Verified reviews from Keeway EV owners. Know the pros and cons from real riders.
Keeway RKS 125
There bike quality is good but they have no service center now in bd. So we r facing problem for spare parts
Keeway RKS 100
Bought this bike on look but the performance, service and milage these bike provides me is more than my thinking.
Keeway K-Light
Bike ta looking best... Price onujai khub bhalo...breaking o bhalo....shudu vibrating komane gele bhalo hbe aro...ar parts onk kom pawa jay
Keeway RKS 100
মধ্যবিত্ত ও নতুন রাইডারদের জন্য বেশ ভালো অপশন!
Keeway RKS 100
১। মোটরসাইকেল কিনার জন্য ওই রকম বিগ বাজেটের টাকাও ছিল না, পিছনে বাইক দিয়ে দুর্ঘটনার রেকর্ড থাকায় আবার বাসা থেকে বাবা বলেছে ১০০ সিসি এর উপরে বাইক কিনা যাবে না। তাছাড়া আমার স্বাস্থ্য (উচ্চতা৫'৯", ৯০+কেজি ওজন) অনুযায়ী কোনো ঐরকম বাইক ও আমার মতে আমার বডির সাথে যাচ্ছিল না। তাই বর্তমান অবদি বাংলাদেশের মাস্কুলার ১০০ সিসি Keeway Rks 100 V3 বাইক টি ক্রয় করা হয় ২০১৮ সালের জুনে। ২। বাইকটির ভালো দিক বলতে এর ডিজাইন অন্নান্য ১০০/১২৫ সিসি বাইক এর মত নয় মাস্কুলার ট্যাংক ও পিছনের ১১০ সেগমেন্টের চাকা দেখলে মনে হবে না এটা কোনো ছোট বাইক, রাইডিং পজিশন আমার জন্য ভালই ছিল, রাইডিং সিট মুটামুটি কম্ফর্টাবল, পিলিয়ন সিট মুটামুটি শর্ট ডিসটেন্স এর জন্য ভালো, বাইকটির ওজন অন্নান্য ১০০/১২৫ সিসি বাইকের তুলনায় বেশি হওয়ায় হাই স্পীড এ স্ট্যাবল থাকে, বাইক টি আমার কাছে শক্ত পক্ত মনে হয়েছে এমনকি পরে গেলে বডিতে কোনো স্পট পড়বে না, বাইকটি সিটি রাইড জন্য পারফেক্ট ও একটানা ১৫০/২০০ কিলো হাইওয়ে রাইড এর জন্য চলে। বাইকটির খারাপ দিক বলতে এর পিছনের সাস্পেশন অত ভালো না (কম খেলে), সিটিতে একটানা ১০০ কিলো চালালে পশ্চাতদেশ ঝিন ঝিন ও কাধে কেমন জানি লাগে, পিলিওন নিয়ে লং রাইড করে মজা নেই, এক্সজষ্ট সাউন্ড সুন্দর না (আমি মড করে নিছি), ব্যাক লাইট এর স্প্রিং বড় পেরা দেয়। ৩। মাইলেজ ৬০-৭০ এ আইডল আরপিএম এ চালালে আমি ১০০ টাকার তেলে সিটি রাইডিং এ ৫০+/- এর পেতাম, হাই রেফ করলে ৪২+/-, ভারী বাইক হওয়ায় পিকআপ অত ভালো না মুটামুটি ৭০/৭৫ খুব সহজেই উঠে, তার পর স্ট্রাগল করে, মোটামুটি রাইডিং এন্ড সিটিং কনফর্টাবল, ব্রেকিং জস ৭০/৭৫ এ নির্ভয়ে কড়া করে ব্রেক মারা যায়, তার উপরে গেলে আপনার অভিজ্ঞতায় মাইরেন, পারফরম্যান্স ভালো যদি আপনি চাচা টাইপ না হন, অন্নান্য ১০০ সিসি র মত পারফরম্যান্স দিবে না তবে আপনাকে মোটেও নিরাশ করবে না, ৩+ বছরে ৪৫ হাজার কিলোমিটার চালিয়েছি । ৪। ঢাকা সিটিতে সার্ভিস সেন্টার প্রথমে ১৮/১৯ এর সালে ভালই সার্ভিস দিসে পরে কোম্পানির অদল বদলে মোটামুটি ঝামেলা দুর্ভোগে গেছে, পার্টস এর দাম বেশি, তবে আপনি যদি একবার বুঝতে পারেন অন্য ইন্ডিয়ান বা অন্য কোন কোম্পানির বাইক এর সাথে পার্টস মিলে তাইলে জমবে খেলা নো টেনশন। এই ৪৫ হাজার কিলোমিটার আমার এই ছিল ব্যাক্তিগত ইতি গাঁথা, অন্যদের সাথে না ও মিলতে পারে কারণ আমি বাজেট টাইট ২৬ বছর বয়সী স্বাস্থ্যবান ইয়াং বাইকার।
Keeway RKS 150 CBS Edition
At first I thought I'd go for Haojue but later settled for the beauty within beast machine Keeway RKS 150 CBS Sports v2. The purchasing experience was one of my memorable day in life. The money I gathered for the bike is so hard to come. Good Thing: 1. Superb ready pickup. 2. Smooth Engine sound 3. Split Seat. 4. Great looking mirror. Bad Thing: 1. Mileage is so so. Getting 29kmpl 2. Service & Spares are horrible. 3. Chain loose problem. The breaking capability of this bike is outstanding. The CBS brakes give me confidence on road & the tyre grip is awesome compared to others bikes in this segment. Overall this is a happy package.
Keeway RKS 100
আমি ৫০০ হাজার কিলো ড্রাইভিংয়ের অভিজ্ঞতা থেকে অনুধাবন করছি ১০০ সিসি সিগমেন্টের মধ্যে আউট লুকিং, ডিজিটাল মিটার, ইঞ্জিন কিল সুইচ, বড় তেলের টাংকি, রিজার্ভ তেল সিষ্টেম সহ কন্টলিং সব দিক দিয়ে ১০০ সিসি বাইকের মধ্যে বাইকের রাজা, তবে সার্ভিস সেন্টার আর স্পেয়ার পার্সের কিছু জটিলতা ছাড়া আর কোন সমস্যা নাই
Keeway K-Light
আমি আসল Keeway এর Superlight 150 চালায়। আপনাদের লিষ্টে নাই। তাই K-lite সিলেক্ট করলাম পরের ভার্সনটি। আমার খুব পছন্দের বাইক। বাইকটি যদিো তেল বেশি যায়। তবে খুবই Comfortable ফর হাইওয়ে রাইড। হাইওয়ে অবশ্য ভাল মাইলেজ পাই। তবে পার্টস সল্পতা আছে। দাম একটু বেশি। আমি এবং পিলিয়ন সাচ্ছন্দে ট্রাভের করি। ওভারঅল বাইক টা আমার মত ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি মানুষের জন্যে পারফেক্ট। ধন্যবাদ
Keeway RKS 150 Sports
বাইক কেনার কারন/অভিজ্ঞতা : মূলত অফিসে যাতায়াত এর জন্য বাইকটি কিনি। আমার ফ্রেন্ড কে দেখে আমিও বাইকটি কিনি। বাইকের মাইলেজ এরাউন্ড ৩০। পিক আপ & ব্রেক স্যাটিস্ফাইড। সবমিলিয়ে মোটামুটি ভালো। আফটার সেলস সার্ভিস: কোম্পানির নিজস্ব সার্ভিস সেন্টার এ সার্ভিস ভালোই। তবে বাইক পার্স মাঝে মাঝে স্টক থাকে না। সার্ভিস খরচ এভারেজ।
Keeway RKS 150 Sports
বাইক কেনার কারন/অভিজ্ঞতা : মূলত অফিসে যাতায়াত এর জন্য বাইকটি কিনি। আমার ফ্রেন্ড কে দেখে আমিও বাইকটি কিনি। বাইকের মাইলেজ এরাউন্ড ৩০। পিক আপ & ব্রেক স্যাটিস্ফাইড। সবমিলিয়ে মোটামুটি ভালো। আফটার সেলস সার্ভিস: কোম্পানির নিজস্ব সার্ভিস সেন্টার এ সার্ভিস ভালোই। তবে বাইক পার্স মাঝে মাঝে স্টক থাকে না। সার্ভিস খরচ এভারেজ।
Keeway RKS 100
Good side 1. Best design, 2. Engin performents, 3. Good milagr, 4. Digital meeter, 5. Engin kill switch, 6 large fewel tank, 7. Reserved fewel capacity. Bad side 1. Single Disk caliper. 2. Halogin light. 3. Poor chain quality. 4. Spair parts is not avilabel in market 5. Service center is not avilable. If spair parts & Service center was avilable in bangladesh then this could have been the number 1 bike of Bangladesh
Keeway RKS 150 CBS Edition
এটা গরিব বাইকারদের বাইক। অল্প দামে ভালো ডিজাইন, অন্য যেকোনো বাইক থেকে সুন্দর।সামান্য দুই বছর ধরে ব্যবহার করছি। আমি বাইকটি সেকেন্ড হ্যান্ড কিনি। কিন্তু বাংলাদেশে বর্তমানে এদের কোন সার্ভিস সেন্টার নাই। বাইকের কোন বাইকার এই ধরনের কোম্পানির বাইক কেনা থেকে বিরত থাকবেন। বাই একটা মানুষের স্বপ্ন, কিন্তু এই ধরনের কোম্পানি থেকে কিনলে দুইদিন পরে কোম্পানির কোন সার্ভিস পাওয়া যায় না। প্রয়োজনে 100 সিসির মোটরসাইকেল কিনবেন, কিন্তু ব্রান্ড।ধন্যবাদ
Keeway RKS 100
বাইক কেনার কারন ও অভিজ্ঞতা: বাইক কেনার স্বপ্ন অনেক আগে থেকেই ছিল। অনেক কস্টে বাসায় রাজি করায় বাইক কেনার জন্য। কিন্তু বাইক এর জন্য বাজেট হয় ১ লাখ টাকা। আর এই বাজেট এর মধ্যে আমার কাছে এটায় বেস্ট মনে হয়ছে। বাজেট অনুযায়ী লুক যতেস্ট ভালো। মাইলেজ মোটামুটি। এক হাতে ইউজ করি টুকিটাকি প্রবলেম ছাড়া বড় কোনো প্রবলেম নায়। তবে পিক আপ একটু ভালো হলে ভালো হতো। আর ব্রেক নিয়ে সন্তোষ। আফটার সেলস সার্ভিস: আফটার সেলস সার্ভিস খুভ ভালো।
Keeway RKS 150 CBS Edition
➤বাইক বিডি YouTube channel এ এই বাইকটির রিভিউ দেখে, বাইকটি কিনেছি ইভ্যালি থেকে। To be honest কম দামে পেয়ে গেছি তাই নিয়ে নিছি। ➤বাইকটির সার্ভিস অনেক ভালো। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে after sales service নিয়ে। যেহেতু আমি সিলেটে তাই অই রকম কোন Authorized সার্ভিস সেন্টার সিলেট এ নাই। কিন্তু যারা ঢাকা তে ব্যবহার করতেছেন উনারা খুব ভালো সার্ভিস পাচ্ছেন। পার্টস ঢাকা থেকে নিয়ে আসতে হয়। মোটামুটি ভালো দাম দিতে হয়। মিলাইতে হয় অনেক কষ্ট করে। ➤মাইলেজ বলতে গেলে ১৫০ সিসি সেগমেন্ট এর বাইকের মত অই রকম পাচ্ছি না, ৩০-৩৫ করে পাচ্ছি। তবে এর মাইলেজ আরও ভালো। ভালো সার্ভিস না করানোর জন্যে মাইলেজ কম পাচ্ছি। সিটিং কমফোর্ট অনেক ভালো। বাইকটির ব্রেকিং খুব ভালো। CBS ব্রেকিং হওয়াতে কন্ট্রোলিং খুব ভালো। রেডি পিক-আপ পর্যাপ্ত। সর্বোপরি বাইকটি আমার কাছে ভালোই লেগেছে। ১.৫ বছরের উপরে চালাচ্ছি, ভালোই চলতেছে এখনও তেমন কোন পার্টস লাগেনি।
Keeway RKS 100
ছোটবেলা থেকেই বাইকের প্রতি ছিলো এক অন্যরকম ভালোবাসা আসলে ভালোবাসা না তা ছিল আবেগ! বহু প্রতিক্ষার পর ২০১৫ সালে সব দিক বিবেচনা করে Keeway Rks100 বাইকটি বেছে নেই। Keeway Rks100 বেছে নেওয়ার পিছনে প্রধান কারণ হচ্ছে আব্বুর শর্ত, তা ছিল আমাকে তিনি বাইক কিনে দিবেন কিন্তু ১০০ সিসি এর উপর না। আর আমিও সিসি নিয়ে চিন্তা না করে স্বপ্ন সত্যি হবে তা নিয়ে ব্যাস্ত হয়ে পরি। তখন ১০০সিসি ক্যাটাগরিতে Keeway Rks100 সেরা মনে হয়েছে আমার কাছে। ইদের অফারে কিছুটা ছাড় দিয়েছিলো বেনেলিতে এই সুবর্ণ সুযোগ আর হাতছাড়া করলাম না ঝটপট কিনতে চলে গেলাম আব্বুকে নিয়ে। আব্বুর ও বাইকটি খুব পছন্দ হয়েছিল। সবকিছু এতোটাই দ্রুত হয়েছিল যে আম্মুকেই বাইক কিনার কথা বলা হয়নি । আম্মু বাইক কিনার পক্ষে ছিলেন না কারণ একটাই সড়ক দুর্ঘটনা। আম্মুকে বাইক কিনে বাসায় ফিরে আসার সময় জানানো হয় বাইক কিনার কথা তখন কি রাগটাই না করেছিল ভাবলেই ভয় করে। সেই তখন থেকে এখন পর্যন্ত বাইটি আমার সাথে আছে, এখন আম্মুও আমার পিছে চরতে ভালবাসেন। বাইকটির সাথে প্রায় দীর্ঘ ৮ বছর পথচলা। কিনার পর থেকেই বাইকটি সার্ভিসিং করার জন্য সার্ভিস সেন্টারের থেকে অন্য কোন বিস্বস্ত দোকানে সার্ভিসিংএ আমি বেশি স্বাচ্ছন্দবোধ করতাম। বাইকটির কথা বলতে গেলে কম্ফোর্ট, ব্রেকিং এবং পারফর্মেন্স আমি কখনো নিরাশ হইনি। দুর্বলতার মধ্যে দুটি হলো এর চিকন চাকা এবং ভাইব্রেশন। বর্তমানে মাইলেইজ প্রায় ৪২ এর পাচ্ছি। বাইকটির সার্ভিসি সেন্টার আপনাকে নিরাশ করলেও বাইকটি সবসময় সুন্দরভাবে সার্ভিসিং করালে আশা করি বাইকটি আপনাকে নিরাশ করবে না। ধন্যবাদ এত দীর্ঘ সময় নিয়ে পড়ার জন্য।