Hero Xoom 125: সিটি কমিউটিংয়ের জন্য হিরোর নতুন স্কুটার
This page was last updated on 31-Mar-2026 12:51pm , By Arif Raihan Opu
শহরে সহজ যাতায়াতের জন্য স্কুটারের জনপ্রিয়তা নতুন নয়। হালকা ওজন, সহজ কন্ট্রোল এবং ব্যবহারিক সুবিধার কারণে দিন দিন এই সেগমেন্টে আগ্রহ বাড়ছে। সেই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি দেশে উন্মোচন হয়েছে Hero Xoom 125, যা লঞ্চের পর থেকেই কমিউটার স্কুটার সেগমেন্টে আলোচনায় রয়েছে।

Hero Xoom 125 ফিচার্স রিভিউ
ডিজাইনের দিক থেকে স্কুটারটি আধুনিক এবং বেশ এগ্রেসিভ। সামনের অংশে ফ্যালকন-অনুপ্রাণিত শেপ এটিকে একটি আলাদা রোড প্রেজেন্স দেয়। হেডলাইট ডিজাইনে Hero Karizma XMR 210 এর প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।
আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশে সকল হিরো মোটরসাইকেলের দাম

হ্যান্ডেলবারে ইন্ডিকেটরের অবস্থান এবং পিছনের স্প্লিট এলইডি টেইল ল্যাম্প স্কুটারটির লুককে আরও আকর্ষণীয় করেছে। পেছনে ফুয়েল ট্যাংক পজিশন থাকায় সিট না খুলেই রিফুয়েল করা যায়, যা দৈনন্দিন ব্যবহারে সুবিধাজনক।
ইঞ্জিন হিসেবে এতে রয়েছে ১২৪.৬ সিসির এয়ার-কুলড, সিঙ্গেল সিলিন্ডার, ফুয়েল ইনজেক্টেড ইউনিট। এটি সর্বোচ্চ প্রায় ৯.৮ হর্সপাওয়ার ও ১০.৪ নিউটন মিটার টর্ক উৎপন্ন করতে সক্ষম। সিভিটি ট্রান্সমিশনের কারণে গিয়ার শিফটিংয়ের ঝামেলা নেই, ফলে থ্রটল রেসপন্স স্মুথ ও ব্যবহারবান্ধব।

আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশে সকল মোটরসাইকেলের দাম
শহুরে রাইডিংয়ে এর পারফরম্যান্স যথেষ্ট কার্যকর, যেখানে টপ স্পিড ৮৫–৯৫ কিমি/ঘণ্টা পর্যন্ত যেতে পারে। হিরোর দাবি অনুযায়ী এটি সেগমেন্টের ফাস্টেস্ট স্কুটার, কারন ০-৬০ স্পিড উঠতে স্কুটারটির সময় লাগে মাত্র ৭.৬ সেকেন্ড।

ফিচারের দিক থেকেও স্কুটারটি আপডেটেড। সম্পূর্ণ ডিজিটাল ইন্সট্রুমেন্ট ক্লাস্টারে প্রয়োজনীয় তথ্যের পাশাপাশি নেভিগেশন সুবিধাও রয়েছে। এলইডি হেডল্যাম্প ও সিকুয়েনশিয়াল ইন্ডিকেটর স্কুটারটিকে আধুনিক করে তুলেছে।
৭৭৭ মি.মি সিট হাইট, ১৬৪ মি.মি গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স এবং ১২১ কেজি ওজন—সব মিলিয়ে এটি সহজে নিয়ন্ত্রণযোগ্য একটি স্কুটার। সাসপেনশনে সামনে টেলিস্কোপিক ফর্ক ও পিছনে মনোশক ব্যবহৃত হয়েছে, যা আরামদায়ক রাইড নিশ্চিত করে।

টায়ারের ক্ষেত্রে সামনে 110/80-14 এবং পেছনে 120/70-14 সাইজের টিউবলেস টায়ার দেওয়া হয়েছে। ব্রেকিং সেটআপে সামনে ডিস্ক ও পেছনে ড্রাম ব্রেক থাকলেও উন্নত ব্রেকিং প্রযুক্তি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো পরিষ্কার নয়। প্রায় ৫ লিটার ফুয়েল ক্যাপাসিটির সঙ্গে স্কুটারটি গড়ে ৫০–৫৫ কিমি/লিটার মাইলেজ দিতে পারে।
আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশে সকল হিরো মোটরসাইকেলের শোরুম দেখতে এখানে ক্লিক করুন
সব মিলিয়ে বলা যায়, নির্ধারিত প্রাইস রেঞ্জে Hero Xoom 125 শহুরে কমিউটিংয়ের জন্য একটি ব্যালান্সড প্যাকেজ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। ডিজাইন, ফিচার ও ব্যবহারিক দিক মিলিয়ে এটি ১২৫ সিসি স্কুটার সেগমেন্টে প্রতিযোগিতায় ভালো অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম।
বাইক বিষয়ক সকল তথ্য ও আপডেটের জন্য বাইকবিডির সাথেই থাকুন।