CFMOTO Bangladesh - Cool Life Cruising
Our Partners:
Lifan Advertisement
CFMoto Advertisement
BikeBikroy Advertisement
ELF Advertisement

২০২২ সালে এসেও Yamaha FZS Fi V2 কেন চাহিদার শীর্ষে?

২০২২ সালে এসেও Yamaha FZS Fi V2 কেন চাহিদার শীর্ষে?
0 Add us on
Arif Raihan Opu
1 Followers
Published: May 16, 2022
Add on
No audio available

১ লক্ষ ৪৭ হাজার বর্গকিমি আয়তনের এই দেশটিতে প্রতিনিয়ত বাড়ছে মানুষের সংখ্যা আর এর সরাসরি প্রভাব পরছে দৈনন্দিন পরিবহন ক্ষেত্রে। রাস্তায় বের হলেই মোকাবেলা করতে হয় বাসের লম্বা লাইন। আর তাই পরিবহনের সুবিধার জন্য মানুষ ঝুঁকছেন দুই চাকার দিকে, যেখানে সবার পছন্দের শীর্ষেই রয়েছে কমিউটার মোটরসাইকেল। 


প্রিমিয়াম কমিউটার সেগমেন্টে দীর্ঘদিন থেকে এক প্রকার রাজত্বই করে আসছে Yamaha FZS Fi V2। বাংলাদেশে ইয়ামাহা মোটরসাইকেলের অফিশিয়াল ডিস্ট্রিবিউটর এসিআই মোটরস লিমিটেড এই বাইকটি প্রথম লঞ্চ করে ২০১৭ সালে। কিন্তু ২০২২ সালে এসেও কেন এই বাইকটি চাহিদার শীর্ষে?

রাস্তার অবস্থা, নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা, চলাচলের সহজতা এবং জ্বালানি দক্ষতার কারণে বাংলাদেশে কমিউটার বাইক সবচেয়ে জনপ্রিয়। আর এই জায়গায় Yamaha FZS Fi V2 অন্যান্য প্রতিযোগীদের থেকে অনেকটাই এগিয়ে। এছাড়া এই বাইকটিতে বেশকিছু আধুনিক ফিচার যুক্ত করা হয়েছে যা এই সেগমেন্টের অন্যান্য বাইকে খুব একটা দেখা যায় না। তবে চলুন জেনে নেই কেন এই বাইকটি এর প্রতিযোগী বাইকগুলোর থেকে এগিয়ে এবং এখনও চাহিদার শীর্ষে। 


Also Read: ইয়ামাহা আর১৫ ভি২ নিয়ে রিভিউ


কন্ট্রোল এবং ব্যালেন্সঃ

সহজ কন্ট্রোল এবং ব্যালেন্সের কারনে দৈনন্দিন যাতায়তের জন্য মানুষ কমিউটার মোটরসাইকেল ব্যবহার করেন এবং এই জায়গায় ইয়ামাহা বেশ এগিয়ে। Yamaha FZS Fi V2 এর হ্যান্ডেলবার বেশ কিছুটা উঁচু এবং সোজা যার ফলে এই বাইকটির টার্নিং রেডিয়াস অনেক কম যার ফলে আপনি খুব অল্প জায়গাতেই বাইকটি ঘুরিয়ে ফেলতে পারবেন। 

FZs সিরিজের ২য় প্রজন্মের আই বাইকটি ব্যালেন্সের দিক থেকেও অসাধারণ। আপনি যখন হাই-স্পিডে ব্রেক লিভার চাপ দেবেন তখনও এটি পিছলে যাবে না এবং সহজেই আপনি এটি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারবেন। 


ইঞ্জিনের স্থায়িত্বকালঃ

যেকোন মোটরসাইকেল ৫০-৬০ হাজার কিমি এর মধ্যেই ইঞ্জিনে কোন না কোন মেজর সমস্যা দেখা দেয় বা সার্ভিসিংয়ের প্রয়োজন হয়। কিন্তু ইয়ামাহা এই জায়গায় সবার থেকে এগিয়ে। মূলত Yamaha FZS Fi V2 এর এত চাহিদার অন্যতম প্রধান কারন হল ইঞ্জিনের স্থায়িত্বতা।

ইয়ামাহা তাদের বাইকে BlueCore ইঞ্জিন ব্যবহার করে যেটির পারফর্মেন্স এবং ফুয়েল সাশ্রয়ী ক্ষমতা অনেক বেশি। এটি ফুয়েলের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করে এবং খুব দ্রুতই ইঞ্জিনকে ঠান্ডা করে যার ফলে পাওয়ার লস খুব একটা হয় না বললেই চলে। সঠিক মেইন্টেনেন্স করলে এই ইঞ্জিনটি আপনাকে দীর্ঘদিন একই পারফর্মেন্স দেবে। 

কম্ফোর্টঃ

Yamaha FZS Fi V2 কে বলা হয় কম্ফোর্টের রাজা। এর সিটিং এবং রাইডিং পজিশন তৈরী করা হয়েছে রাইডারদের সর্বোচ্চ কম্ফোর্ট দেওয়ার জন্য। শুধুমাত্র সিটিতেই নয়, বরং লং-রাইডের সময় দীর্ঘক্ষন বাইকটি চালাতে পারবেন। ইমারজেন্সি ব্রেকিংয়ের সময়ও কাঁধ কিংবা কব্জিতে কোন প্রেসার ফিল করবেন না। এছাড়া এর সিটটি বেশভাল মানের কুশন দিয়ে তৈরী করা হয়েছে যেটি বেশ নরম এবং আরামদায়ক।


ফুয়েল সাশ্রয়ীঃ

বর্তমান বিশ্বে হূহূ করে বেড়েই চলেছে জ্বালানি তেলের দাম। তাই মানুষ এমন একটি বাইক কিনতে চায় যেটিতে অনেক বেশি মাইলেজ পাওয়া যাবে।BlueCore ইঞ্জিনের বিশেষত্ব হচ্ছে এটি ফুয়েলের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিতের মাধ্যমে ইঞ্জিনের পাওয়ার লুজ করার প্রবনতা অনেকটাই কমিয়ে ফেলে আর তাই এটি থেকে আপনি বেশ ভাল মাইলেজ পাবেন। 

Also Read: ইয়ামাহা বাইক দাম


স্ট্যান্ডার্ড কমিউটার সেগমেন্টে অন্য যে বাইগুলো রয়েছে তার চেয়ে FZS Fi V2 এর মাইলেজ সবচেয়ে বেশি। বেশকিছু ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে আমরা জানতে পেরেছি তারা এই বাইকটি থেকে গড়ে ৪৪-৪৫ কিমি/লি মাইলেজ পেয়েছেন যা সত্যি অবিশ্বাস্য। 

বিল্ড কোয়ালিটিঃ

জাপানিজ ব্র্যান্ড গুলো তাদের বাইকে অনেক বেশি রিসার্চ এবং ডেভেলপমেন্ট করে থাকে বিধায় তাদের বাইকগুলোর বিল্ড কোয়ালিটি অনেক বেশি টেকসই হয়। প্রত্যেকটি পার্টস তৈরীতে বেশভাল মানের ম্যাটেরিয়ালস ব্যবহার করা হয় যেন সামান্য দূর্ঘটনা বা আঘাতে ভেঙ্গে না যায়। একটু খেয়াল করলেই দেখবেন অন্যান্য যেকোন বাইকের তুলোনায় ইয়ামাহার বাইকের পেইন্ট এবং কালার বেশি টেকসই হয়।


ব্রেকিং এবং টায়ারঃ

Yamaha FZs V2 কমিউটার সেগমেন্টে অন্যতম প্রথম মোটরসাইকেল যেটিতে ১৪০ সেকশনের টায়ার ব্যবহার করা হয়েছিল। যার ফলে এর কর্নারিং, ট্রাকশন ক্ষমতা বেশ ভাল এবং হাই-স্পিডেও বাইকটি অনেক স্ট্যাবল থাকে।

শুরুর দিকে এই বাইকটির সিঙ্গেল ডিস্ক ভার্সন লঞ্চ করা হলেও বর্তমানে এর ডুয়েল ডিস্ক ভার্সনটি বাজারে এভেইলেবল। Lets See FZS V2 Price In BD here.

সেলস সার্ভিসঃ

বাংলাদেশে ইয়ামাহা মোটরসাইকেলের সাফল্যের অন্যতম কারিগর হচ্ছে এসিআই মোটরস লিমিটেড। বাংলাদেশে যেকোন কোম্পানির চেয়ে ইয়ামাহার সেলস আফটার সার্ভিস অনেক বেশি রেস্পন্সিভ। শুধুমাত্র সার্ভিসই নয়, যেকোন পার্টসের প্রয়োজন হলে তাদের সার্ভিস সেন্টারেই পেয়ে যাবেন। বাইকটি ক্রয় করতে আপনার কাছাকাছি ইয়ামাহা শোরুম এ দ্রুত যোগাযোগ করুন।

Also Read: ইয়ামাহা মোটরসাইকেল ঈদ স্পেশাল ক্যাশব্যাক অফার!


Yamaha FZS Fi V2 এমন একটি বাইক যেটি আপনাকে আরামদায়ক রাইডিং, স্মুথ ইঞ্জিন পার্ফরমেন্স এবং শক্তিশালী বেকিং ক্ষমতা প্রদান করবে। এই ফিচারগুলোর কারনে যারা কমিউটার বাইক চালান তাদের পছন্দের তালিকায় এখনও শীর্ষেই রয়েছে এই বাইকটি।

ইয়ামাহা খবর Yamaha Bike price in BD Yamaha FZS v2 price in BD

Discussion 8 Comments