Verified reviews from TVS EV owners. Know the pros and cons from real riders.
New TVS Apache RTR 160 4V
আস-সালামুআলাইকুম। আমি সাকিবুল ইসালাম ।বাড়ি গাজীপুর জেলার। আমি টংগি সরকারি কলেজ এর ৩য় বর্ষের ছাত্র। বয়স ২৪ বছর। ছোটবেলা থেকেই বাইকের প্রতি আগ্রহটা একটু বেশি।আমার জীবনে প্রথম বাইক চালানোর হাতে খড়ি হয় Hero Hunk 150cc দিয়ে,যখন আমি ৫ম র্শ্রেনীতে পড়তাম। অত:পর মামার Bajaj pulsar 150cc বাইকটি দিয়েই বাইক চালানোর কৌশল গুলো আয়ত্ত করেছি এবং চালিয়েছি টানা 1 বছর। অতঃপর APACHI RTR 150, এবং বর্তমানে #APACHE_RTR_160_4v চালাচ্ছি।আজ 4V বাইকটি সম্পর্কে আমার Review সবার সাথে শেয়ার করব,কোন ভুলত্রুটি হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইল। TVS APACHI RTR 160 4V বাইক টি অমি ক্রয় করি 175000 টাকা দিয়ে বাংলামোটর Badsha Motors থেকে 30শে মে ২০১৯। বাইকটি সম্পর্কে বিস্তারিত গেলে আমি প্রথমেই বলব এর ইঞ্জিন সম্পর্কে। বাংলাদেশে ১৬০ সিসি সেগমেন্টের সবচেয়ে শক্তিশালী ইঞ্জিল এতে সংযোজন করা হয়েছে, যেখানে দেয়া হয়েছে 4V টেকনোলজি। ফলে বাইকটি চালিয়ে আমি অধিকতর কম্ফোর্ট ফিল করছি এবং ১ম,২য়,৩য় গিয়ার রেসিও অমাকে রীতিমত অবাক করেছে। কন্ট্রোলিংঃ সামনে ডিক্স ব্রেক ও পিছনের ড্রাম ব্রেক। পিছনে চাকা ১১০ সাইজের হওয়ায় এর কন্ট্রোলিং সিস্টেম ও এক্তু খারাপ মনে হয়েছে। 4V এর ডিজাইন ও বডি গ্রাফিক্স RTR সিরিজের অন্য মডেল গুলোথেকে একটু ভিন্ন।যেখানে ফুয়েল ট্যাংক এর ডিজাইন আামার কাছে সবচেয়ে ভাল লেগেছে,ভাল লেগেছে বডি কিট ও অন্যান্য গ্রাফিক্স। মাইলেজঃ বাইকটিতে এভারেজ মাইলেজ নতুন অবস্থায় ৩৫+ কিমি মাইলেজ পেয়েছি। আশাকরছি ২০০০ কিমি চালানোর পর তা ৩৮/৪০ কিমি মাইলেজ পাই। টপ স্পিড ঃ বাইকটি নতুন অবস্থায় থাকার কারনে এটিতে টপ স্পিড তোলা সম্ভব হয়নি।তবে ০-৬০ তুলেছিলাম ৬ সেকেন্ডে। রেডি পিকআপঃ বাইকটির রেডি পিকআপ অত্যন্ত ভাল।এর রেডি পিকআপে আমি সন্তুষ্ট। বাইকটির বিল্ট কোয়ালিটি অত্যন্ত ভাল মনে হয়েছে, কারন এর সম্পূর্ন বডিতে একটি স্পোর্টিং লুক দেয়া হয়েছে।যা এর প্রতি ভাল লাগার অন্যতম কারন। বাইকটিতে কোন ধরনের ভাইব্রেশন আমি অনুভব করিনি। বরং এতে মনোশক এবজরবার ব্যবহার করার ফলে কম্ফোর্ট লেভেল আরও বেড়েছে। বাইকটিতে সম্পূর্ন ডিজিটাল মিটার ব্যবহার করা হয়েছে।যা আমার কাছে ভাল লেগেছে। সার্ভিস সেন্টরঃযেহেতু বাইকটি এখনো TVS এর কোন সার্ভস সেন্টারে নিয়ে যাইনি সেহেতু সার্ভিস নিয়ে কোন মন্তব্য করতে চাই না।তবে পূর্বের অভিজ্ঞতা থেকে বলব,ঢাকার বাইরেরে সার্ভিস সেন্টার গুলোর মান আরও উন্নত করা প্রয়োজন। বাইটিতে জ্বালানি হিসেবে আমি ব্যবহার করছি অকটেন এবং ইন্জিন লুব হিসেবে ব্যবহার করছি Shell Advance 10W40 গ্রেডের সেমিসিনথেটিক লুবরিকেন্ট। নেগেটিভ সাইড সম্পর্কে বলতে হলে প্রথমেই বলব এর এর টেল লেম্প সম্পর্কে।যা আর একটু ভাল হওয়া উচিৎ ছিল।যেখানে একই সেগমেন্টের হরনেটে এক্স সেপ দেয়া হয়েছে। কার্বোরেটর ভার্সনে কোন গিয়ার ইন্ডিকেটর নেই। টায়ার গ্রিপ গুলো আরও উন্নত করা প্রয়োজন ছিল। মন্তব্যঃ আমি মনেকরি এই বাজেটের মধ্যে সবচেয়ে আধুনিক এবং উন্নত টেকনোলজি সমৃদ্ধ বাইক এটি।যদিও খুটিনাটি ভাল -মন্দ বিষয় নিয়ে মন্তব্য করা যায় না তবুও যতটুকো চালিয়েছি আমার কাছে মনে হয়েছে বাইকটি আমাকে ভাল সার্ভিস দিচ্ছে। ধন্যবাদ
TVS Apache RTR 160 4V Single DIsc
ওভারঅল বাইকটি সব দিক থেকেই পারফেক্ট । যারা পারফরমেন্স লাভার তাদের জন্য এই বাজেট এর একটি বেস্ট বাইক বলে আমি মনে করি। ব্রেকিং এর দিক থেকে একটু পিছিয়ে থাকলেও ভালো অভিজ্ঞ রাইডারের কোনো রকম সমস্যা হবে বলে মনে হয়না।আর বর্তমানে তাদের abs version এর বাইক আছে যার ব্রেকিং আগের থেকেও অনেক বেটার। কিছু কিছু ছোট সমস্যা রয়েছে যেমন এক্সহুষ্ট ফেটে যাওয়া। কোম্পানি ওয়ারেন্টি এর মাধ্যমে চেঞ্জ করে নিউ দিয়ে দেয় তাই আর কোনো সমস্যায় পরতে হয়না। এক কথায় বেস্ট ডিল।
TVS Apache RTR 160 4V Single DIsc
আমার বাইকের নাম Apache Rtr 4v abs। আমি আমার বাইক নিয়ে চট্টগ্রাম শহরের বাহিরে ট্যুর দিয়েছি। এখনো আমাকে আমার বাইক হতাস করে নি। আমি চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার হয়ে টেকনাফ ট্যুর দি আমার এই 4v দিয়ে। Abs ব্রেক হয়ায় আমার ব্রেকিং কনফিডেন্সে আরো বারিয়ে দেয়।আমি আমার 4v বাইক টা দিয়ে ৮ ঘন্টায় সর্বোচ্চ ৩২৬ কিলোমিটার চালিয়েছি। এতে আলহামদুলিল্লাহ কোন সমস্যায় পড়তে হয় নি।
TVS Apache RTR 160 2V Single Disc
আমার বাইকের নাম Apache Rtr 4v abs। আমি আমার বাইক নিয়ে চট্টগ্রাম শহরের বাহিরে ট্যুর দিয়েছি। এখনো আমাকে আমার বাইক হতাস করে নি। আমি চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার হয়ে টেকনাফ ট্যুর দি আমার এই 4v দিয়ে। Abs ব্রেক হয়ায় আমার ব্রেকিং কনফিডেন্সে আরো বারিয়ে দেয়।আমি আমার 4v বাইক টা দিয়ে ৮ ঘন্টায় সর্বোচ্চ ৩২৬ কিলোমিটার চালিয়েছি। এতে আলহামদুলিল্লাহ কোন সমস্যায় পড়তে হয় নি।
TVS Apache RTR 160 4V Single DIsc
আসসালামুওয়ালাইকুম, আশা করি সকলেই ভালো আছেন, আমিও ভালো আছি আল্লাহ্’র রহমতে, আজকে আমি টিভিএস অ্যাপাচি আরটিআর 4v বাইক টার আমার ইউজার এক্সপেরিয়েন্স এবং একটা শর্ট রিভিউ তুলে ধরব আপনাদের মাঝে । টিভিএস অ্যাপাচি আরটিআর 4v বাইক টা আমি গত ১০ মাস যাবত আমার প্রতিদিনের রাইডিং পার্টনার হিসেবে ব্যবহার করছি এবং এই রিভিউ দেওয়া কালীন সময় পর্যন্ত 7400 কিলোমিটার পর্যন্ত এই বাইকটা আমি চালিয়েছি। এই 7400 কিলোমিটার রাইডিং এর মধ্যে ঢাকা থেকে কুমিল্লা, কুমিল্লা থেকে ঢাকা একবার, ঢাকা থেকে ময়মনসিংহ, মানসিংহ থেকে ঢাকা একবার, এবং ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর থানা সেখানে দুইবার যাতায়াত করা হয়েছে। প্রত্যেকেরই বাইক নির্বাচনের ক্ষেত্রে তার ব্যক্তিগত পছন্দ এবং চাহিদা থাকে। সবার চাহিদা ও পছন্দ এক রকম থাকে না, একেকজনের চাহিদা একেক রকম। ঠিক তেমনি আমার ব্যক্তিগত যেই উদ্দেশ্য এবং চাহিদা ছিল এই বাইকটা আমার সেই চাহিদার অনেকটাই পূরণ করতে পেরেছে। আমি যেহেতু একজন ব্যবসায়ী সেহেতু আমাকে বিভিন্ন জায়গায় যেতে হয়, সেইজন্য আমার দরকার ছিল একটি পাওয়ারফুল বাইক যেটা দিয়ে আমি খুব দ্রুত ও সহজেই ঢাকা সিটিতে চলাচল করতে পারব এবং বাইকটি আমাকে ভালো কনফিডেন্স দিবে সেইসাথে ভালো মাইলেজ। এই বাইকটা আমার নেয়ার যেই উদ্দেশ্যগুলো ছিল, আলহামদুলিল্লাহ আমি এখনো পর্যন্ত শুধুমাত্র মাইলেজের দিক বাদ দিয়ে বাকি সব কিছুতেই স্যাটিসফাই। প্রথমেই খারাপ দিকগুলো বলছি, এই বাইকের প্রথম এবং প্রধান যে খারাপ দিক সেটা হচ্ছে এই বাইক টার মাইলেজ, আর এই একটা দিক নিয়েই আমি অসন্তুষ্ট তা ছাড়া বাকি সব দিকেই এই বাইকটা আমাকে সন্তুষ্ট করতে পেরেছে। এই বাইকটা থেকে আমি ঢাকা সিটিতে 27 থেকে 28 এভারেজ মাইলেজ এবং ঢাকার বাইরে হাইওয়েতে 30 থেকে 31 এভারেজ মাইলেজ পেয়েছি যদিও কোম্পানি ক্লেইম করছে এই বাইকটার মাইলেজ 40 থেকে 45 কিলোমিটার কিন্তু বাস্তবে আমার কাছে প্রাপ্ত মাইলেজ ছিল সর্বচ্চো ৩১ কিলোমিটার পার লিটার। এই বাইকটা পরবর্তী খারাপ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এই বাইকটার চাকা, সামান্য পানি কিংবা বালি পেলেই টাকাটা প্রচন্ড স্কিড করে যেটা আপনি যদি খুব ভালোমতো বাইকটাকে হ্যান্ডেল করতে না পারলে বা আপনি যদি নতুন রাইডার হন সেক্ষেত্রে আপনাকে বেশ ভালোরকম ভোগান্তিতে পড়তে হবে। এই বাইকের ব্রেকিং সিস্টেম টা আমার কাছে মনে হয়েছে আরো বেশি ইমপ্রুভ করা প্রয়োজন কারণ এই বাইকটা যেইভাবে গতি তুলতে সক্ষম সেইভাবে বাইকটিকে থামাতে সক্ষম না। এই বাইকটিতে সাইড স্ট্যান্ড কোন ইন্ডিকেটর মিটারের দেওয়া নেই, এইটা কিন্তু এক্সকানেক্ট এবং মিটারের যথেষ্ট পরিমান ভালো ভালো ফিচার দেওয়া রয়েছে, কিন্তু আমি জানি না কেন তারা এই ছোট্ট একটি ফিচার দিল না, যেখানে লো বাজেটের এর্ং লোয়ার সিসির যে বাইক গুলো রয়েছে সেখানেও কিন্তু আমরা এই সাইড স্ট্যান্ডের ইন্ডিকেটর টা দেখতে পাই। ব্যক্তিগতভাবে আমি বেশ ভুগেছি এই ফিচারটা না থাকার জন্য। আরো একটি সমস্যা হচ্ছে এই বাইকের মিটার প্রচন্ড বাগ দিয়ে ভরা, বাইক রানিং অবস্থায় যখন এক বা দুই গিয়ারে থাকে তখন নিউট্রালের লাইট জলে থাকে, আবার চার গিয়ার থেকে করে যখন গিয়ার ডাউন করি তখন দেখা যায় নিউটনের লাইট জ্বলে গেছে এই বিষয়টা নিয়ে আমি যখন তাদের সার্ভিস সেন্টারে অভিযোগ করলে তারা আমাকে জানায় তারা এটা চেঞ্জ করে দিবে কিন্তু এখনো পর্যন্ত আমি চেঞ্জ পাইনি। হাইওয়েতে এই বাইকটি রাইড করার সময় ইঞ্জিন হেড এর মাঝের নাটের গোরা থেকে ইঞ্জিন অয়েল লিক করে যেটা আমি সার্ভিস সেন্টারে বলার পর তারা চেষ্টা করেছে দুবার ঠিক করার কিন্তু এখনও পর্যন্ত সেই জিনিসটা সঠিকভাবে কোনো সমাধান হয়নি, আশা করি পরবর্তী সার্ভিসে জিনিসটা তারা ঠিক করতে পারবে। এবারে আমি টিভিএস এর সার্ভিস সেন্টার এবং এই বাইকটার পার্টস না পাওয়া নিয়ে কিছু কথা বলব। আমার বাইকটা 300 কিলোমিটার রান করার পর বাইকের যেই গিয়ার লিভার টা হয়েছে সেই গিয়ার লিভার টা খুলে যায় আমি সেটাতে প্রচন্ড ভয় পেয়ে গেলেও নিজ হাতে লাগিয়ে তারপরে যখন সার্ভিস সেন্টারে যায় তারা সেটা আমাকে ঝালাই করে লাগিয়ে দেয, আমি যখন এটা পরিবর্তন করতে চাইলাম তখন তারা এই পার্টস স্টকে নেই বলে জানায়। এছাড়াও আমার বাইকের পিছনের ফেন্ডার টা বা টায়ার গার্ড সেটা কিছুদিন পর ভেঙে যায়, তারপর থেকে এখনো পর্যন্ত আমি ফেন্ডার টা লাগাতে পারিনি কারণ সেটাও তাদের স্টকে নেই। এত কিছু শোনার পর আপনার কাছে মনে হতে পারে এই বাইকটার বিল্ড কোয়ালিটি হয়তোবা খুবই খারাপ কিন্তু না এই বাইকটা বিল্ড কোয়ালিটি যথেষ্ট পরিমান। হয়তো আমার এই বাইকটা তাদের নির্দিষ্ট এই দুইটা বা তিনটা জিনিস খারাপ ছিল। এছাড়া তেমন বলার মতো কোনো খারাপ জিনিস এই বাইকের আমার নজরে পড়েনি। চলুন এবার দেখে নেয়া যাক এই বাইকে কি কি ভালো জিনিস রয়েছে। প্রথমেই বলতে হবে এই বাইকটার পাওয়ার নিয়ে, এই বাইকটা যথেষ্ট পাওয়ারফুল একটা বাইক পুরো একটা পাওয়ার হাউজ প্যাকেজ। বিশেষ করে এই বাইকের পাওয়াটা আপনি ফিল করতে পারবেন যখন আপনি কোন ব্রিজে বা ওভার ব্রিজে উঠবেন উঠবেন অথবা কোন বাস কিংবা যেকোন গাড়ি আপনি হাইওয়েতে ওভার টেক করবেন তখন। এই বাইকের দুর্দান্ত পাওয়ার আপনাকে প্রচুর কনফিডেন্স দেবে রাইড করার সময় হাইওয়ে কিংবা সিটিতে। এই বাইকটির কম্ফোর্ট নিয়ে কথা বলতে গেলে আমার কাছে প্রথমেই যেটা মনে হয়, এই বাইকটা বেশ ভালো আরামদায়ক একটা বাইক। বিশেষ করে আমার উচ্চতা যেহেতু 5 ফিট 9 ইঞ্চি তাই এই বাইকটিও বেশ উঁচু হবার কারণে কখনো আমার ব্যাক পেইন ফিল হয়নি ইভেন আমি যখন হাইওয়েতে চালিয়েছি। এই বাইকটির পিলিয়ন সিট টিও বেশ আরামদায়ক, পুরুষ কিংবা মহিলা যেকোনো পিলিওন পিছনে উঠে বেশ ভালো ফিডব্যাক দিয়েছেন এবং আমি নিজেও যখন পিলিয়ন হিসেবে এই বাইকে বসেছি যথেষ্ট আরাম পেয়েছি। আমার কাছে কখনও মনে হয়নি এই বাইকটি কম্ফর্ট এর দিক থেকে কোন কমতি আছে। বাইকটির লুক আমার কাছে দারুন ভাল লাগে যেটা এই বাইক নেওয়ার পেছনে আমার বড় একটি কারণ ছিল। এই বাইকে যে লুকিং গ্লাস দুটো ব্যবহার করা হয়েছে সেটা যথেষ্ট পরিমাণ বড় যেটা আমাকে খুবই সাহায্য করেছে হাইওয়েতে কিংবা ঢাকা সিটির ভিতর রাইডে। এই বাইকটা কেনার পর আমি সবচাইতে বেশি স্যাটিসফাই যেই বিষয়টাতে সেটা হচ্ছে এই বাইকটার সার্ভিসিং কস্ট। এই বাইকটা সার্ভিসিং চার্জ নেই বললেই চলে। আমার এই 7400 কিলোমিটার জার্নিতে শুধুমাত্র ফুয়েল ইঞ্জিন অয়েল এবং সামনের চাকার ব্রেক প্যাড দুইবার পরিবর্তন করা ছাড়া আর কোন কিছুই করতে হয়নি। এখনো পর্যন্ত তিনবার আমি এই বাইকটি সার্ভিসিং করেছি সেটা টিভিএস থেকে দেওয়া ফ্রি সার্ভিসিং এর আওতায় ছিল এবং আমি খুব ভালো সার্ভিসিং পেয়েছি। আমার বাসা থেকে ইস্কাটনের সার্ভিস সেন্টার কাছে হওয়ায় এবং আমি তাদের একজন রেগুলার কাস্টমার হওয়ায় বরাবরই আমি তাদের কাছ থেকে ভালো সার্ভিস এবং সাপোর্ট পেয়েছি। শুধুমাত্র দ্বিতীয় সার্ভিসটা আমি তেজগাও সার্ভিস সেন্টার থেকে নেই যেখানে আমার মন মত সার্ভিস আমি পাইনি এবং তাদের ব্যবহারও আমার কাছে পছন্দ হয়নি। এই ছিল টিভিএস অ্যাপাচি আরটিআর 4v নিয়ে আমার প্রায় এক বছরের পথচলার আলোকে আমার অভিজ্ঞতা। অভারঅল বলতে গেলে শুধুমাত্র মাইলেজ টা যদি আপনি কম্প্রোমাইজ করতে পারেন তাহলে এটা হতে পারে আপনার জন্য বাজেটের মধ্যে খুবই ভালো একটা বাহন। পরিশেষে আমি কিছু কথা বলতে চাই এই 4v বাইক টা নিয়ে, এটা বেশ পাওয়ারফুল একটা বাইক যার কারণে এই বাইকের উপরে উঠে নিজেকে কন্ট্রোল করাটা বেশ কঠিন হয়ে যায়, আর সে কারণে আমরা দেখি এই বাইক নিয়ে বেশি অ্যাক্সিডেন্ট হয়, বেশ কিছু গ্রুপে ও পেজে এটা নিয়ে ট্রল হয় যে অ্যাপাচি আরটিআর 4v একটু বেশি অ্যাক্সিডেন্ট করে। মূলত এক্সিডেন্ট এর পিছনে বাইক দায়ী বলে আমি বিশ্বাস করিনা, আমি বিশ্বাস করি এক্সিডেন্ট এর পেছনে দায়ী বাইক যে রাইড করছেন তিনি। যেহেতু এটা একটা পাওয়ারফুল বাইক সেতু পর্যাপ্ত অভিজ্ঞতা না থাকলে এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক বা উঠতি তরুণদের এই বাইকটা না কেনার পরামর্শ রইল। সবাই সুস্থ থাকবেন ভালো থাকবেন হেলমেট পরে বাইক চালাবেন, নিরাপদ গতিতে বাইক চালাবেন, সম্ভব হলে আমার ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করবেন, ফেজবুক পেজে লাইক এবং ফলো দিয়ে রাখবেন, সেইসাথে আমার জন্য দোয়া করবেন আল্লাহ হাফেজ। আমার ইউটিউব চ্যানেল https://www.youtube.com/channel/UChkn1ZkoccY0cziRkAQbABw আমার ফেজবুক পেজ https://www.facebook.com/ab.night.rider/
TVS Metro Plus
TVS Metro Plus, everything is good with this bike. I think the bike is a little lighter and I have seen different samosas in the meter of the bike. I like to ride the bike. Besides, the bike is good.
TVS Apache RTR 160 2V Single Disc
Nice performance with little vibration and average mileage.
New TVS Apache RTR 160 4V
Bike Ta Onk Valo Service Dey Sotty Bolte.Eta Chaile Sports Bike Hishebeo Use kora Jabe
New TVS Apache RTR 160 4V
Dual channel abs with fatter front tyre would be better.