Verified reviews from TVS EV owners. Know the pros and cons from real riders.
New TVS Apache RTR 160 4V
আমি রবিউল হাসান হৃদয়।আজ আমি আপনাদের কাছে আমার বর্তমান সময়ের সবচেয়ে প্রিয় বাইক Apache RTR 160 4V নিয়ে ১৫০০০হাজার কিলোমিটারের কথা শেয়ার করব। আমার বাইক বর্তমানে ১৫০০৭কিঃমি রানিং। আমি সাভার জেলায় থাকি এবং এটি শখের বশে ও কলেজে যাওয়ার জন্য কিনা।প্রতিটা ছেলের ই ছোটবেলা থেকে বাইকের প্রতি ভালোবাসা থাকে। ঠিক তেমনি ভাবে আমারও বাইকের প্রতি ভালোবাসা ছিল।। বাইকিং জগতে ধরতে গেলে আমি একদম নতুন। আমার এই অল্প বয়সে, অল্প সময়ে, বেশি কারো ভালোবাসা না পেলেও যে কয়জনের পেয়েছি, অনেক ভালো পেয়েছি।যেটা আমাকে আরো বাইকিং কে ভালোবাসতে শিখিয়েছে। যদিও ছোট থেকে আমার নির্দিষ্ট কোন বাইকের প্রতি ভালোবাসার ছিলোনা। কিন্তু বর্তমান সময়ের বাংলাদেশের কিছু ভালো বাইকের মধ্যে, নিজের সাধ্যের মধ্যে একটি বাইক ক্রয় করব। অনেক বাইকের লুকস পারফরম্যান্স মাইলেজ টপ স্পিড নিয়ে ঘাটাঘাটি করে TVs Apache RTR 160 4vবাইক ক্রয় করি।এই বাইকটি আমি ঘটনাচক্রে সিংগাইর থানা জামশা উপজেলা TVS showroom থেকে ক্রয় করি।। আসলে আমার এখনও বিশ্বাস হয় না আমি বাইকটি ক্রয় করেছি। আমি বাসায় প্রতিনিয়ত বাইকের কথা বলতাম প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়ার কারণে বাইকটি কিনে দেয়নি। একদিন রাতে বাবা ফোন দিয়ে বললো তোমার কোন বাইক পছন্দ।তখন আমি আমার পছন্দের বাইকটির নাম আর কালারের কথা বলি।তার তিনদিন পর বাবা ঠিক দুপুর 3:27 মিনিটেআমাকে ফোন করে এবং বাইক আনার জন্য যাইতে বলে।যেমুহুর্ত টা ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে খুশির মুহূর্ত। আমি বাইকটি হাতে পাই রাতে।তখন নিজেই বাইক রাইড করে বাসায় আসি।কিন্তু একটা মজার বিষয় হচ্ছে আমাকে আমার বাবা বাইক কেনার পরে ফুল ট্যানক তেল ভরে দেয়নি।কারণটা হচ্ছিল একটু হাসির, কারণ বাবা জানতো বাইকে যতক্ষণ তেল থাকবে ততক্ষণ বাইক চালাবো।তাই আমাকে 500 টাকার তেল ভরে দিয়েছিল।যাতে তেলের চিন্তা করে বাইক বাসা থেকে কম বের করি। TVS Apache RTR 160 বাইকটিতে আছে সম্পূর্ণ ডিজিটাল মিটার,১২লিটার ফুয়েল ট্যাংক।১৩০/৭০/১৭ সেকশন পেছনের টায়ার এবং ৯০/৭০/১৭ সেকশন সামনের টায়ার।বাইকটি ডাবল ডিস্কের বাইক।লোকমুখে ব্রেক নিয়ে অনেক কথা শুনলেও আমার কাছে ব্যক্তি গত ভাবে ভাল মনে হয়েছে, আর এই বাইকটির ইনিশিয়াল পাওয়ার আমাকে অনেক মুগ্ধ করেছে।। আমি আমার বাইকটি TVS authorised সার্ভিস পয়েন্ট দক্ষ মেকানিক দ্বারা কাজ করায় এবং প্রতি মাসে বাইক চেকাপ করাই,এবং ট্যুরের আগে ও পরে বাইকটি কে মাস্টার সার্ভিস করাই।। মাইলেজের কথা বলতে গেলে আমার প্রথম ৩০০০কিঃমি তুরি সিটি ও হাইওয়ে তে২৫-২৮ পেয়েছি প্রতি লিটারে।কিন্তু তারপর থেকে আলহামদুলিল্লাহ সিটি ও হাইওয়েতে৩৮-৪০ কিঃমি পাই।। প্রতি ১২০০/১৫০০ কিঃমি পর পরTVs কম্পানি রেকমেন্ড 10w30 গ্রেট এর মতুল ইঞ্জিন ওয়েল ব্যবহার করি।। যদিও বাইকের হেডলাইটের আলোকম,হাইওয়ে তে রাতে পর্যাপ্ত আলো পাওয়া যায় না,তবুও কিছু কারণ বসত হেডলাইট পরিবর্তন করা হয়নি। আমি প্রতি ২৫০০-৩০০০ কিঃমি পর পর এয়ার ফিল্টার পরিবর্তন করি এবং প্রতি ২বার মবিল ড্রেন দেওয়ার সময় মবিল ফিল্টার পরিবর্তন করি, এছাড়াও তিনবার স্পার্ক প্লাগ পরিবর্তন করি। বাইক ঠিকমত মেইনটেনেন্স করার কারণে এখনো বড় কোন প্রবলেম হয়নি। এছাড়া এখনো চেইন সেট পরিবর্তন করতে হয়নি। শুধু একবার 12 হাজার কিলোমিটার পর সামনের চেইন স্পোকেট পরিবর্তন করি। বাইকের কিচ্ছু ভালো দিকঃ- ১,লুক্স ২,ইনিসিয়াল পিকাপ ৩,প্রসস্ত টায়ার ৪,১২ লিটারের ফুয়েল ট্যাংক ৫, বাইকের কিচ্ছু খারাপ দিকঃ- ১,স্টক টায়ার ২,হেড লাইটের আলো কম ৩,মাইলেজ ৪,সাইলেন্সার ৫,ওবার হিট আমি আমার বাইক নিয়ে দেশের অনেক জাগায় ঘুরেছি।ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, নেত্রকোনা,দুর্গাপুর, টাঙ্গাইল,নাটোর,বগুড়া, চট্টগ্রাম, বান্দরবান, কক্সবাজার, টেকনাফ আরো অনেক জায়গায় ঘুরেছি। কিন্তু বাইকটি আমাকে কখনো হতাশ করেনি। খুব ভালো পারফর্মেন্স পেয়েছি।।। বাইকটি স্টক টায়ার হেডলাইট এবং সাইলেন্সার পাইপ নষ্ট হওয়া এবং প্রথম অবস্থায় মাইলেজ নিয়ে আমাকে অনেক হতাশ করেছে। এছাড়া আলহামদুলিল্লাহ বাইকটি আমাকে আর কোন প্রকার হতাশ করেনি।।। TVS Apache RTR 160 4v বাইকটি বর্তমান সময়ের সবচেয়ে রেডি পিকআপ ও সুন্দর লুকস হওয়ায় সকল প্রকার বয়সের যুবকদের অনেক পছন্দ হয়ে থাকে। আর সাবধানতার সাথে বাইক রাইড না করার কারণে দুর্ঘটনা ঘটে থাকে, যার কারণে বাংলাদেশের বহুল আলোচিত দুর্ঘটনা প্রবন বাইক হিসেবে পরিচিত হয়ে থাকে। সবার উচিত ভালো মানের হেলমেট ও রাইডিং গিয়ার পরে বাইক রাইড করা। এতক্ষণ আমার লেখাটা পড়ার জন্য ধন্যবাদ।। লিখেছেন মোঃ রবিউল হাসান হৃদয়।।
TVS Apache RTR 160 Single Disc
ছোট থেকেই স্বপ্ন ছিল আমার একটা বাইক হোক।মধ্যবিত্ত আর মায়ের একটা ধারণা ছিল বাইকে প্রচুর লোক এক্সিডেন্ট হয় তাই পরিবার থেকে একটা বাধা আসে বাইক না কিনে দেয়ার জন্য। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণ করার লক্ষ্যে কাজ করে যাই অনবরত। সাধ্যের মধ্যে একটি বাইক নেই হোন্ডা লিভো। বছরখানেক চালাতে চালাতে ১১০ সিসি থেকে ১৫০ সিসি তে রূপান্তর করার ইচ্ছাটা মনে মনে চলে আসে তারপর থেকে শুরু হয় সংগ্রাম। পড়াশোনার পাশাপাশি লিভো বাইক দিয়ে পাঠাও চালিয়ে একটু একটু করে জমিয়ে কিনে নেই অ্যাপাচি আরটিআর 4v। বেশ কিছুদিন পূর্বে চালানোর পর কক্সবাজার ট্যুর থেকে আসার সময় একটা অ্যাক্সিডেন্ট করি, তারপর অ্যাপাচি আরটিআর 4v বাইক টি বিক্রি করে সুজুকি জিক্সার ডাবল ডিস্ক টি নেই। সপ্তাহখানেক চালানোর পর কেন যেন মনে হলো আমি সুজুকি তে কম্ফর্ট না। তাই সপ্তাহখানেক এর মধ্যে সুজুকি বিক্রি করে আবারও আরটিআর 160 সিসি বাইক টি নিয়ে নেই। তবে ওই মুহূর্তে বাজেট বেশি থাকতে অ্যাপাচি আরটিআর 4v নিতাম। যাইহোক রেডি পিকআপ, স্পিড, মাইলেজ পার্স এবিলিটি সবকিছু মিলিয়ে সুজুকি জিক্সার এর চেয়ে আরটিআর 160 সিসি পারফরম্যান্স আমার কাছে বেশি পছন্দের মনে হল। তারপর থেকেই আর কোন বাইক চেঞ্জ করা হয়নি। অ্যাপাচি আরটিআর 160 বাইকটি আমাকে কখনো নিরাশ করেনি, যেমন মাইলেজ তেমন দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দিচ্ছে বাইকটি। আমি বাইক টি নিয়ে খুব খুশি। বাইকটির ভালো দিকের চেয়ে খারাপ দিকগুলো আমার ততটা চোখে লাগেনি , তবে বাইকটির একটি খারাপ দিক না বললেই নয়, প্রচুর ভাইব্রেশন আছে এই বাইকটিতে, তাছাড়া উচ্চ গতিতে বাইকটি মনে হয় কন্ট্রোল হারিয়ে যাবে এ চিন্তা ধারা মাথায় কাজ করে। এটা অবশ্য আমাকে খুব বেশি কড়া নাড়ে না কারণ আমি স্পিড রাইট করিনা। ব্রেকিং নিয়ে সবার মাথা ব্যথা থাকলেও আমার নেই কারণ আমি বাইক রাইড করতে ভালোবাসি পাল্লাপাল্লি করতে না। তাই আরটিআর ওই ব্রেকিং আমার খুব বেশি প্রবলেম হয় না। খরচের দিক থেকেও আরটিআর আমার কাছে ঊর্ধ্বে থাকবে এই সেগমেন্টের ব্যাংকগুলোর মধ্যে কেননা আরটিআর এর পার্টস এবিলিটি যেমন অনেক ভালো ঠিক তেমনি দীর্ঘস্থায়ী। এককথায় সাধ্যের মধ্যে যতো টুকু সুখ পাওয়া যায় সবকিছু কাছে আমার এই মধ্যবিত্ত ঘোড়া টিতে। আমি আমার মধ্যবিত্ত ঘোড়াটিকে নিয়ে আমি অনেক ভালো আছি । আলহামদুলিল্লাহ
TVS Apache RTR 160 Single Disc
**নানান বয়সে সময়ের সাথে রুচিবোধের যেই পরিবর্তন সংঘটিত হয়,তা খুবই প্রাকৃতিক।ঠিক তেমনই বাস্তবতার মানদণ্ড মেপে ঠিক ৩/৪ বছর পূর্বের অপূরণীয় শখ কে বর্তমানে আগলে রাখার ও এক বিশেষ তৃপ্ততা আছে।রংয়ে ঢংয়ে আর সাহিত্যিকতার আলোকেই এইটাই ছিলো আমার অভিজ্ঞতা। *****ভালো দিক - ১.মনের যেই দুর্বার ছুটতে চাওয়ার গতি তার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারা যায় এর এক্সিলারেটর এর সাথে। ২.এর ট্যাংক শেপ আর চোখের মতন অনবদ্য হেডলাইট ডিজাইন। ৩. স্পেয়ার পার্টস এভেইলএবিলিটি। খারাপ দিক - ১.মাত্রাতিরিক্ত ভাইব্রেশন, ২.কুলিং সিস্টেম, ৩. বল রেসার কার্যকারিতার জটিলতা । **মাইলেজ - সিটি - ৩৩-৩৫ হাইওয়ে - ৪০-৪২ (পিলিয়ন সহ) , পিকআপ আর কম্ফোর্টনেস অসাধারণ, এ নিয়ে কমপ্লেইন করার কোনো অবকাশই নেই। ব্রেকিং আলহামদুলিল্লাহ মোটামুটি ভালোই। অন্যান্যরা যতটা খারাপ বলে তা না। **আফটার সেলস সার্ভিস আর খরচ দুটোই সন্তোষজনক।
TVS Apache RTR 160 2V Single Disc
Ame mone kore eta speed er dik thake ai price e boss
New TVS Apache RTR 160 4V
Very good comfortable bike.Breaking good.mileage good
TVS Apache RTR 160 4V Single DIsc
Overall good buy need to upgrade control sys
TVS Apache RTR 160 4V Single DIsc
বাইকটি দাম অনুযায়ী অনেক কিছু দিয়েছে টিভিএস।লুকিং,স্পিড। শুধু ব্রেকাটা আরেকটু ইম্প্রুভ করা লাগবে।
TVS Apache RTR 160 Single Disc
এই বাইকটার ব্রেকিং এবং কন্ট্রোল সিস্টেম টা যদি ভালো হতো এই রেঞ্জের অন্যান্য বাইকের তুলনায় এইটা বেস্ট ছিলো। রেডি পিকাপ হওয়ায় রিভেঞ্জ পাওয়া যায় ওভারটেকে। এইটার নাম দিয়েছি এনা পরিবহন।