Verified reviews from Yamaha EV owners. Know the pros and cons from real riders.
Yamaha FZS FI Double Disc
I buy bike for smooth journey.Best side of my bike controlling. My bike braking and Comfort ness so good.After sales service so well.
Yamaha FZS V3 ABS BS4
I get decent mailage and cimfort from fzs v3. And fabulous breaking system.
Yamaha FZS FI Double Disc
*** Ami safe ride korte posondo kori.. ai karone Yamaha FZS Fi Abs V3 Matte Red bike ta niyesi.jehetu red tai ar nam diyesi Lallu..onek positive review dekhar por ata kinesi. *** ai bike tir valo dik holo - looks , design , comfort, control, breaking , mileage.. *** ar kharap dik holo atar headlight ar alo onek kom...turning radiance aktu beshi, body build quality aro valo hote parto..ar parts ar dam beshi. *** ABS performance valo ase.. mileage 40 plus , breaking & control sei level ar. *** after sale service valo ase.. ami akta free service koresi yamaha theke..jehetu official bike ami 5 ta free service passi... oder service valo maner...free service ai karone kono khoroch hoy nai...*** overall ai bike ta niye ami happy..
Yamaha FZS FI Double Disc
আমার জীবনের প্রথম বাইক চালানো শেখা পালসার ১৫০সিসি দিয়ে। আমি যখন ক্লাস ৮ পড়তাম তখন বাইকের প্রেমে পড়ে যাই। বাইক চালাতে না পারলেও বাইকে উঠে বসে থাকতাম,ছোট ছিলাম, বাইকে বসে ঠিকমতো পা দিয়ে মাটি ছুঁতে পারতাম না। তাও প্রচন্ড বাইক চালানোর ইচ্ছা ছিল। একদিন বড় ভাইকে নিয়ে সাহস করে বাইক নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম, সবকিছু আগে থেকেই জানা ছিল তার জন্য প্রথম দিনে বাইক বাইক চালাতে পেরেছি। আস্তে আস্তে পুরো পরি চালানো শিখে গেলাম। জীবনের প্রথম বাইক চালানোর অভিজ্ঞতা ছিল অসাধারণ। বাইকিং ভালোবাসার কয়েকটি কারণ এর মধ্যে অন্যতম কারণ হচ্ছে বাইকিং এর মধ্যে রয়েছে স্বাধীনতা। যা অন্য কোন কিছুর মধ্যে নেই। আপনি চাইলেই বাইক যেভাবে চাইবেন সেভাবেই চলবে, আসতে চাইলে আসতে চলবে, দ্রুত চাইলে দ্রুত চলবে। যখন যা ইচ্ছা তাই করা জায় বাইক নিয়ে। আমি একাকী ভ্রমন করতে ভালোবাসি তার জন্যও বাইক আমার কাছে খুব প্রিয়। যখন আমার বয়স 18 হয় তখন বাইক নেওয়ার খুব ইচ্ছা ছিল। কিন্তু এক বাপের এক ছেলে হওয়ার কারণে বাসা থেকে বাদ দিতে চাইত না। তাও বাবাকে রাজি করিয়ে বাইক নেওয়ার চিন্তা করি। কিন্তু কোন বাইক নিব তা সিলেক্ট করা ছিল না। অনেক ভাই ব্রাদার এর পরামর্শ নিয়ে Yamaha ব্রান্ডের বাইক নেয়ার সিদ্ধান্ত নেই। ইয়ামাহা ব্র্যান্ডের বাইক বেছে নেওয়ার কারণ কম্ফোর্টেবল, মাইলেজ বেশি, সকলের পছন্দ, পার্টস শোরুমে পাওয়া যায়, সার্ভিস শোরুমে করা যায়, কোন জায়গায় ঘুরতে হয় না। 2019 সালে Yamaha FZS V2 Double Disk বাইকটি ডিসেম্বর মাসে 2 লক্ষ 65 হাজার টাকা দিয়ে ইয়ামাহা শোরুম থেকে ক্রয় করি। FZS V2 Double Disk যেদিন ক্রয় করেছি তার আগের রাতে ঘুম হয়নি। শুধু চিন্তা করেছি কখন সকাল হবে। সকাল হওয়ার পর আব্বুকে নিয়ে গাজীপুর ইয়ামাহা শোরুম ইয়ে বাইক এর জন্য প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র, টাকা জমা দিয়ে বাইকটি ক্রয় করি। প্রথম নিজের বাইকটি চালানোর অভিজ্ঞতা ছিল অসাধারণ যা কখনো ভোলার নয়। মনের ভিতরে একটা অন্যরকম তৃপ্তি কাজ করতেছিল। বাইকটি ছিল FZS V2 Double Disk,fi Engine,self Start, Comfortable Suspension, looking Gorgeous, Amazing Tyres. আমি প্রতিদিন কলেজে যাও আশা জন্য কয়েকটি ব্যবহার করতাম। ফ্যামিলি বাইক হওয়ার কারণে বন্ধুদেরকে নিয়ে ঘুরতাম। সবাইকে সবার কাছে সাহায্য করতাম। বাইকটি ব্যবহার করে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ইমার্জেন্সি কাজ সহজেই করা যেত। বিশেষ করে মাইলেজের কারণে বেশি বেশি চালানো হতো কোন সমস্যা হতো না। আমি গাজীপুর ইয়ামাহা শোরুম থেকে বাইকটি ক্রয় করার জন্য বাইক টির এক বছরে পাঁচবার ফ্রি সার্ভিস করিয়েছি। FZS V2 Double Disk যখন নতুন নতুন ক্রয় করি তখন মাইলেজ খুবই কম পেতাম 35km থেকে 37km এর মধ্যে। কিন্তু বাইকটি যখন 2500km রানিং হয়, তারপর থেকে আস্তে আস্তে মাইলেজ বাড়তে শুরু করে, আমার গাড়ির 35 হাজার কিলোমিটার চলেছে বাইরের 40 থেকে 45 পাই। FZS V2 Double Disk আমার অনেক শখের ছিল, তার জন্য খুবই যত্ন করেছি, প্রথম এক বছর আমি গোসল করলে বাইকে অবসর করিয়ে দিতাম। বাইকের নিয়মিত চেইন ওয়াশ করতাম। সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতাম। আমি প্রথম পাঁচ হাজার কিলোমিটার ইয়ালুব 10w40 ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করেছি,500 টাকা ইঞ্জিন অয়েল ক্রয় করে তা দিয়ে 700 কিলোমিটার চালাতাম। তারপর থেকে Motul 7100 Full Synthetic 10w40 ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করি, 1100 টাকা দিয়ে ক্রয় করে 2500km থেকে 3000km চালাই। এক কথায় আমি মোটল ইঞ্জিন অয়েলের ফ্যান, যেমনি স্মুথ, তেমনি হাই কোয়ালিটি। আমি প্রথম ব্রেক প্যাড চেঞ্জ করি 7 হাজার কিলোমিটার, দ্বিতীয়বার ব্রেক প্যাড চেঞ্জ করি 12 হাজার কিলোমিটার,তৃতীয়বার ব্রেক প্যাড চেঞ্জ করি 22 হাজার কিলোমিটার,চতুর্থবার চেঞ্জ করি 35 হাজার কিলোমিটার এ, চেইন সেট চেঞ্জ করি 17 হাজার কিলোমিটার, সামনে এবং পেছনের টায়ার চেঞ্জ করি 24 হাজার কিলোমিটার এ। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ছোট খাটো সামনে-পিছনে বিয়ারিং, হাইড্রোলিক এবং ক্লাস কে বল চেঞ্জ করেছি। FZS V2 Double Disk প্রথম 7 হাজার কিলোমিটার চালানোর সময় টপ ইস্পিড 114 ছিল। তারপর 17 হাজার কিলোমিটার এর সময় সাজেক ভ্রমণ করি তখন বাইকের টপ ইস্পিড ছিল 119। কিন্তু বর্তমানে বাইকটি 35 হাজার কিলোমিটার চালানোর পরেও বাইকটির 124 টপ ইস্পিড পাই। FZS V2 Double Disk এর পাঁচটি ভালো দিক: ১.বাইকটি খুবই কমফর্টেবল। ২.বাইকের মাইলেজ বেশি। ৩.বাইকটি দিয়ে লং ট্যুর খুবই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করা যায়। ৪. বাইকটির কন্ট্রোলিং খুবই ভালো। ৫.ব্রেকিং সিস্টেম খুবই ভালো। FZS V2 Double Disk এর পাঁচটি খারাপ দিক: ১.বাইকটির টপ স্পিড কম। ২.ক্লাসপ্লেট দ্রুত শেষ হয়ে যায়। ৩.টায়ার দ্রুত শেষ হয়ে যায়। ৪.চেইন সেট দ্রুত ক্ষয় হয়ে যায়। ৫. বাইকটির হেড লাইটের আলো খুবই কম। FZS V2 Double Disk দিয়ে আমি 5 টির উপর এ Long Tour করেছি। তার মধ্যে অন্যতম হলো সাজেক ভ্রমণ,উত্তরবঙ্গ ভ্রমণ, সিলেট ভ্রমণ, কক্সবাজার ভ্রমণ, খুলনা ভ্রমণ। সাজেক যাওয়ার সব বাইকার এর জন্য স্বপ্ন, সেই স্বপ্ন পূরণ করেছি এই বাইকটি দিয়ে, সাজেকের আঁকাবাঁকা পথ আমার কাছে খুবই মনমুগ্ধকর, বিশেষ করে যখন সাজেকের প্রথম চোরা দেখা যায় তখনকার আনন্দটা যারা দিয়েছে তারাই বুঝবে। মেঘের সমুদ্র দিয়ে সূর্য ওঠা। পাহাড় দেখে পরে চলে গিয়েছিলাম কক্সবাজার সমুদ্রের পাড়ে লোনা জলে। মেরিন ড্রাইভ রোড আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। বাইকে ভ্রমণ করে আমি খুবই আনন্দ পাই। আমার কাছে মনে হয় বাইক আমার রক্তের সাথে মিশে গিয়েছে। FZS V2 Double Disk নিয়ে আমার মতামত হল কেউ যদি ফ্যামিলি বাইক নিতে চাই তাহলে Fzs V2 Double Disk বাইকটি সেরা। FZS V2 Double Disk মাইলেজ কম্ফর্ট ব্রেকিং সিস্টেম সবকিছু মিলিয়ে একটি অসাধারণ বাইক। বাইকটি তে তেমন কোন বড় ধরনের সমস্যা সমস্যা হয় না। টপ ইস্পিড বাদে বাইকটি
Yamaha FZS FI Double Disc
আমার নাম দেওয়ান মোহাম্মদ শোয়াইব হোসেন, আমার বয়স 21 বছর, আমার বাসা গাজীপুর, কোনাবাড়ী। বর্তমানে যে বাইকটি ব্যবহার করি তা হল Fzs V2 Double Disk, বাইকটি আমি 35 হাজার কিলোমিটার চালিয়েছি। আমার জীবনের প্রথম বাইক চালানো শেখা পালসার ১৫০সিসি দিয়ে। আমি যখন ক্লাস ৮ পড়তাম তখন বাইকের প্রেমে পড়ে যাই। বাইক চালাতে না পারলেও বাইকে উঠে বসে থাকতাম,ছোট ছিলাম, বাইকে বসে ঠিকমতো পা দিয়ে মাটি ছুঁতে পারতাম না। তাও প্রচন্ড বাইক চালানোর ইচ্ছা ছিল। একদিন বড় ভাইকে নিয়ে সাহস করে বাইক নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম, সবকিছু আগে থেকেই জানা ছিল তার জন্য প্রথম দিনে বাইক বাইক চালাতে পেরেছি। আস্তে আস্তে পুরো পরি চালানো শিখে গেলাম। জীবনের প্রথম বাইক চালানোর অভিজ্ঞতা ছিল অসাধারণ। বাইকিং ভালোবাসার কয়েকটি কারণ এর মধ্যে অন্যতম কারণ হচ্ছে বাইকিং এর মধ্যে রয়েছে স্বাধীনতা। যা অন্য কোন কিছুর মধ্যে নেই। আপনি চাইলেই বাইক যেভাবে চাইবেন সেভাবেই চলবে, আসতে চাইলে আসতে চলবে, দ্রুত চাইলে দ্রুত চলবে। যখন যা ইচ্ছা তাই করা জায় বাইক নিয়ে। আমি একাকী ভ্রমন করতে ভালোবাসি তার জন্যও বাইক আমার কাছে খুব প্রিয়। যখন আমার বয়স 18 হয় তখন বাইক নেওয়ার খুব ইচ্ছা ছিল। কিন্তু এক বাপের এক ছেলে হওয়ার কারণে বাসা থেকে বাদ দিতে চাইত না। তাও বাবাকে রাজি করিয়ে বাইক নেওয়ার চিন্তা করি। কিন্তু কোন বাইক নিব তা সিলেক্ট করা ছিল না। অনেক ভাই ব্রাদার এর পরামর্শ নিয়ে Yamaha ব্রান্ডের বাইক নেয়ার সিদ্ধান্ত নেই। ইয়ামাহা ব্র্যান্ডের বাইক বেছে নেওয়ার কারণ কম্ফোর্টেবল, মাইলেজ বেশি, সকলের পছন্দ, পার্টস শোরুমে পাওয়া যায়, সার্ভিস শোরুমে করা যায়, কোন জায়গায় ঘুরতে হয় না। 2019 সালে Yamaha FZS V2 Double Disk বাইকটি ডিসেম্বর মাসে 2 লক্ষ 65 হাজার টাকা দিয়ে ইয়ামাহা শোরুম থেকে ক্রয় করি। FZS V2 Double Disk যেদিন ক্রয় করেছি তার আগের রাতে ঘুম হয়নি। শুধু চিন্তা করেছি কখন সকাল হবে। সকাল হওয়ার পর আব্বুকে নিয়ে গাজীপুর ইয়ামাহা শোরুম ইয়ে বাইক এর জন্য প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র, টাকা জমা দিয়ে বাইকটি ক্রয় করি। প্রথম নিজের বাইকটি চালানোর অভিজ্ঞতা ছিল অসাধারণ যা কখনো ভোলার নয়। মনের ভিতরে একটা অন্যরকম তৃপ্তি কাজ করতেছিল। বাইকটি ছিল FZS V2 Double Disk,fi Engine,self Start, Comfortable Suspension, looking Gorgeous, Amazing Tyres. আমি প্রতিদিন কলেজে যাও আশা জন্য কয়েকটি ব্যবহার করতাম। ফ্যামিলি বাইক হওয়ার কারণে বন্ধুদেরকে নিয়ে ঘুরতাম। সবাইকে সবার কাছে সাহায্য করতাম। বাইকটি ব্যবহার করে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ইমার্জেন্সি কাজ সহজেই করা যেত। বিশেষ করে মাইলেজের কারণে বেশি বেশি চালানো হতো কোন সমস্যা হতো না। আমি গাজীপুর ইয়ামাহা শোরুম থেকে বাইকটি ক্রয় করার জন্য বাইক টির এক বছরে পাঁচবার ফ্রি সার্ভিস করিয়েছি। FZS V2 Double Disk যখন নতুন নতুন ক্রয় করি তখন মাইলেজ খুবই কম পেতাম 35km থেকে 37km এর মধ্যে। কিন্তু বাইকটি যখন 2500km রানিং হয়, তারপর থেকে আস্তে আস্তে মাইলেজ বাড়তে শুরু করে, আমার গাড়ির 35 হাজার কিলোমিটার চলেছে বাইরের 40 থেকে 45 পাই। FZS V2 Double Disk আমার অনেক শখের ছিল, তার জন্য খুবই যত্ন করেছি, প্রথম এক বছর আমি গোসল করলে বাইকে অবসর করিয়ে দিতাম। বাইকের নিয়মিত চেইন ওয়াশ করতাম। সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতাম। আমি প্রথম পাঁচ হাজার কিলোমিটার ইয়ালুব 10w40 ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করেছি,500 টাকা ইঞ্জিন অয়েল ক্রয় করে তা দিয়ে 700 কিলোমিটার চালাতাম। তারপর থেকে Motul 7100 Full Synthetic 10w40 ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করি, 1100 টাকা দিয়ে ক্রয় করে 2500km থেকে 3000km চালাই। এক কথায় আমি মোটল ইঞ্জিন অয়েলের ফ্যান, যেমনি স্মুথ, তেমনি হাই কোয়ালিটি। আমি প্রথম ব্রেক প্যাড চেঞ্জ করি 7 হাজার কিলোমিটার, দ্বিতীয়বার ব্রেক প্যাড চেঞ্জ করি 12 হাজার কিলোমিটার,তৃতীয়বার ব্রেক প্যাড চেঞ্জ করি 22 হাজার কিলোমিটার,চতুর্থবার চেঞ্জ করি 35 হাজার কিলোমিটার এ, চেইন সেট চেঞ্জ করি 17 হাজার কিলোমিটার, সামনে এবং পেছনের টায়ার চেঞ্জ করি 24 হাজার কিলোমিটার এ। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ছোট খাটো সামনে-পিছনে বিয়ারিং, হাইড্রোলিক এবং ক্লাস কে বল চেঞ্জ করেছি। FZS V2 Double Disk প্রথম 7 হাজার কিলোমিটার চালানোর সময় টপ ইস্পিড 114 ছিল। তারপর 17 হাজার কিলোমিটার এর সময় সাজেক ভ্রমণ করি তখন বাইকের টপ ইস্পিড ছিল 119। কিন্তু বর্তমানে বাইকটি 35 হাজার কিলোমিটার চালানোর পরেও বাইকটির 124 টপ ইস্পিড পাই। FZS V2 Double Disk এর পাঁচটি ভালো দিক: ১.বাইকটি খুবই কমফর্টেবল। ২.বাইকের মাইলেজ বেশি। ৩.বাইকটি দিয়ে লং ট্যুর খুবই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করা যায়। ৪. বাইকটির কন্ট্রোলিং খুবই ভালো। ৫.ব্রেকিং সিস্টেম খুবই ভালো। FZS V2 Double Disk এর পাঁচটি খারাপ দিক: ১.বাইকটির টপ স্পিড কম। ২.ক্লাসপ্লেট দ্রুত শেষ হয়ে যায়। ৩.টায়ার দ্রুত শেষ হয়ে যায়। ৪.চেইন সেট দ্রুত ক্ষয় হয়ে যায়। ৫. বাইকটির হেড লাইটের আলো খুবই কম।
Yamaha Ray ZR 125 Fi
Within the budget range my Ray ZR 125 is the best in terms of looks & design, performance & control. Happy to have this.
Yamaha Saluto
My bike is comfy and very nimble. You can easily cut through the tough traffic jam of Dhaka. I have bought it to commute to my office and home. It met my purpose. And like every bike if you commute through the traffic jam of Dhaka, the mileage will drop. And that's what happened with me too. Sometime I had to use pickup more then usual to save time. I got around 40km mileage.
Yamaha Saluto
I have been using this for last 2 years. Total 14k km running. Today I am gonna share my experience. This is not a full review. Rather my experience and what I felt. My bike comfy and very nimble. You can easily cut through the tough traffic jam of Dhaka. I have bought it to commute to my office and home. It met my purpose. And like every bike if you commute through the traffic jam of Dhaka, the mileage will drop. And that's what happened with me too. Sometime I had to use pickup more then usual to save time. I got around 40km mileage. But some of my known users got more then 60km. So yes it depends. Now the build quality is average. My Fuel meter got dysfunctional after two months. Whenever I go to Paltan service centre of Yamaha, they would fix it to work only for 1 hour top. The tire quality of CEAT is not that good. I don't have complain about the size of these tire. and its power output is a bit low then its competitor but its torque is pretty high and It won't let you feel the power deference between other same segment bikes. And lastly braking and control. Yamaha have a name for these. And they kept it very good on this beginner level bike. Braking and control is fantastic. So overall I will recommend this bike to any person who is over 5.5" and need good mileage to daily commute.
Yamaha Ray ZR 125 Fi
So comfortable foot rester.easy to ride with pillion.controlling & breaking system also very satisfying.