CFMOTO Bangladesh - Cool Life Cruising
Our Partners:
Lifan Advertisement
CFMoto Advertisement
BikeBikroy Advertisement
ELF Advertisement

সিঙ্গেল সুইং আর্ম ও টুইন সিলিন্ডারের দুইটি নতুন স্পোর্টস বাইক আসতে চলেছে বাংলাদেশের বাজারে

সিঙ্গেল সুইং আর্ম ও টুইন সিলিন্ডারের দুইটি নতুন স্পোর্টস বাইক আসতে চলেছে বাংলাদেশের বাজারে
0 Add us on
Arif Raihan Opu
1 Followers
Published: March 02, 2026
Add on
No audio available

বাংলাদেশের মোটরসাইকেল বাজারে খুব শীঘ্রই যোগ হতে যাচ্ছে দুইটি নতুন নাম। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও বাকি, তবে শোনা যাচ্ছে ভরপুর ফিচার লোডেড দুইটি ফুল-ফেয়ারিং স্পোর্টস বাইক শীঘ্রই অফিশিয়ালি দেশের রাস্তায় যাত্রা শুরু করবে।

বাংলাদেশে শীঘ্রই লঞ্চ হতে যাচ্ছে নতুন মোটরসাইকেল ব্র্যান্ড

বাংলাদেশে শীঘ্রই লঞ্চ হতে যাচ্ছে নতুন মোটরসাইকেল ব্র্যান্ড

নতুন দুইটি ব্র্যান্ডের দুইটি ভিন্ন ভিন্ন মডেলের বাইক দেশে নিয়ে এসেছে ড্রাগন মার্ট। কোন দুইটি বাইক বাংলাদেশে তারা লঞ্চ করবে এখনো সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে  সূত্র অনুসারে যে স্পেসিফিকেশনগুলোর ইঙ্গিত পাওয়া গেছে তাতে বোঝা যাচ্ছে তারা শুধুমাত্র আরেকটা নতুন ব্র্যান্ড না বরং পারফরম্যান্স আর ভ্যালু দুই দিকেই নিজেদের অবস্থান তৈরি করতে চায়। 

আরও পড়ুনঃ JEDI এর সকল মোটরসাইকেলের দাম

শোনা যাচ্ছে, ৩০০ সিসির উপরে একটি স্পোর্টস বাইক আসতে যাচ্ছে যা লিকুইড-কুলড, টুইন-সিলিন্ডার ইঞ্জিন সহ। বাইকটির পাওয়ার আউটপুট হতে পারে প্রায় ৩৮ হর্সপাওয়ারের কাছাকাছি! এছাড়াও টিসিএস, এবিএস, টিএফটি সহ সময়োপযোগী ফিচারগুলো তো থাকছেই। সামনে আপসাইড-ডাউন (USD) ফর্ক আর পেছনে মনোশক—মানে শুধু লুক নয়, হ্যান্ডলিংয়েও স্পোর্টি সেটআপের ইঙ্গিত দেয়।

অন্যদিকে আরেকটি ফুল-ফেয়ারিং স্পোর্টস মেশিনের কথাও শোনা যাচ্ছে। সবথেকে আকর্ষণীয় বিষয় বাংলাদেশের বাজারে এটি ই হতে যাচ্ছে সেগমেন্টের প্রথম সিঙ্গেল সুইং আর্ম বাইক।

আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশে সকল মোটরসাইকেলের দাম

২৫০ সিসি লিকুইড-কুলড ইঞ্জিন, আনুমানিক ২৫–২৭ এইচপি পাওয়ার, আর এরোডাইনামিক বডি ডিজাইন—যারা হাইওয়ে রাইডিং পছন্দ করেন, তাদের জন্য আকর্ষণীয় হতে পারে। এলইডি লাইটিং সেটআপ, ফুল ডিজিটাল ইন্সট্রুমেন্ট ক্লাস্টার এবং স্প্লিট সিট কনফিগারেশন—সব মিলিয়ে এটি তরুণ রাইডারদের লক্ষ্য করেই বানানো বলে ধারণা করা যায়।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে—এই স্পেসিফিকেশনগুলোর সাথে কী ধরনের প্রাইস ট্যাগ যুক্ত হয়। কারণ ২৫০–৩৫০ সিসি সেগমেন্টে এখন প্রতিযোগিতা বেশ তীব্র।

যদি পারফরম্যান্স, ফিচার এবং বিল্ড কোয়ালিটির সাথে সামঞ্জস্য রেখে এগ্রেসিভ প্রাইসিং নির্ধারণ করা যায় তবে বর্তমান বাজারে নতুন সমীকরণ তৈরি হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু হবে না। 

নতুন বাইকের আপডেট সবার আগে পেতে বাইকবিডির সাথেই থাকুন। 

খবর JEDI মোটরসাইকেল

Discussion 8 Comments