CFMOTO Bangladesh - Cool Life Cruising
Our Partners:
Lifan Advertisement
CFMoto Advertisement
BikeBikroy Advertisement
ELF Advertisement

নতুন বাইক ব্যবহারের নিয়ম। কি কি মেনে চলা উচিৎ ? বিস্তারিত

নতুন বাইক ব্যবহারের নিয়ম। কি কি মেনে চলা উচিৎ ? বিস্তারিত
0 Add us on
Arif Raihan Opu
1 Followers
Published: January 02, 2021
Add on
No audio available

নতুন এই বছরে আমরা অনেকেই নতুন বাইক কিনবো, আর নতুন বাইক কেনার পর অনেকেই নতুন বাইক ব্যবহারের নিয়ম সম্পর্কে জানতে চান। আমরা সবাই জানি নতুন কোন বাইক কিনলে আমাদের বেশ কিছু নিয়ম মেনে বাইক চালাতে হয়। 

Also Read: মোটরসাইকেল চালাতে কি কি কাগজ লাগে ? নতুন রাইডারদের জন্য

প্রতিটা বাইকার চায় তার বাইকটা যেনো অনেক ভালো সার্ভিস দেয়। কিন্তু আপনি ভালোভাবে খোজ খবর নিলে দেখতে পাবেন একই মডেলের বাইক একজনেরটা ভালো মাইলেজ দিচ্ছে আবার আরেকজনেরটা কম, কিন্তু এমনটা কেনো হয়?

আপনার বাইক থেকে আপনি কেমন পারফেন্স পাবেন এটা অনেকটা নির্ভর করে আপনি নতুন বাইক ব্যবহারের নিয়ম কতটা মেনে চলেছেন তার উপর। আজ আমরা নতুন বাইক ব্যবহারের নিয়ম নিয়ে আপনাদের সামনে বিস্তারিত আলোচনা করবো।


নতুন বাইক ব্যবহারের নিয়মঃ

১- ইউজার ম্যানুয়াল লক্ষ্য করাঃ

বাইক কেনার পর আমরা অধিকাংশ মানুষ ইউজার ম্যানুয়াল খুলে দেখি না, কিন্তু এই কাজটা করা মোটেও উচিৎ না। বাইক কিনে সবার প্রথমে আপনার বাইকের ইউজার ম্যানুয়ালটি সবার আগে পড়ে দেখুন, আপনি যখন আপনার বাইকের ইউজার ম্যানুয়াল পড়বেন তখন আপনি আপনার বাইকের অনেক খুঁটিনাটি জানতে পারবেন।


আপনার বাইকের চাকায় কতটা হাওয়া রাখা উচিত, আপনার বাইকে কি ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করা উচিৎ এই সব কিছু আপনি আপনার বাইকের ইউজার ম্যানুয়াল থেকে জানতে পারবেন।

২- সঠিক সময়ে ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তনঃ

নতুন বাইকের জন্য এই নিয়মটা মেনে চলা খুব বেশি জরুরী। আপনার বাইক কেনার সময় যে ইঞ্জিন অয়েলটুকু দেয়া হবে ১০০ কি.মি চালিয়ে সেই অয়েলটি ফেলে দিন, অথবা আপনার বাইক কেনার সময় শোরুম থেকে আপনাকে যে নির্দেশনা দেয়া হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। 

২য় ইঞ্জিন অয়েলটি ৫০০ কি.মি পর পরিবর্তন করে ফেলুন। এভাবে আপনার ইউজার মেন্যুয়াল মেনে বাইকের ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করুন।

৩- এক হাতে বাইক ব্যবহার করাঃ

নতুন বাইক কিনে সেটা নিজে ব্যবহার করার চেষ্টা করুন, আমাদের একেক জনের রাইডিং স্টাইল একেক রকম। আপনি বাইকটি নিয়ম মেনে নিজের মতো রাইড করার চেষ্টা করুন। বাইক চালাতে পারে না ভালোমতো এমন কারো হাতে নতুন বাইক না দেয়াটা উত্তম। 


আপনার নতুন বাইকটি যদি  রাফ রাইড করা হয় তাহলে আপনার বাইকে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে। নিজের প্রিয় বাইকটি ভালো রাখতে না বলতে শিখুন, অভিজ্ঞ কারো কাছে বাইক দিলে সমস্যা নেই। বাইকের ব্রেক ব্রেক ইন পিরিয়ড সঠিকভাবে মেনে চলুন।

৪- নিদিষ্ট আরপিএম মেনে বাইক চালানোঃ

প্রতিটা নতুন বাইকের জন্য একটা নিদিষ্ট আরপিএম বলা থাকে। আপনার বাইকটি যখন নতুন অবস্থায় থাকে তখন সেটি অবশ্যই মেনে চলুন। এটি মেনে চললে আপনি আপনার বাইক থেকে আগামীর দিনগুলোতে বেশ ভালো একটা পারফরমেন্স পাবেন। 


আমি আমার কথা বলি, আমি যখন নতুন কোন বাইক ব্যবহার করি তখন সেই বাইকটি ব্রেক ইন পিরিয়ডে থাকাকালীন সময়ে বাইকটি ৫০-৬০ স্পীডে রাইড করি। বাইকে প্রেসার যতটা কম দেয়া যায় সেদিকে লক্ষ্য রাখি।

৫- ভালো মানের ফুয়েল ব্যবহার করাঃ

বাইক নতুন হউক অথবা পুরাতন, সব সময় ভালোমানের ফুয়েল ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। আমাদের বেঁচে থাকার জন্য খাবার যেমন জরুরী ঠিক তেমনি বাইক ভালো রাখার জন্য ভালো মানের ফুয়েল জরুরী। বর্তমানে নতুন যেসব বাইক বাজারে আসছে অধিকাংশ বাইকের জন্য ভালো মানের ফুয়েল খুব দরকার। বাইকের ফুয়েল যদি ভালো হয় তাহলে বাইক থেকে বেশ ভালো পারফরমেন্স পাওয়া যায়।

৬- সময় মতো বাইক সার্ভিসিং করানোঃ

আমাদের মধ্যে এমন অনেকেই আছেন যারা মনে করেন নতুন বাইক আবার কেনো সার্ভিসিং করাবো? কিন্তু এটা আপনার বাইকের জন্য ঠিক না। আপনি যখন বাইক কিনবেন আপনার ওয়ারেন্টি কার্ড বা ইউজার ম্যানুয়ালে দেয়া থাকে কত কি.মি পর পর আপনার বাইকটি সার্ভিসিং করাতে হবে। 


সেই নিয়ম মেনে আপনার বাইকটি সার্ভিসিং করাতে দিন। সার্ভিসিং করালে বাইকে কোন জ্যাম থাকে না বাইকটি ফ্রি থাকে বাইকে থেকে ভালো মাইলেজ পাওয়া যায়। আপনি যদি আপনার বাইক ভালো রাখতে চান তাহলে নতুন বাইক চালানোর নিয়ম মেনে চলুন, আশাকরি আপনি আপনার বাইক থেকে অন্যদের চেয়ে ভালো পারফরম্যান্স পাবেন। 


সব সময় নিয়ন্ত্রিত গতিতে বাইক রাইড করুন, ভালো মানের হেলমেট ব্যবহার করুন। নিজের প্রিয় বাইকটি সব সময় ভালো রাখতে বাইকে অরজিনাল জিনিস ব্যবহার করুন, নকল থেকে সাবধান থাকুন।

টিপস টেকনিক্যাল বিষয়

Discussion 8 Comments