Verified reviews from Yamaha EV owners. Know the pros and cons from real riders.
Yamaha FZS FI Double Disc
ছোটবেলা থেকেই ইয়ামাহা বাইকের প্রতি প্রচুর আকর্ষণ ছিল। বাবা চালাতেন ইয়ামাহা আরএক্স সেটা থেকেই আমার হাতে খড়ি সেই 2008 সালের কথা। তখন থেকেই ইয়ামাহা এফজেডএস এর প্রতি আলাদা আকর্ষণ কাজ করে। তখনই প্রতিজ্ঞা করি আমার জীবনের প্রথম বাইক টা যেন ইয়ামাহার হয়। ভাগ্যক্রমে 2020 সালে জীবনের প্রথম বাইক কেনা সক্ষমতা হয় এবং সেটাও ছিল স্বপ্নের বাইক ইয়ামাহা এফ জেড এস ভার্সন টু। বাইকটা আমাকে কোন পরিস্থিতিতেই নিরাশ করেনি শুধুমাত্র এটার মেইনটেনেন্স ব্যয় একটু বেশি। এই বাইকটা কেনার পর থেকেই আমার জীবনটা একদম সহজ হয়ে গিয়েছে। আল্লাহ যতদিন সামর্থ্য দেয় এই বাইকটা নিয়েই থাকতে চাই। আমার নিজের বাইক কেনার পর থেকে যত ধরনের বিপদে পড়েছি সবকিছুর সমাধানে বাইক বিডি গ্রুপে পেয়েছি। এজন্য ধন্যবাদ বাইক বিডি গ্রুপের। এমনকি আমার পছন্দের বাইকটি খুঁজে পেতে সাহায্য করেছে বাইক বিডি।
R15 V3 Indian Version Dual ABS
(বাইক কেন কিনলাম) - ছোট বেলা থেকে বাইক একটা স্বপ্ন ছিলো, প্রথমত আমি বাইকের প্রতি আকৃষ্ট হই ২০০৪ সালে ভারতে মুক্তি পাওয়া ধুম ছবি দেখে।সেই ছবিতো অনেকগুলো Sports bike ছিলো, ছবিতে ৫ জন ভিলেন ছিলো যারা প্রত্যেকে বাইকার ছিলো, ওই ছবির কাহিনিতে বাইকের অনেকটা অংশ ছিলো। যা দেখে ছোট বেলা থেকেই বাইকের প্রতি অগাদ টান তৈরী হয়। সেখান থেকেই আসোলে বাইক কেনার ইচ্ছেটা। . (বাইকের ভালো দিক খারাপ দিক)- আমি যেহেতু R15 v3 indian Dual Abs টা ব্যবহার করছি এইটার ভালো তিনটা দিক বলছি ১ঃ| কন্ট্রোল এবং ব্রেকিং আমার কাছে অসম্ভব ভালো লেগেছে। ২ঃ| লুকিং টা এক কথায় অসাধারণ যা সবার নজর কাড়ে। ৩ঃ| মাইলেজ, এইরকম একটা Sports bike এ ৪৫/৫০ মাইলেজ পাওয়া খুব ভালো লাগার বিষয়। খারাপ -তেমন কিছু পাইনি শুধু আমার কাছে মনে হয়েছে সিটিং পজিশন টা একটু প্রব্লেম যার কারনে Back pain টা অনুভব করেছি। (সার্ভিস)- সার্ভিসের সুবিধাটা ভালোই Yamaha Service centre এ খুব কেয়ারফুল ভাবে Bike service করে, কোন সমস্যা থাকলে সেটা find out করে দ্রুত ঠিক করে দেয়। দক্ষ এবং আধুনিক প্রযুক্তি থাকায় ভালো service পেয়েছি। আর খরচ ও খুব সীমিত।
R15 V3 Indian Version Dual ABS
আমি আলামিন রাকিন ।থাকি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে, ছোট বেলা থেকেই গাড়ি আর বাইক এর উপর একধনের ভালবাসা কাজ করতো । দেশের বাইরে থাকায় আমি ছোট বেলায় গাড়ি শিখে ফেলি কিন্তু মনের অজান্তে দুর থেকে বাইক এর উপর একধনের নেশা কাজ করত কবে বাইক চালানো শিখবো । সেইটা পূরণ হল 2013 সালে যখন দেশে আসি। 📎 জীবনের প্রথম বাইক বলতে গেলে শুরু করতে হয় বাজাজ ১৫০ সিসি( ইউজি ৩) । মূলত এইখান থেকেই বাইকিং এর উপর ভালবাসা টা বেশি কাজ করা শুরু করে। এছাড়া বাইক দিয়ে ঘুরা ঘুরি টা বেশি পছন্দ করি , পর পর বাজাজের এন এস, সুজুকি জিক্সার ডাবল ডিস্ক , সুজুকি জি এস এক্স - আর ব্যাবহার করি। 📎সর্বশেষ ২৭.১২.২০২১ সালে আলিজা মার্ট থেকে ৫লাখ ৪৫ হাজার দিয়ে রেজিঃ সহ আমি Yamaha R15 v3 Indonesian ভার্শন নেই । সঙ্গে ছিল আমার বাবা এবং নিলয় ভাই , ব্যক্তিগতভাবে আমার বাবা ইয়ামাহার ফ্যান , 📎(Yamaha R15 v3 Indonesian) নেয়ার একমাত্র কারণ হল . লুক্স, ডিজাইন, পারফরমেন্স দুটি টেকনোলজি ভিভিএ এবং স্লিপার ক্লাচ এবং বিল্ড কোয়ালিটি যেইটা ইন্ডিয়ান বিল্ড কোয়ালিটি থেকে অনেক ভাল । বাংলাদেশে যে কয়টি স্পোর্টস ক্যাটাগরির বাইক রছেয়ে R15 v3 তাদের মধ্যে অন্যতম নিঃসন্দেহে। বাইকটির এগ্রেসিভ লুক যে কারো ভালো লাগবে । বর্তমানে আমার ১১হাজার কি মি চালানো অভিজ্ঞতা হয়েছে 📎ব্রেক ইন পিরিয়ড ২ হাজার কি.মি পর্যন্ত মানা হয়েছে এই অবস্থায় লিকিইউ মলি মিনারেল ইঞ্জিন অয়েল 10w40 ব্যাবহার করি । পরবর্তীতে ২ হাজার থেকে MOBIL 1 সিনথেটিক ব্যাবহার করা শুরু করি । MOBIL 1 দেশে যে কয়েকটি ইঞ্জিন অয়েল রয়েছে নিঃসন্দেহে সেরা একটি ।আর ৫ হাজার কিমি তে টেকনো সার্ভিস সেন্টারে একটি বেসিক সার্ভিস করাই, ফিল্টার ওয়াশ , ফুয়েল ইনজেক্টর এবং প্লাগ ওয়াশ করি এবং কুলেন্ট চেক করি এবং পরিবর্তন করি । ব্রেক ইন পিরিয়ড অবস্থায় সাধারণত মাইলেজ ৪০/৪১ কিমি লিটারে ছিল সিটিতে ,যদিও আমার সিটির বাইরে ব্রেক ইন পিরিয়ড অবস্থায় যাওয়া হয় নাই । তবে বর্তমান মাইলেজ ৪৫/৪৫ কিমি লিটারে সিটির ভিতর ।হাইওয়েতে ৫০/৫১কিমি পার লিটার। হাইওয়েতে সর্বোচ্চ ৫৮ কিমি পেয়েছি আলহামদুলিল্লাহ । 📎ফিচার এবং পারফর্মেন্স বাইকটিতে ব্যবহার করা হয়েছে সিংগেল সিলিন্ডারের 155 সিসির চার ভাল্বের একটি ফোর-স্ট্রোক ইঞ্জিন। বাইকটির ইঞ্জিনে থেকে সর্বোচ্চ পাওয়ার 19.4 BHP প্রডিউস করে এবং 14.7 Nm টর্ক উৎপন্ন করে। এই বাইকের অন্যতম দুটি ফিচার হলো l. স্লিপার ক্লাচ স্লিপার ক্লাচ এর গিয়ার শিফটিং ওভারটেকিং এ বেশ ভালো কনফিডেন্স দেয় । খুব স্মুথলি স্পিড উঠে এবং খুব দ্রুত ব্রেক করা যায় ।স্লিপার ক্লাচ এর আরেকটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো এটি ইঞ্জিন ব্রেকিং এর সময় অনেক বেশি হেল্প করে। স্লিপার ক্লাচ এর কাজ হলো কয়েকটি গিয়ার পরপর ডাউন শিফট করলেও পিছনের চাকা লক হতে দেয় না। ইমারজেন্সি ব্রেকিং এর সময় স্লিপার ক্লাচ খুব ভালো কনফিডেন্স দেয় । ll. ভিভিএ টেকনোলজি যেইটা ৭৪০০/৭৫০০ আরপিএম এর পরে এক্টিভেট হয়। যখন ভিভিএ এক্টিভেট হয় তখন আরো বেশি এগ্রেরিসিভ হয়ে যায় । তবে মজার কথা হল যখন ভিভিএ এক্টিভ হয় তখন বাইক এর সাউন্ড লেভেলটাই চেঞ্জ হয়ে যায় এবং ওভারটেকিং কনফিডেন্স বাড়িয়ে দেয়। 📎বাইকটির সামনের চাকায় রয়েছে ১০০ সেকশনের এবং পেছনের চাকায় রয়েছে ১৪০ সেকশনের টিউবলেস টায়ার। সামনে ১০০ এবং পেছনে ১৪০ সেকশন এর টায়ার এর জন্য ব্রেকিং e অনেক কনফিডেন্স পাওয়া যায় । বাইকটিতে সামনের চাকায় ব্যবহার করেছে Up Side Down সাসপেনশন এবং পেছনের চাকায় রয়েছে মনোশক সাসপেনশন। UP SIDE DOWN সাসপেনশন এর জন্য বাইক এর সামনের লুক একটু বেশিই সুন্দর ।এছাড়া রয়েছে multi-functional সুন্দর একটি স্পিডোমিটার । 📎এইবার আসি ট্যুর নিয়ে গত ৫.৩.২০২২ বান্দরবন হয়ে থানচি, বলিপাড়া , দিমপাহাড় ,আলিকদম, খাশিয়াখালি হয়ে কক্সবাজার । পাহাড়ে আর ওয়ান ফাইন নিয়ে এইটা আমার দ্বিতীয় ট্যুর। একটি বারের জন্য হতাশ হয়নি কেননা । পাওয়া , ব্রেকিং , কন্ট্রোল আলহামদুলিল্লাহ যথেষ্ট ভালো । তবে এই ট্যুরে পাহাড়ে মাইলেজ পেয়েছি ৪০/৪১ কিমি পার লিটার । এছাড়া হাইওয়েতে এর পার্ফরমেন্স অসাধারণ কেননা ভিভিএ যখন একটিভ হয় যখন এর পারফরমেন্স সম্পূর্ণ পরিবর্তন হয়ে যায় বিশেষ করে ওভারটেকিং এ বেশ ভালো কনফিডেন্স দেয় । আফটার মার্কেট পার্টস যেইসব পার্টস ব্যাবহার করা হয়েছে:এর মধ্যে একটি উইন্ড শিল্ড এবং সামনের RCB ব্রেকপ্যাড । এখন পর্যন্ত কোন ধরনের মডিফাই করি নাই কারন আমার ব্যাক্তিগত ভাবে স্টক লুক টা বেশি পছন্দ । 📎এইবার আসি মেইনটেনেন্স এ প্রত্যেক ৪হাজার কিমি তে এয়ার ফিল্টার চেঞ্জ করি আর ফিল্টার আমি স্টক টাই ব্যাবহার করতেসি । ওপর দিকে ইঞ্জিন অয়েল সিনথেটিক ব্যাবহার করায় ২০০০/২৫০০ কিমি তে পরিবর্তন করি এর সাথে অয়েল ফিল্টার ও চেঞ্জ করি ।এইখানে ফিল্টার স্টক টা বাদ দিয়ে ইয়ামাহা থাই রেসিং অয়েল ওয়াশাবল ফিল্টার টা ব্যাবহার করতেসি । ওয়াশাবল অয়েল ফিল্টার প্রত্তেক বার ড্রেইন দেয়ার সময় ওয়াশ করে নেই ।যদিও এই ওয়াশাবল অয়েল ফিল্টার ২/৩বার ব্যাবহার করা যায় । ৫০০০কিমি পর পর পাম্প এর ফিল্টার ওয়াশ , ফুয়েল ইনজেক্টর এবং প্লাগ ওয়াশ করি এবং কুলেন্ট চেক করি এবং কুলেন্ট এর রিজার্ভ ট্যাংক ফুল করি। চেইন সঠিক ভাবে এডজাস্ট করি যদিও ইন্দোনেশিয়ান ভার্সনে চেইন এর নয়েজ একটু বেশি তবে নিয়মিত সঠিক সময়ে চেইন লুব করলে নয়েজ তেমন থাকে না ।চেইন সঠিক টাইমে এডজাস্ট করি ১০ হাজার কিমি তে একটি মাস্টার সার্ভিস করাই টেকনো সার্ভিস সেন্টার থেকে । আর সব সময় ভালো তেল নেওয়ার চেষ্টা করি কেননা ভাল তেল নিলে বাইক এর ইঞ্জিন সর্বদা ভাল থাকে এবং বাইক মাইলেজ ভাল পাওয়া যায়। এক সপ্তাহ পর পর বাইকের চাকার প্রেশার চেক করি । 📎Yamaha R15 v3 Indonesian এর ভাল দিক গুলো VVA টেকোলজি স্লিপার ক্লাচ ব্রেকিং রেডি পিকাপ মাইলেজ ইঞ্জিন পারফর্মেন্স বড় সাইজের টায়ার এর জন্য অসাধারন ব্যালেন্সিং লিকুয়েড কুল সিস্টেম এগ্রেসিভ লুকিং 📎Yamaha R15 v3 Indonesian এর মন্দ দিক গুলো USD সাস্পেন্সন যেটা ভাংগা রাস্তায় অনেক বেশি পেরাদায়ক। ABS দেওয়া উচিৎ ছিল টারনিং রেডিয়াস কম হেডলাইটের আলো কম একদিনে সর্বোচ্চ ৩৭০ কিমি রাইড দিয়েছি । এর হাইওয়ে পারফরম্যান্স মনমুগ্ধকর! দিন দিন পারফরমেন্স বাড়তেছে আর পারফরমেন্স বাড়ার মূল কারন হল মবিল ওয়ান 10w40 ইঞ্জিন অয়েল যা সত্যিই অসাধরন । আমি বিশ্বাস করি একজন বাইকার তার নিজের নিরাপত্তার স্বার্থে একটি সার্টিফাইড হেলমেট সবসময় ব্যাবহার করবেন এবং ট্যুর কিংবা দূরবর্তী কোথাও গেলে চেষ্টা করবেন সেফটি গিয়ার ব্যবহার করার জন্য। রাস্তার সঠিক নিয়ম কানুন মেনে বাইক রাইড করা। নির্দিষ্ট গতিতে বাইক চালানো। 🚩যত গতি তত ক্ষতি🚩 ধন্যবাদ।
Yamaha FZS V3 ABS BS4
Mileage, performance, service sob kichui valo pacchi, bishesh kore yamaha service point er service gulo onek valo pacchi.
Yamaha FZS FI Double Disc
This bike is super comfortable. Super braking, the engine performance are best from other Crouse bikes.. I'm a big fan of my fzs v2 fi.
R15 V3 Indian Version Dual ABS
It is the bike that every sports bike lover needs! Because it has comfort and control both.
Yamaha Fazer FI V2
i am very lucky bcoz i am a yamaha Fazer user.
R15 V3 Indian Version Dual ABS
R15 v3 Indian bs6 is the best sports bike in Bangladesh.