Verified reviews from Yamaha EV owners. Know the pros and cons from real riders.
Yamaha MT 15
The performance of a very good bike can also be relied on
Yamaha MT 15
আমি শাহরিয়ার, ইয়ামাহা এমটি-১৫ ইউজার...১০ মাস হলো বাইক কিনেছি।ছোট থেকে ট্যুরিং এ আলাদা নেশা! বাইক এর জন্য অন্যতম মাধ্যম। ইত-মধ্যে আমি ৩৪ টি জেলা কাভার করেছি, আল্লাহ সহায়ক হলে পুরো দেশ ঘুরে দেখবো। বয়স মাত্র ২০ এই ছোট বয়সে আল্লাহর আশেষ নিয়ামত দেখার সুযোগ হয়েছে....সব মিলে আমার বাইক ১৩ হাজার কিমি রান কেরেছে.. আল্লাহর রহমতে মেজর কোন সমস্যা হইনি..ইঞ্জিন অয়েল সময় মত চ্যাঞ্জ করা হয়। একটা দিক খারপ হচ্ছে সিটিং পজিশন খুব এ শক্ত.. ২ জন নিয়ে চালানো কঠিন হয়ে যায়...সব মিলে বাইকটি আমাকে হতাশ করেনি।#bikebd🥀
Yamaha FZS V3 ABS BS4
It’s the second bike I am riding! Coming from a lower CC segment (110), initially the seems ok for its power. However, in last 3 months, I rode Apache RTR 4V dual disk, Pulsar 150 and Honda CB Hornet 160 CBS. Comparing with these three bikes, Yamaha FZS V3 seems pretty weak performer in terms of Power and instant acceleration. It is almost better in every way than Pulsar 150 till it reaches 80 kmph. After that the extra horse power in pulsar kicks in and the top speed of pulsar is almost 10 km more than of FZS V3. The Apache is a pain for its mileage when revving at 6000 RPMs. Hornet seems sluggish at first but after 5000 RPM it shows its power. However, none of them are a match for FZS V3 when it comes to braking. The bike saved my numerous times in last 5 months when I needed to panic break. The mileage is good and the engine heating issue is almost non existent for an air cooled bike. The only thing i despise is the plastic quality and it’s assembly in FZS V3. Apart from this, if you want a safe, comfortable and good mileage bike, FZS V3 is for you!
R15 V3 Indian Version Dual ABS
R15 V3 is my favourite bike to ride and I’m using it for last 4 years.I’m fully satisfied with it’s performance, mileage and dashing look and I’ve done many long tour with R15 V3!
Yamaha FZS FI Double Disc
Fzs fi DD is the most comfort & well breaking system bike in Bangladesh. Basically this bike more comfort with pillion. For travelling in Bangladesh road well comfortable. This bike parts & service available with maintains cost with midrange. So all over this bike is good.
Yamaha FZS V3 ABS BS4
Yamaha fzs vary good bike and looking nice. But foyal cost high
Yamaha FZS V3 ABS BS4
This bike is awesome. I like my bike because of its control.
R15 V3 Indian Version Dual ABS
★বাইকটির লুকস আমাকে খুব অবাক করেছে। আমি বাইক দিয়ে অফিসে যাতায়াত এবং অবসর টাইমে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঘুরে বেরিয়ে নিজেকে প্রান বন্ত, রাখার জন্য আমি এই বাইক টি ক্রয় করেছি। ★বাইকটি অবার-অল সব ভালো কিন্তু লং ট্রুরের হ্মেত্রে একটু ব্যাক পাইন হয়, এটাই একটা খারাপ দিক ★ মাইলেজ,পিক আপ, সব-ই ঠিক আছে। ★ সার্ভিসের খরচ সম্পূর্ণ ডিজার্ব করে নিজের ড্রাইভ এবং পরিচর্যার উপরে, আমি নির্দিষ্ট একটা কিলোমিটার পর পর সার্ভিস করি, তো আমার তেমন বেশি খরচ হয় না, যা হয় তাতে আমি সন্তুষ্ট আছি। ★ হ্যা দিয়েছি। ★ অবশ্যই
Yamaha FZS FI Double Disc
I think this bike are very gorgeous look and smart position bike
Yamaha FZS FI Double Disc
আমার বাইক Fzs v2।আমি বাইকটি ক্রয় করি ৩১ জুলাই,২০১৭ এখন পর্যন্ত ২৯৭৮০ কিঃমিঃ রান করেছি। খুবই কমফোর্ট একটা বাইক,এটা ব্রেকিং খুবই ভাল,মোটা চাকা থাকায় ভাল গিরিপ পাওয়া যায়। মাইলেজ সম্পর্কে বলতে গেলে সিটিতে ৩২-৩৮ কিঃমিঃ পার লিটার পায়ে থাকি এবং হাইওয়েতে ৪০-৪৫ পেয়েছি যা ১৫০ সিসি সেগমেন্ট আলহামদুলিল্লাহ ভাল । সিটিং পজিশন ভাল হওয়ায় ব্যাক পেন হয় না বললেই চলে । সবদিক ভাল মনে হলেও কিছু কমতি রয়ে যায় তার মধ্যে অন্যতম এটার রেডি পিকআপ খুবই কম। বিশেষ করে হাইওয়েতে ওভারটেক করতে ভাল মত বোঝা যায়।পাওয়ারটা একটু বেশি হলে ভাল হত ।সবশেষে বলতে যায় এটা আমার ৫ম বাইক এটা ৫ বছর ব্যবহার করছি কিন্তু এখনও ইঞ্জিন কখনো খোলা হয়নি,এটা আমি নিয়মিত সার্ভিস করি,ভাল পারফরম্যান্স পাই। রাস্তায় আমাকে কোনদিন বিপদের আজ পর্যন্ত ফেলেনি,এটা নিয়ে আমি ঢাকা,খুলনা,সাতক্ষীরা,যশোর,কুয়াকাটা, সাজেক ট্যুর করেছি । তাই চোখ বন্ধ করে আস্থা করা যায় YAMAHA FZS V2 উপর।
R15 V3 Indian Version Dual ABS
* বাইক এব বাইকে ট্রাভেল করা আমার কাছে অনেক ভালো লাগে, তাই সব কিছু মিলিয়ে আমার কাছে R1-5 টা Best মনে হয়েছে তাই এই বাইকটা নেওয়া, আর বাইক কেনার অভিজ্ঞতা কি বললো, প্রতিটা মানুষের বাইক কিনা একটি স্বপ্ন আর সেই স্বপ্ন যখন পূরণ হয় সেটা আসলে ভাষায় প্রকাশ করার মত নয়।
Yamaha Fazer FI V2
ইয়ামাহা ফেজার ভি২ বাইকটি আসলেই অসাধারণ একটা বাইক। এর কম্ফোর্ট আর কন্ট্রোল আমাকে মনোমুগ্ধ করেছে। তার চেয়ে বেশি ভালো লাগে এর মাইলেজ। যদিও তাৎক্ষণিক পাওয়ার একটু কম, তারপরও আমার কাছে খারাপ মনে হয় নি। লং ট্যুরে আমাকে অনেক আরামদায়ক রাইড উপহার দিয়েছে সাথে সেফটি ও। তাই বাইকটি হয়ে উঠেছে আমার পছন্দের শীর্ষে।
R15 V3 Indian Version Dual ABS
I bought this bike last year .r15 is my most favourite sports bike in bangladesh.my experience was awesome .r15 good side is power looks and overall performances.and the bad side is spare parts cost.for my side its comfortable as a sport bike and the miledge is almost 42 .Yamaha after sells service are best in town.with r15 my experience is good .
Yamaha FZS V3 ABS BS4
আমার বাইক কেনার উদ্দেশ্যই হচ্ছে নিজের স্বপ্ন পুরণ। ছোটবেলা থেকেই আমার অনেক শখ ছিলো ঘুরে বেরানোর। কিন্তু সমস্য হলো, আমাকে কখনও বাড়ি থেকে সন্ধ্যার পর কোথাও থাকতে দিতনা। এজন্য ছোটবেলাতেই নিজের ভেতরে স্থির করে রেখেছিলাম - একদিন নিজে ইনকাম করব, তারপর নিজের টাকা দিয়ে একটা বাইক কিনে প্রচুর পরিমানে ট্যুর দিব। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, ক্লাস ৯ এ থাকাকালীন গ্রামে বন্যায় ঘুরতে গিয়ে টাইফয়েডে আক্রান্ত হই। তখন থেকে মোটা পাওয়ার গ্লাস আমার সবসময়ের সঙ্গী হয়ে যায়। আরেকটা বড় ধরনের হোঁচট খাই ২০১১ -তে জবে ঢুকার সময়। সেখানে মেডিক্যাল টেস্টের সময় ডাক্তার আমাকে বলে দেয় আমি যেন সকল প্রকার ড্রাইভিং থেকে নিজেকে বিরত রাখি। এটা শোনার পরে মনের অবস্থা কেমন ছিলো তা লিখে বা বলে বুঝানো সম্ভব না। সারাদিন প্রচন্ড ব্যস্ততা/অথবা আড্ডার মধ্যে থাকলেও সবসময় ভেতরে একটা চাপা কষ্ট কাজ করত। ভ্রমন আমার স্বপ্ন হওয়ায় আমি নিয়মিত #BikeBD এবং #Youtube -এ বিভিন্ন ট্যুরের পোস্ট এবং ভিডিও দেখতাম। ফলে নিজের ভেতরের স্বপ্নকে চেপে রাখা আমার পক্ষে প্রায় অসম্ভব মনে হওয়া শুরু হলো। ২০২১ সালে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি, যা হয় হবে, এভাবে কষ্ট চেপে রেখে দিন পার করা আমার পক্ষে সম্ভব না। যা হয় হোক, আমাকে বাইক কিনতেই হবে। এরপর #BikeBD -তে নিজের চশমার পাওয়ারের কথা উল্লেখ করে জানার জন্য পোস্ট দেই যে, আমার মত পাওয়ার গ্লাস ইউজ করে এমন কোন বাইকার আছে কিনা? সেখানে দেখতে পাই যে, আমার মত বা আমার থেকে বেশি পাওয়ার গ্লাস ইউজার অনেক রাইডার আছে। এটা দেখার পর মনে সাহস পাই। এরপর চোখের ডাক্তারের কাছে গিয়ে চোখ পরীক্ষা করাই এবং নিজের স্বপ্নের কথা বলি। ডাক্তার আমার চোখ পরীক্ষা করে আশ্বাস দেন যে, আমি বাইক চালাতে পারব। ব্যাস, পরের দিনই বাইক কেনার জন্য খোঁজ খবর নেয়া শুরু করে দেই। এটা আমার ফার্স্ট বাইক এবং আমার রোডে স্পীডিং এর কোন শখ নাই। তাই পছন্দের ক্ষেত্রে আমি প্রথমেই প্রায়োরিটি দেই বাইকের কম্ফোর্ট লেভেল, কন্ট্রোলিং এবং ব্রেকিং এর উপর। এরপর Suzuki FI ABS এবং Yamaha FZS V3 বাইক দুইটার মধ্যে যেকোন একটা বাইক কেনার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি। Suzuki শো-রুমে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি বাইকের সাপ্লাই বন্ধ এজন্য প্রি-বুকিং পর্যন্ত অফ এবং কবে নাগাদ পাওয়া যাবে তার কোন ঠিক নাই। Yamaha-তে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি তাদেরও সাপ্লাই অফ, কিন্তু প্রি-বুকিং দিলে মাস’খানেকের মধ্যে বাইক দিতে পারবে। তখন সেখানেই বুকিং দিয়ে আসি এবং কপালগুনে ৭ দিনের মধ্যেই (৩১ ডিসেম্বর ২০১১) বাইক হাতে পেয়ে যাই। (যদিও প্রি-বুকিং এর সময় যা দাম ছিলো 3D Logo হওয়ায় তার থেকে ৫০০০ টাকা বেশি টাকা লাগছে) বাইক যেহুতু পেয়েছি, এবার আসি নিজের অভিজ্ঞতার আলোকে বাইকের ভাল-খারাপ দিক, মাইলেজ, পিকআপ, কম্ফোর্ট, ব্রেকের পারফর্মেন্স, আফটার সেলস সার্ভিস এবং খরচ সম্পর্কে। আমার কাছে Yamaha FZS V3 বাইটির ভালো দিক: • বাইকটি চালিয়ে আমি প্রথমেই সন্তুষ্ট হই এর ব্রেকিং ক্যাপাবিলিটি দেখে। আমি নতুন রাইডার হওয়ায় আমার ধারনা ছিলো, বাইক হয়তো একটুতেই স্কীড করে। কিন্তু FZS V3 বাইকটিতে এখন পর্যন্ত আমি স্কীড সংক্রান্ত ইস্যু ফেইস করিনি। এজন্য এটার ব্রেকিং আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে। • এই বাইকের মাইলেজও আমার কাছে খারাপ মনে হয়নি। আমি এখন পর্যন্ত হাইওয়ে এবং সিটিতে মোটামুটি ভালই রাইড করেছি। আর সব মিলিয়ে আমি এভারেজ প্রতি লিটারে ৪১-৪২ কি.মি চালাতে পারি। হাইওয়েতে আমি ১ লিটারে সর্বচ্চ প্রায় ৪৮ কি.মি পেয়েছি এবং সিটিতে ৪০-৪২ কি.মি পেয়েছি। যা আমার কাছে রিজনেবল বলে মনে হয়েছে। যদিও গ্রুপে অনেকেই দেখি ৫০+ পর্যন্ত মাইলেজ পান। এটা তারা কিভাবে পায় তা সমন্ধে আমার ধারনা নাই। • বাইকটি দেখতে অনেক মোটাসোটা হলেও এটার ওজন সে অনুযায়ী ততো বেশি না। তাই ঢাকা শহরের জ্যামে বাইকটি চালাতে এখন পর্যন্ত কোন সমস্যায় পড়তে হয়নি। • আফটার সেলস সার্ভিসের ব্যাপারে বলব, আমার বাইকটি এ পর্যন্ত প্রায় ৭৫০০ কি.মি চলেছে। এর মধ্যে আমি ৩টি ফ্রি সার্ভিস কোম্পানী থেকে নিয়েছি। বাইরে থেকে কোন সার্ভিস করানোর প্রয়োজন এখনও পড়েনি। কিন্তু ২য় ফ্রি সার্ভিসের সময় আমার বাইকের সামনের চাকা জ্যাম ছিলো, যা আমি টেকনিশিয়ানকে বলার পরে সে আমাকে জানায় এটা কোন সমস্যা না। এমনই থাকে। যার ফলে পরবর্তীতে ৩য় সার্ভিসের সময় আমি দেখতে পাই, আমার সামনের ব্রেকপ্যাড ১টা জ্যাম হয়ে থাকার জন্য প্রায় ৩ভাগ ক্ষয় হয়ে গেছে। আর একটা পুরোপুরি নতুনের মতই আছে। এবার আসি বাইকের খারাপ লাগা ব্যাপারে: • এটার খারাপ লাগার মধ্যে আমার কাছে একটা ব্যপারই খারাপ মনে হয়েছে, সেটা হলো রেডি পিকাপ। যদিও শহরে চালানোর জন্য এটা যে রেডি পিকাপ আছে তা যথেষ্ট। কিন্তু একবার ঢাকা-কুমিল্লা হাইওয়েতে রেডি পিকাপ কম থাকায় সমস্যায় পরেছিলাম। তখন মনে হয়েছে এটার রেডি পিকাপ আরও একটু বেশি হলে ভালো হত। আসলে আমার কাছে বাইক হচ্ছে একটা আলাদা ইমোশন। যা প্রয়োজন মেটানোর সাথে নিজের স্বপ্ন পুরনের মাধ্যম। তাই লিখাটি অনেক বড় হয়ে গেলো। পরিশেষে এটাই বলব, সবাই সাবধানে রাইড করবেন এবং প্রয়োজনীয় সেফটি ইকুইপমেন্ট পরিধান করবেন। সৃষ্টিকর্তা আপনাদের সকলের স্বপ্ন পুরণ করতে সহায়তা প্রদান করুক। ধন্যবাদ সবাইকে কষ্ট করে রিভিউটি পড়ার জন্য।
Yamaha FZS V3 ABS BS4
It is a very comfortable bike,It's control is very strong.Nice Looking.
Yamaha FZS FI Double Disc
I used this bike since 2021. It’s a very comfortable and fuel-efficient bike for a long drive. The mileage is around 52kmpl on all types of roads.