বেলা থেকেই যে কোন ব্রেন্ডের মোটরসাইকেল কে হোন্ডা নামে আমাদের দেশের সাধারণ মানুষ জানতো।আমি প্রথমে এফ যেড ভার্সন 1 এই দিয়ে বাইক চালোনো শুরু করি তার পরে আরো বেশ কয়েকটি ব্রেন্ডের বাইক চালিয়েছি, তার মধ্যেই ২০১৭ এর দিকে দেখলাম হোন্ড হরনেট নামের একটি বাইক বাযারে নিয়ে আসছে,এটা দেখার পর থেকেই ভালোলাগা শুরু তার পর ২০১৯ এর প্রথম দিকে বাইক্টা ক্রয় করি। এখনো চলছে আমার হরনেট বাইক, খুবই ভালো সারভিস পাচ্ছি।সারভিস সেন্টারে সারভিস করিয়ে তেমন কোন তিক্ত অভিজ্ঞতা নেই, যা আছে তা মানিয়ে নিয়েই চলছি।বাইকের এক্সপেয়ার পার্টস নিয়েও বিরম্বনা পাইনাই,পার্টস এর দামও অন্যান্য কোঃ চেয়ে একটু কম। সব মিলিয়ে আমি আমার হরনেট বাইক নিয়ে খুশি আছি।
Honda X-Blade 160
Presently i use Honda X blade 160 cc.Its breaking & controlling system really upset me.but in milage really its awesome. Seat is also comfortable for ride with pillion. Colour, design r awesome. But i m really upset with breaking & controlling. Hope company try to improve this site.
New Honda CBR 150R Victoy Red Black
absolutely amazing bike.... when i ride the bike i feel more passonite and comfortable.
Honda Livo 110 Disc CBS
I bought this bike for only office perpose and Dhaka city ride. But sometimes I ride more than 50 KM's without any hassle. It provides 55 kilo average per liter. Looks also nice, no complain at all. Thanks and have a nice day
Honda CB Hornet 160R CBS
আলহামদুলিল্লাহ আমি আমার বাইক নিয়ে যথেষ্ট সন্তুষ্ট ব্রেকিং সিস্টেম আর মাইলেজ নিয়ে না বললেই নয় অসাধারণ সার্ভিস দিচ্ছে বাইকটি
Honda CB Hornet 160R CBS
অফিস এ যাওয়া আসা ও ট্যুর এর জন্য বাইকটা নেয়া। বুকিং দেয়ার তিন মাস পর বাইকটা হাতে পেয়েছি। চট্টগ্রামের হোন্ডার সেই শো-রুমের আচার ব্যবহার ভালো ছিলো না। প্রথমে চেইনের সাউন্ডের জন্য বাইকটা চালাতে অনেক বিরক্ত লাগতো। অনেক অভিযোগের করার পর তিন মাস এর মাথায় চেইন পরিবর্তন করে দেয়। আলহামদুলিল্লাহ প্রায় ৪ বছরে ৩৪১৫৯ কিলোমিটার চালানোর পর ও আমাকে হতাশ করে নাই আবার বাইকটি। তিন পার্বত্য জেলা ভ্রমন সহ একদিনে সর্বোচ্চ ৪৭৯ কিলোমিটার চালিয়েছি। অসাধারণ ব্রেক, কমপোর্ট ১০০ তে ১০০। মাইলেজ এভারেজ ৪৫/৪৭ পেয়েছি, এখনো এমনি পাচ্ছি। তাতেই আমি সন্তুষ্ট। আর খারাপ দিক বলতে আমার কাছে বাইকের হেড লাইটের আলো পর্যাপ্ত না। আফটার সার্ভিস, নির্দিষ্ট সময়ে এয়ার ফিল্টার পরিবর্তন, ফ্লাগ পরিবর্তন ছাড়া, আমার আর কিছুই পরিবর্তন করা লাগে নাই।লাভইউ হোন্ডা।
Honda CB Hornet 160R CBS
বাইক কেনার কারণ Honda একটি বিশ্বস্ত ব্র্যান্ড এবং এর শৈলীতে সজ্জিত গ্রাফিক্স ও লুক। CB Hornet আমার কাছে comfortable এবং ব্রেকিং সিস্টেম অনেক ভালো। ব্রেকে একটা সাউন্ড করে এটা অনেক খারাপ লাগে। মাইলেজ আমি পেয়েছি ৪৯++ কিলোমিটার। সার্ভিস সেন্টারের সবাই অনেক আন্তরিক এবং ভালো সাপোর্ট দেয়।
Honda X-Blade 160
I think the Honda x Blade is the best bike I’ve at any point utilized. the fulfillment of traveling with great mileage and the convenience make this vehicle such a ton better. also this vehicle is Honda’s best vehicle as far as cost. Looking very good.
Honda Dream 110
অামি শুভ মজুমদার।খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় উপজেলায় বসবাস করি৷ অামি Honda Dream Neo 110 বাইকটি ব্যবহার করছি। বর্তমানে অামি বাইকটি 6000+চালিয়েছি। বাইকটির ব্যাপারে অাপনাদের সাথে কিছু অভিজ্ঞতা শেয়ার করবো। ছোটবেলা থেকেই অামার বাইকের প্রতি অন্যরকম একটা অনুভূতি কাজ করে। অামি বাইক চালানো শিখি ভালোলাগা থেকে। যখন বাইক চালাতে পারতাম না তখন সামনে দিয়ে কেউ একজন বাইক চালিয়ে গেলে শুধু চেয়ে থাকতাম কীভাবে বাইক চালায়। সেই দেখাতেই অামি ২০১৭ সালে Bajaj XCD 125 দিয়ে বাইক চালানো টা শিখি। অামার জীবনে এটি ৩য় তম বাইক। অামি যেহুতু স্টুডেন্ট অামার বাজেট ছিলো কম।বাজেট কম হওয়াতে অামার পছন্দের তালিকায় ছিলো Honda Dream Neo। এরপর অামি পছন্দের বাইকটিই ক্রয় করে থাকি। খাগড়াছড়ির অাম্বিয়া মোটরস থেকে। বাইকটি মোটামুটি তেল সাশ্রয়ী ১ লিটারে ৫৫+ কিলোমিটার মাইলেজ পাই। এই প্রর্যন্ত বাইকটি ৬০০০ কিলোমিটার চালিয়েছি অামাকে কখনো হতাশ করেনি। তবে বাইকটি লং টু্্যার এর জন্যা একদম সঠিক নয়। কারন চাকা অনেক চিকন হার্ড ব্রেক করলে চাকা স্কিড করে। বাইকটির সব চেয়ে সৌন্দর্য জিনিস হলো বাইকের কালার / ডিজাইন টি এবং অারাম দায়ক সিট। অামি বাইকটি একদিনে সর্বোচ্চ ২৩০ কিলোমিটার এর মতো চালিয়েছি।সেটি ছিলো রামগড় -চট্টগ্রাম। তবে বাইকটি পাহাড়ি অাকা-বাকা রাস্তায় / গ্রামের কাচা রাস্তায় ভালোই সার্পোট দেয়। বাইকটিতে প্রতিবার ইন্জিন এর Motul 10W30 লুবটি ব্যবহার করে থাকি। অামি সর্বোচ্চ গতি ৯০ তুলেছি। অামি বাইকটি এই প্রর্যন্ত ৬.৩৭৫ কিলোমিটার রাইড করতেছি। বাইকটির ভালো দিক ঃ- ১/ মাইলেজ ২/স্মুথনেছ ৩/ব্রেকিং ৪/পার্টস এভেইলিভিটি ৫/স্টাইলিশ ৬/ ব্যাটারি শীতকালে প্রবলেম করে না। বাইকির খারাপ দিকঃ- ১/চাকা চিকন স্কিড করে ২/পিলিয়ন সীট কম্ফোট না ৩/হেড লাইট এর অালো কম। ৪/ লং রাইডে পারর্ফমেন্স ড্রপ করে। ৫/চেইন পড়ে গেলে স্টাট হয় না। সবকিছু মিলিয়ে ভালোই সার্ভিস দিচ্ছে। সব সময় হেলমেট পড়ে বাইক চালাবেন। ওভার স্পিড থেকে বিরত থাকবেন। সাবধানে বাইক রাইড করবেন। ধন্যবাদ🖤
Honda X-Blade 160
In this price range xblade is much better than any other motorcycle brand in bangladesh.
Honda Livo 110 Disc CBS
কেন বাইক কিনেছিলাম : করোনার ধাক্কায় জব চলে যায়, ফ্যামিলি নিয়ে খুবই বাজে অবস্থার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলাম। পকেটে জমানো 6হাজার টাকা দিয়ে একটি সাইকেল কিনে শুরু করে দিলাম ফুড ডেলিভারি। তিন চার মাস ভালোই চালিয়েছি, কিন্তু মনের ইচ্ছে থাকা সত্যেও শরীর দূর্বল হয়ে যেত , অতিরিক্ত ফুড ডেলিভারি করতে পারতাম না। ফ্রেন্ড সাথে ব্যাপার টা শেয়ার করলাম, সবাই বাইক নিতে বলল কিন্তু টাকা কোথায় পাব, এক বন্ধু দিল 25000 টাকা, আমার খুব কাছের কাজিন দিল 25000, আমি অনেক কষ্ট করে 30000 কালেকশন করলাম, 80 হাজার জোগাড় হল, কিন্তু এই বাজেট নতুন ভালো কোন গাড়ি নেই, সব শোরুম যোগাযোগ করলাম, যেহেতু জব নেই, কেউ কিস্তিতে বাইকে দিতে রাজি হলো না, সিদ্ধান্ত নিলাম ইউজড বাইক কিনবো। অনেক খোঁজ খবর নেয়ার পর বাজেট মধ্যে ভালো বাইক পাচ্ছিলামনা , হঠাৎ এক কলিগের সাথে দেখা সে বলল, তার ফ্রেন্ড বাইক সেল দিতে পারে , হোন্ডা লিভো খুব ভালো যত্ন করে গাড়ি, সাথে সাথে চলে গেলাম বাইক দেখতে, এক দেখতে পছন্দ হয়ে গেল, খুব ভালো মেইনটেইন করা বাইক, 17000 কিলোমিটার চলেছে ,ইঞ্জিন সাউন্ড খুব সুন্দর, দাম দর নিয়ে কথা হল, ভাই 80000 টাকা এক টাকা কম বাইক সেল করবেনা, দুদিন সময় নিলাম টাকা ম্যানেজ করলাম, তারপর আল্লাহ নাম নিয়ে কিনে ফেললাম আমার লাল ঘোড়া। সাথে একটা ফুল ফেস সার্টিফাইড হেলমেট কিনলাম 3500 টাকা দিয়ে ।এভাবে আমার প্রথম সপ্ন পূরণ হলো। আলহমদুলিল্লাহ এখন ভালো ইনকাম করছি। বাইকের ভালো দিক: 1: চালিয়ে অনেক কমফোর্ট দিল করি, 2: 70-৮ ০স্পিডে তেমন ভাইব্রেশন হয়না। 3: মেইনটেনেন্স খরচ খুব কম 4: মাইলেজ 50+ আমার জন্য খুব উপকারী।5: যেকোনো আসছে বাজারে খুব সহজে পাওয়া যায়। খারাপ দিক: 1: চিকন টায়ার, হাইওয়েতে কনফিডেন্স কম পাওয়া যায়। 2: হেডলাইটের আলো খুব কম, 3: সুইচ এর কোয়ালিটি খুবই নিম্নমানের। 110 সিসি বাইক হিসেবে 50-৫৫মাইলেজ ,আমার কাছে খুব ভালো মনে হয়েছে, রেডি পিকাপ কম, কমিউটার সেগমেন্ট বাইকের জন্য ঠিকঠাক রয়েছে বলা চলে, হোন্ডা লিভো সবচেয়ে ভালো দিক এর বিশাল সিট, পিলিয়ন সহ খুব ভালো ভাবে রাইড করা যায়, ব্রেকিং কথা বলতে গেলে মাঝে মধ্যে স্কির্ট করে।110 সিসি বাইক হিসেবে ইঞ্জিন পারফরম্যান্স দুর্দান্ত। আফটার সেলস সার্ভিস: যেহেতু আমি ইউজড বাইক কিনেছি, সে ক্ষেত্রে আমি ডিলার পয়েন্টে যে সার্ভিসিং করানোর সুযোগ পায়নি, তবে একটা ব্যাপার না বললে নয়, ডিলার পয়েন্টে পার্টস এর দাম অনেক বেশি। যতবার গিয়েছি তাদের ব্যবহার আন্তরিক ছিল। পরিশেষে এটাই বলব, সবাই সাবধানে বাইক রাইড করবেন, সার্টিফাইড হেলমেট পড়বেন অবশ্যই। বাইক বিডি সাথে থাকবেন। বাইক মানে বাইক বিডি। বাইকবিডি সকল মেন্টরের জন্য অসংখ্য দোয়া ও শুভকামনা
Honda CB Hornet 160R CBS
বাইক সমন্ধে নিজের তেমন ধারণা ছিলো না। তাই কাছের বন্ধুর পরামর্শে ট্রিগার বাইক কেনার জন্য মনস্থির করলাম। ২০১৮এর অক্টোবরে রাজবাড়ী, ফরিদপুর ঘুড়ে নিজের পছন্দের বাইকটি পেলাম না..! কারন ট্রিগার ডাবল ডিস্ক স্টক আউট হয়ে গেছে..! অনেক খোজাখুজির পর মাগুরা শোরুমে পেলাম আমার পছন্দের বাইকটিকে...। আগে তত বেশী পছন্দ না করলেও ধীরে ধীরে বাইকের স্মুথনেস, মাইলেজ আর ব্রেকিংয়ের জন্য এর প্রেমে পরতে থাকি। এই বাইকের সবচেয়ে পছন্দের পার্টটা হল এর নেক.. এত অল্প জায়গাতে এই বাইকটা ঘোরানো যায় যা অন্য কোন বাইকে পাইনি.. বাইকের সিটিং পজিশনটাও আমার বাইকটি পছন্দ করার অন্যতম কারন ছিল.. বডি স্ট্রেইট রেখে চালানোর মত বাইক খুব কমই আছে। পরিশেষে বলতে চাই বাইক হচ্ছে বন্ধু, সবচেয়ে কাছের বন্ধু। বন্ধুর পরিচর্যা ঠিকঠাক করলে বন্ধুত্বও ঠিকঠাক থাকে। এখন পর্যন্ত আমার বাইকটিও তাই ঠিকঠাক সার্ভিস দিচ্ছে.. সবাই বাইকের প্রতি যত্নশীল হই, নিরাপদ সীমার মাঝে বাইক চালাই, দূর্ঘটনা রোধ করি। শুভকামনা সবার জন্য