Verified reviews from Yamaha EV owners. Know the pros and cons from real riders.
Yamaha FZS FI Double Disc
Very smooth engine, just awesome controlling and brakeing
Yamaha FZS V3 ABS BS4
Just need to enhance its torque.
Yamaha FZS V3 ABS BS4
এফজি ভি৩, একটা আস্থার নাম। ৩ বছরে ২৭০০০ কিলো পারি দেয়ার পথে একবারের জন্যও ধোকা দেয়নি। মাইলেজ সিটিতে ৩৫+ এবং হাইওয়েতে ৪০+ পাই। যেহেতু আমি একজন ট্রাভেলার, তাই বাংলাদেশের প্রায় ৬২ জেলায় তাকে নিয়ে ঘুরা হয়েছে। কমফোর্ট ও ব্রেকিং এর জন্য বেস্ট একটি বাইক। স্পেয়ার পার্টস এর দাম মোটামুটি অন্যান্য দোকানের তুলনায় সার্ভিস সেন্টারে একটু বেশি। আমার বাইক মবিল ১ ইঞ্জিন অয়েল দিয়ে প্রায় ২০০০ কিলো চলে। এই ৩ বছরে মেজর কোন পার্টস বদলানোর প্রয়োজন পড়ে নি। মোট কথা ইয়ামাহা এফজি ভার্সন ৩ এ আমি পুরাপুরি সন্তুষ্ট।
R15 V3 Indian Version Dual ABS
this is my most favourite bike in 150cc segment
Yamaha FZS FI Double Disc
It is most comfortable bike of Yamaha.
Yamaha FZS V3 ABS BS4
আমার নাম দেওয়ান মোহাম্মদ শোয়াইব হোসেন, আমার বয়স 21 বছর, আমার বাসা গাজীপুর, কোনাবাড়ী। বর্তমানে যে বাইকটি ব্যবহার করি তা হল Fzs V2 Double Disk, বাইকটি আমি 35 হাজার কিলোমিটার চালিয়েছি। আমার জীবনের প্রথম বাইক চালানো শেখা পালসার ১৫০সিসি দিয়ে। আমি যখন ক্লাস ৮ পড়তাম তখন বাইকের প্রেমে পড়ে যাই। বাইক চালাতে না পারলেও বাইকে উঠে বসে থাকতাম,ছোট ছিলাম, বাইকে বসে ঠিকমতো পা দিয়ে মাটি ছুঁতে পারতাম না। তাও প্রচন্ড বাইক চালানোর ইচ্ছা ছিল। একদিন বড় ভাইকে নিয়ে সাহস করে বাইক নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম, সবকিছু আগে থেকেই জানা ছিল তার জন্য প্রথম দিনে বাইক বাইক চালাতে পেরেছি। আস্তে আস্তে পুরো পরি চালানো শিখে গেলাম। জীবনের প্রথম বাইক চালানোর অভিজ্ঞতা ছিল অসাধারণ। বাইকিং ভালোবাসার কয়েকটি কারণ এর মধ্যে অন্যতম কারণ হচ্ছে বাইকিং এর মধ্যে রয়েছে স্বাধীনতা। যা অন্য কোন কিছুর মধ্যে নেই। আপনি চাইলেই বাইক যেভাবে চাইবেন সেভাবেই চলবে, আসতে চাইলে আসতে চলবে, দ্রুত চাইলে দ্রুত চলবে। যখন যা ইচ্ছা তাই করা জায় বাইক নিয়ে। আমি একাকী ভ্রমন করতে ভালোবাসি তার জন্যও বাইক আমার কাছে খুব প্রিয়। যখন আমার বয়স 18 হয় তখন বাইক নেওয়ার খুব ইচ্ছা ছিল। কিন্তু এক বাপের এক ছেলে হওয়ার কারণে বাসা থেকে বাদ দিতে চাইত না। তাও বাবাকে রাজি করিয়ে বাইক নেওয়ার চিন্তা করি। কিন্তু কোন বাইক নিব তা সিলেক্ট করা ছিল না। অনেক ভাই ব্রাদার এর পরামর্শ নিয়ে Yamaha ব্রান্ডের বাইক নেয়ার সিদ্ধান্ত নেই। ইয়ামাহা ব্র্যান্ডের বাইক বেছে নেওয়ার কারণ কম্ফোর্টেবল, মাইলেজ বেশি, সকলের পছন্দ, পার্টস শোরুমে পাওয়া যায়, সার্ভিস শোরুমে করা যায়, কোন জায়গায় ঘুরতে হয় না। 2019 সালে Yamaha FZS V2 Double Disk বাইকটি ডিসেম্বর মাসে 2 লক্ষ 65 হাজার টাকা দিয়ে ইয়ামাহা শোরুম থেকে ক্রয় করি। FZS V2 Double Disk যেদিন ক্রয় করেছি তার আগের রাতে ঘুম হয়নি। শুধু চিন্তা করেছি কখন সকাল হবে। সকাল হওয়ার পর আব্বুকে নিয়ে গাজীপুর ইয়ামাহা শোরুম ইয়ে বাইক এর জন্য প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র, টাকা জমা দিয়ে বাইকটি ক্রয় করি। প্রথম নিজের বাইকটি চালানোর অভিজ্ঞতা ছিল অসাধারণ যা কখনো ভোলার নয়। মনের ভিতরে একটা অন্যরকম তৃপ্তি কাজ করতেছিল। বাইকটি ছিল FZS V2 Double Disk,fi Engine,self Start, Comfortable Suspension, looking Gorgeous, Amazing Tyres. আমি প্রতিদিন কলেজে যাও আশা জন্য কয়েকটি ব্যবহার করতাম। ফ্যামিলি বাইক হওয়ার কারণে বন্ধুদেরকে নিয়ে ঘুরতাম। সবাইকে সবার কাছে সাহায্য করতাম। বাইকটি ব্যবহার করে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ইমার্জেন্সি কাজ সহজেই করা যেত। বিশেষ করে মাইলেজের কারণে বেশি বেশি চালানো হতো কোন সমস্যা হতো না। আমি গাজীপুর ইয়ামাহা শোরুম থেকে বাইকটি ক্রয় করার জন্য বাইক টির এক বছরে পাঁচবার ফ্রি সার্ভিস করিয়েছি। FZS V2 Double Disk যখন নতুন নতুন ক্রয় করি তখন মাইলেজ খুবই কম পেতাম 35km থেকে 37km এর মধ্যে। কিন্তু বাইকটি যখন 2500km রানিং হয়, তারপর থেকে আস্তে আস্তে মাইলেজ বাড়তে শুরু করে, আমার গাড়ির 35 হাজার কিলোমিটার চলেছে বাইরের 40 থেকে 45 পাই। FZS V2 Double Disk আমার অনেক শখের ছিল, তার জন্য খুবই যত্ন করেছি, প্রথম এক বছর আমি গোসল করলে বাইকে অবসর করিয়ে দিতাম। বাইকের নিয়মিত চেইন ওয়াশ করতাম। সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতাম। আমি প্রথম পাঁচ হাজার কিলোমিটার ইয়ালুব 10w40 ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করেছি,500 টাকা ইঞ্জিন অয়েল ক্রয় করে তা দিয়ে 700 কিলোমিটার চালাতাম। তারপর থেকে Motul 7100 Full Synthetic 10w40 ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করি, 1100 টাকা দিয়ে ক্রয় করে 2500km থেকে 3000km চালাই। এক কথায় আমি মোটল ইঞ্জিন অয়েলের ফ্যান, যেমনি স্মুথ, তেমনি হাই কোয়ালিটি। আমি প্রথম ব্রেক প্যাড চেঞ্জ করি 7 হাজার কিলোমিটার, দ্বিতীয়বার ব্রেক প্যাড চেঞ্জ করি 12 হাজার কিলোমিটার,তৃতীয়বার ব্রেক প্যাড চেঞ্জ করি 22 হাজার কিলোমিটার,চতুর্থবার চেঞ্জ করি 35 হাজার কিলোমিটার এ, চেইন সেট চেঞ্জ করি 17 হাজার কিলোমিটার, সামনে এবং পেছনের টায়ার চেঞ্জ করি 24 হাজার কিলোমিটার এ। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ছোট খাটো সামনে-পিছনে বিয়ারিং, হাইড্রোলিক এবং ক্লাস কে বল চেঞ্জ করেছি। FZS V2 Double Disk প্রথম 7 হাজার কিলোমিটার চালানোর সময় টপ ইস্পিড 114 ছিল। তারপর 17 হাজার কিলোমিটার এর সময় সাজেক ভ্রমণ করি তখন বাইকের টপ ইস্পিড ছিল 119। কিন্তু বর্তমানে বাইকটি 35 হাজার কিলোমিটার চালানোর পরেও বাইকটির 124 টপ ইস্পিড পাই। FZS V2 Double Disk এর পাঁচটি ভালো দিক: ১.বাইকটি খুবই কমফর্টেবল। ২.বাইকের মাইলেজ বেশি। ৩.বাইকটি দিয়ে লং ট্যুর খুবই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করা যায়। ৪. বাইকটির কন্ট্রোলিং খুবই ভালো। ৫.ব্রেকিং সিস্টেম খুবই ভালো। FZS V2 Double Disk এর পাঁচটি খারাপ দিক: ১.বাইকটির টপ স্পিড কম। ২.ক্লাসপ্লেট দ্রুত শেষ হয়ে যায়। ৩.টায়ার দ্রুত শেষ হয়ে যায়। ৪.চেইন সেট দ্রুত ক্ষয় হয়ে যায়। ৫. বাইকটির হেড লাইটের আলো খুবই কম। FZS V2 Double Disk দিয়ে আমি 5 টির উপর এ Long Tour করেছি। তার মধ্যে অন্যতম হলো সাজেক ভ্রমণ,উত্তরবঙ্গ ভ্রমণ, সিলেট ভ্রমণ, কক্সবাজার ভ্রমণ, খুলনা ভ্রমণ। সাজেক যাওয়ার সব বাইকার এর জন্য স্বপ্ন, সেই স্বপ্ন পূরণ করেছি এই বাইকটি দিয়ে, সাজেকের আঁকাবাঁকা পথ আমার কাছে খুবই মনমুগ্ধকর, বিশেষ করে যখন সাজেকের প্রথম চোরা দেখা যায় তখনকার আনন্দটা যারা দিয়েছে তারাই বুঝবে। মেঘের সমুদ্র দিয়ে সূর্য ওঠা। পাহাড় দেখে পরে চলে গিয়েছিলাম কক্সবাজার সমুদ্রের পাড়ে লোনা জলে। মেরিন ড্রাইভ রোড আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। বাইকে ভ্রমণ করে আমি খুবই আনন্দ পাই। আমার কাছে মনে হয় বাইক আমার রক্তের সাথে মিশে গিয়েছে। FZS V2 Double Disk নিয়ে আমার মতামত হল কেউ যদি ফ্যামিলি বাইক নিতে চাই তাহলে Fzs V2 Double Disk বাইকটি সেরা। FZS V2 Double Disk মাইলেজ কম্ফর্ট ব্রেকিং সিস্টেম সবকিছু মিলিয়ে একটি অসাধারণ বাইক। বাইকটি তে তেমন কোন বড় ধরনের সমস্যা সমস্যা হয় না। টপ ইস্পিড বাদে বাইকটি
Yamaha FZS FI Double Disc
আমার নাম রাকিব, আমার বয়স ২০ বছর, আমার বাসা গাজীপুর, কোনাবাড়ী। বর্তমানে যে বাইকটি ব্যবহার করি তা হল Fzs V2 Double Disk, বাইকটি আমি ১৪ হাজার কিলোমিটার চালিয়েছি। আমার জীবনের প্রথম বাইক চালানো শেখা পালসার ১৫০সিসি দিয়ে। আমি যখন ক্লাস ৮ পড়তাম তখন বাইকের প্রেমে পড়ে যাই। বাইক চালাতে না পারলেও বাইকে উঠে বসে থাকতাম,ছোট ছিলাম, বাইকে বসে ঠিকমতো পা দিয়ে মাটি ছুঁতে পারতাম না। তাও প্রচন্ড বাইক চালানোর ইচ্ছা ছিল। একদিন বড় ভাইকে নিয়ে সাহস করে বাইক নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম, সবকিছু আগে থেকেই জানা ছিল তার জন্য প্রথম দিনে বাইক বাইক চালাতে পেরেছি। আস্তে আস্তে পুরো পরি চালানো শিখে গেলাম। জীবনের প্রথম বাইক চালানোর অভিজ্ঞতা ছিল অসাধারণ। বাইকিং ভালোবাসার কয়েকটি কারণ এর মধ্যে অন্যতম কারণ হচ্ছে বাইকিং এর মধ্যে রয়েছে স্বাধীনতা। যা অন্য কোন কিছুর মধ্যে নেই। আপনি চাইলেই বাইক যেভাবে চাইবেন সেভাবেই চলবে, আসতে চাইলে আসতে চলবে, দ্রুত চাইলে দ্রুত চলবে। যখন যা ইচ্ছা তাই করা জায় বাইক নিয়ে। আমি একাকী ভ্রমন করতে ভালোবাসি তার জন্যও বাইক আমার কাছে খুব প্রিয়। যখন আমার বয়স 18 হয় তখন বাইক নেওয়ার খুব ইচ্ছা ছিল। কিন্তু এক বাপের এক ছেলে হওয়ার কারণে বাসা থেকে বাদ দিতে চাইত না। তাও বাবাকে রাজি করিয়ে বাইক নেওয়ার চিন্তা করি। কিন্তু কোন বাইক নিব তা সিলেক্ট করা ছিল না। অনেক ভাই ব্রাদার এর পরামর্শ নিয়ে Yamaha ব্রান্ডের বাইক নেয়ার সিদ্ধান্ত নেই। ইয়ামাহা ব্র্যান্ডের বাইক বেছে নেওয়ার কারণ কম্ফোর্টেবল, মাইলেজ বেশি, সকলের পছন্দ, পার্টস শোরুমে পাওয়া যায়, সার্ভিস শোরুমে করা যায়, কোন জায়গায় ঘুরতে হয় না। 2019 সালে Yamaha FZS V2 Double Disk বাইকটি ডিসেম্বর মাসে 2 লক্ষ 65 হাজার টাকা দিয়ে ইয়ামাহা শোরুম থেকে ক্রয় করি। FZS V2 Double Disk যেদিন ক্রয় করেছি তার আগের রাতে ঘুম হয়নি। শুধু চিন্তা করেছি কখন সকাল হবে। সকাল হওয়ার পর আব্বুকে নিয়ে গাজীপুর ইয়ামাহা শোরুম ইয়ে বাইক এর জন্য প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র, টাকা জমা দিয়ে বাইকটি ক্রয় করি। প্রথম নিজের বাইকটি চালানোর অভিজ্ঞতা ছিল অসাধারণ যা কখনো ভোলার নয়। মনের ভিতরে একটা অন্যরকম তৃপ্তি কাজ করতেছিল। বাইকটি ছিল FZS V2 Double Disk,fi Engine,self Start, Comfortable Suspension, looking Gorgeous, Amazing Tyres. আমি প্রতিদিন কলেজে যাও আশা জন্য কয়েকটি ব্যবহার করতাম। ফ্যামিলি বাইক হওয়ার কারণে বন্ধুদেরকে নিয়ে ঘুরতাম। সবাইকে সবার কাছে সাহায্য করতাম। বাইকটি ব্যবহার করে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ইমার্জেন্সি কাজ সহজেই করা যেত। বিশেষ করে মাইলেজের কারণে বেশি বেশি চালানো হতো কোন সমস্যা হতো না। আমি গাজীপুর ইয়ামাহা শোরুম থেকে বাইকটি ক্রয় করার জন্য বাইক টির এক বছরে পাঁচবার ফ্রি সার্ভিস করিয়েছি। FZS V2 Double Disk যখন নতুন নতুন ক্রয় করি তখন মাইলেজ খুবই কম পেতাম 35km থেকে 37km এর মধ্যে। কিন্তু বাইকটি যখন 2500km রানিং হয়, তারপর থেকে আস্তে আস্তে মাইলেজ বাড়তে শুরু করে, আমার গাড়ির 35 হাজার কিলোমিটার চলেছে বাইরের 40 থেকে 45 পাই। FZS V2 Double Disk আমার অনেক শখের ছিল, তার জন্য খুবই যত্ন করেছি, প্রথম এক বছর আমি গোসল করলে বাইকে অবসর করিয়ে দিতাম। বাইকের নিয়মিত চেইন ওয়াশ করতাম। সব সময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতাম। আমি প্রথম পাঁচ হাজার কিলোমিটার ইয়ালুব 10w40 ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করেছি,500 টাকা ইঞ্জিন অয়েল ক্রয় করে তা দিয়ে 700 কিলোমিটার চালাতাম। তারপর থেকে Motul 7100 Full Synthetic 10w40 ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করি, 1100 টাকা দিয়ে ক্রয় করে 2500km থেকে 3000km চালাই। এক কথায় আমি মোটল ইঞ্জিন অয়েলের ফ্যান, যেমনি স্মুথ, তেমনি হাই কোয়ালিটি। আমি প্রথম ব্রেক প্যাড চেঞ্জ করি 7 হাজার কিলোমিটার, দ্বিতীয়বার ব্রেক প্যাড চেঞ্জ করি 12 হাজার কিলোমিটার,তৃতীয়বার ব্রেক প্যাড চেঞ্জ করি 22 হাজার কিলোমিটার,চতুর্থবার চেঞ্জ করি 35 হাজার কিলোমিটার এ, চেইন সেট চেঞ্জ করি 17 হাজার কিলোমিটার, সামনে এবং পেছনের টায়ার চেঞ্জ করি 24 হাজার কিলোমিটার এ। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ছোট খাটো সামনে-পিছনে বিয়ারিং, হাইড্রোলিক এবং ক্লাস কে বল চেঞ্জ করেছি। FZS V2 Double Disk প্রথম 7 হাজার কিলোমিটার চালানোর সময় টপ ইস্পিড 114 ছিল। তারপর 17 হাজার কিলোমিটার এর সময় সাজেক ভ্রমণ করি তখন বাইকের টপ ইস্পিড ছিল 119। কিন্তু বর্তমানে বাইকটি 35 হাজার কিলোমিটার চালানোর পরেও বাইকটির 124 টপ ইস্পিড পাই। FZS V2 Double Disk এর পাঁচটি ভালো দিক: ১.বাইকটি খুবই কমফর্টেবল। ২.বাইকের মাইলেজ বেশি। ৩.বাইকটি দিয়ে লং ট্যুর খুবই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করা যায়। ৪. বাইকটির কন্ট্রোলিং খুবই ভালো। ৫.ব্রেকিং সিস্টেম খুবই ভালো। FZS V2 Double Disk এর পাঁচটি খারাপ দিক: ১.বাইকটির টপ স্পিড কম। ২.ক্লাসপ্লেট দ্রুত শেষ হয়ে যায়। ৩.টায়ার দ্রুত শেষ হয়ে যায়। ৪.চেইন সেট দ্রুত ক্ষয় হয়ে যায়। ৫. বাইকটির হেড লাইটের আলো খুবই কম। FZS V2 Double Disk দিয়ে আমি 5 টির উপর এ Long Tour করেছি। তার মধ্যে অন্যতম হলো সাজেক ভ্রমণ,উত্তরবঙ্গ ভ্রমণ, সিলেট ভ্রমণ, কক্সবাজার ভ্রমণ, খুলনা ভ্রমণ। সাজেক যাওয়ার সব বাইকার এর জন্য স্বপ্ন, সেই স্বপ্ন পূরণ করেছি এই বাইকটি দিয়ে, সাজেকের আঁকাবাঁকা পথ আমার কাছে খুবই মনমুগ্ধকর, বিশেষ করে যখন সাজেকের প্রথম চোরা দেখা যায় তখনকার আনন্দটা যারা দিয়েছে তারাই বুঝবে। মেঘের সমুদ্র দিয়ে সূর্য ওঠা। পাহাড় দেখে পরে চলে গিয়েছিলাম কক্সবাজার সমুদ্রের পাড়ে লোনা জলে। মেরিন ড্রাইভ রোড আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে। বাইকে ভ্রমণ করে আমি খুবই আনন্দ পাই। আমার কাছে মনে হয় বাইক আমার রক্তের সাথে মিশে গিয়েছে। FZS V2 Double Disk নিয়ে আমার মতামত হল কেউ যদি ফ্যামিলি বাইক নিতে চাই তাহলে Fzs V2 Double Disk বাইকটি সেরা। FZS V2 Double Disk মাইলেজ কম্ফর্ট ব্রেকিং সিস্টেম সবকিছু মিলিয়ে একটি অসাধারণ বাইক। বাইকটি তে তেমন কোন বড় ধরনের সমস্যা সমস্যা হয় না। টপ ইস্পিড বাদে বাইকটি
Yamaha MT 15
Before purchasing my second bike, Yamaha MT-15, I did a rigorous research. I visited several websites, asked in Bikebd facebook community and sought advice from the experts. And after 10,000 KM riding on this beast, I think I made the best choice. Yamaha MT-15 is an all-rounder bike with great breaking and control. I am getting around 45km per liter, which I think is good enough in the city. Even though it doesn’t have ready pickup, I believe it's okay with me. I can't compromise the look, mileage and controlling for the ready-pickup, Can I? I went to service center 3 times. First time I just went there to do a basic servicing to ensure my bike is okay. In the second time, I went there as I hit a van and broke the parking light. In my 8000 km, I went to servicing center for changing some small parta like drum rubber, clutch cable etc. It's true that the price of accessories is a bit higher. But its also true that one doesn’t need to buy parts or accessories in every month if they care their bike. Better bike. No, it's the beast.
Yamaha FZS FI Double Disc
Ilovemy bike It's my best partner 4years passing with this beast
Yamaha FZS V3 ABS BS4
Without tank broken problems.others ok