Anti-theft system সহ ইলেকট্রিক বাইক বাংলাদেশে

This page was last updated on 18-Apr-2026 02:55pm , By Rafi Kabir

বাংলাদেশে যারা ইলেকট্রিক বাইক বা ই-বাইক ব্যবহার করেন তাদের মনে একটা বড় ভয় সবসময় কাজ করে সেটা হলো চুরি। যেহেতু এই বাইকগুলো বেশ হালকা আর অনেক সময় কোনো শব্দ ছাড়াই ঠেলে নিয়ে যাওয়া যায় তাই চোরদের কাছে এটা বেশ সহজ লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়। এই ভয় থেকে বাঁচতেই এখন বাংলাদেশে অ্যান্টি-থেফট সিস্টেম বা চোর ধরার প্রযুক্তিওয়ালা বাইকের চাহিদা তুঙ্গে।


চলুন একদম সহজ ভাষায় বুঝে নিই বাংলাদেশে পাওয়া যায় এমন ই-বাইকগুলোর এই সিকিউরিটি সিস্টেম আসলে কীভাবে কাজ করে আর কেন এটা আপনার জন্য দরকার।


চোর বাইক ধরলেই চিৎকার শুরু

অ্যান্টি-থেফট সিস্টেমের সবচেয়ে কমন ফিচার হলো এর অ্যালার্ম। বাইকটা পার্ক করে আপনি যখন রিমোট দিয়ে লক করে দেবেন তখন এটি একটি অদৃশ্য পাহাড়াদার হিসেবে কাজ করবে। কেউ যদি বাইকটা একটু নাড়াচাড়া করে বা চাকা ঘোরানোর চেষ্টা করে তবে বিকট শব্দে অ্যালার্ম বাজতে শুরু করবে। এই শব্দ এতই জোরালো হয় যে আশেপাশে থাকা মানুষ সাথে সাথে সচেতন হয়ে যায় আর চোরও ভয় পেয়ে পালানোর পথ পায় না।


চাকা নিজে থেকেই জ্যাম হয়ে যাওয়া

বাংলাদেশে এখন এমন অনেক ই-বাইক আসছে যেগুলোতে স্মার্ট হুইল লক সিস্টেম থাকে। কেউ যদি চাবি ছাড়া বা রিমোট ছাড়া বাইকটা ঠেলে নেওয়ার চেষ্টা করে তবে মোটরের সাহায্যে পেছনের চাকাটা সাথে সাথে জ্যাম হয়ে যায়। অর্থাৎ চোর চাইলেও বাইকটা চালিয়ে বা ঠেলে নিয়ে যেতে পারবে না। এটি চুরির ঝুঁকি প্রায় ৮০ শতাংশ কমিয়ে দেয়।


দূর থেকে বাইক নিয়ন্ত্রণ বা রিমোট কন্ট্রোল

এখনকার বেশিরভাগ আধুনিক ই-বাইকের সাথে একটা স্মার্ট রিমোট দেওয়া হয়। অনেক সময় আমরা চাবি পকেটে রেখেই দূরে চলে যাই কিন্তু মনে থাকে না যে বাইক লক করেছি কি না। আপনি হাতের রিমোট দিয়ে বেশ দূর থেকেই বাইক লক বা আনলক করতে পারবেন। এমনকি বড় কোনো পার্কিংয়ে যেখানে অনেক বাইক একসাথে থাকে সেখানে রিমোটের বোতাম টিপলে বাইক সিগন্যাল দেয় যাতে আপনি সহজেই নিজের বাইকটা খুঁজে পান।


বাংলাদেশে কোন ধরণের বাইকে এই সিস্টেম থাকে

বর্তমানে বাংলাদেশে গ্রীন টাইগার, আকিজ বা রানারের মতো কোম্পানিগুলো তাদের ইলেকট্রিক বাইকগুলোতে এই সিস্টেম দিয়ে দিচ্ছে। এমনকি যারা সাধারণ বা একটু কম দামি ই-বাইক ব্যবহার করেন তারাও চাইলে আলাদাভাবে অ্যান্টি-থেফট কিট কিনে মেকানিক দিয়ে লাগিয়ে নিতে পারছেন। এই কিটগুলো সাশ্রয়ী এবং যেকোনো ই-বাইকেই সেট করা সম্ভব।


ব্যাটারির ওপর কি কোনো প্রভাব পড়ে

অনেকে ভাবেন সারাদিন অ্যালার্ম সিস্টেম অন থাকলে ব্যাটারি শেষ হয়ে যাবে কি না। আসলে এই সিস্টেমগুলো খুব সামান্য পরিমাণ ভোল্টেজ ব্যবহার করে যা আপনার ব্যাটারির ওপর কোনো দৃশ্যমান প্রভাব ফেলে না। তাই নিশ্চিন্তে আপনি এটা ব্যবহার করতে পারেন।


কিছু বাস্তব টিপস

অ্যান্টি-থেফট সিস্টেম থাকলেও সবসময় চেষ্টা করবেন ভালো মানের একটি ডিস্ক লক বা চেইন লক সাথে রাখতে। প্রযুক্তি অনেক সময় ধোঁকা দিতে পারে কিন্তু ফিজিক্যাল লক চোরকে বাড়তি সমস্যায় ফেলবে। এছাড়া নিয়মিত রিমোটের ব্যাটারি চেক করবেন যাতে দরকারের সময় সেটা ঠিকঠাক কাজ করে।


সবশেষে বলা যায় বাংলাদেশে এখন ই-বাইকের বাজার বড় হচ্ছে আর সেই সাথে উন্নত হচ্ছে এর নিরাপত্তাও। আপনার শখের বাইকটি রাস্তার মোড়ে বা বাসার নিচে রেখে যদি শান্তিতে ঘুমাতে চান তবে অ্যান্টি-থেফট সিস্টেমের কোনো বিকল্প নেই।

Latest Bikes

Akij Duronto (60V)

Akij Duronto (60V)

Price: 122500

Akij Durjoy (60V)

Akij Durjoy (60V)

Price: 112500

Akij Dorian (72V)

Akij Dorian (72V)

Price: 190000

View all Sports Bikes

Upcoming Bikes

HTM TQ

HTM TQ

Price: 0

HTM DQ

HTM DQ

Price: 0

NIU NQiX 1000

NIU NQiX 1000

Price: 0

View all Upcoming Bikes