CFMOTO Bangladesh - Cool Life Cruising
Our Partners:
Lifan Advertisement
CFMoto Advertisement
BikeBikroy Advertisement
ELF Advertisement

Yamaha FZS FI V3 বাইক নিয়ে মালিকানা রিভিউ - উপানন্দ চন্দ্র

Yamaha FZS FI V3 বাইক নিয়ে মালিকানা রিভিউ - উপানন্দ চন্দ্র
0 Add us on
Md Kamruzzaman Shuvo
0 Followers
Published: April 05, 2023
Add on
No audio available

আমি উপানন্দ চন্দ্র বর্মন । আমি গাজীপুর বসবাস করি । Yamaha FZS FI V3 বাইক নিয়ে রয়েছে অনেক স্মৃতি যা আজ আপনাদের সাথে আমি শেয়ার করবো ।

 yamaha fzs fi v3

আমি মধ্যবিত্ত ঘরের সন্তান। আমার ১ম বাইক চালানো শুরু TVS METRO দিয়ে। বাইকের প্রতি ছোটবেলা থেকেই আলাদা ভাবে ভালবাসা ছিল কিন্তু আর্থিক অবস্থার কারনে তা হয়ে উঠেনি। যা হোক বিয়ে-শাদি করার পর সন্তানের স্কুলে যাতায়াতের খুব সমস্যার কারনে ১ম বাইকটি কিনেছিলাম।

এরপর কিছুদিন চালিয়ে সেটি বিক্রি করে একসময়ের রাস্তার রাজা PULSAR TD নেই। এই বাইকটিও ২.৫ বছর চালিয়ে বিক্রি করে দেই। এরমধ্যে আমার কয়েকটি জেলা ঘুরাঘুরি শেষ করেছি। এরপর অনেক যাচাই বাছাই করে আমি আমার বর্তমান বাইকটি ইয়ামাহার শোরুম থেকে ক্রয় করি। আজকে আমার বাইকের ২৪,০০০ কিলোমিটার রাইডের ছোট্ট একটি রিভিউ আপনাদের সাথে শেয়ার করব।

এই বাইকটির সাথে আমার পথচলা শুরু হয় ২০২১ সালের জুলাই মাস থেকে। বাইকের প্রতি অনেক ভাললাগা রয়েছে বাইক নিয়ে ঘুরতে অদম্য নেশা। তাই যখনি সময় পাই বাইক নিয়ে ঘুরতে বের হয়ে যাই।

yamaha fzs fi v3

Yamaha FZS FI V3 বাইকটির কিছু ভালো দিক -

Yamaha FZS FI V3 বাইকটির কিছু খারাপ দিক -

বাইকটির রাইডিং পারফরমেন্স নিয়ে কিছু ব্যাক্তিগত অভিমত-
বাইকটি দিয়ে আমি ইতিমধ্যে কক্সবাজার, বান্দরবান, তিন্দু, থানচি, রাংগামাটি, খাগড়াছড়ি, সিলেট, মিঠামইন,গজনী, বিরিশিরি, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, তেতুলিয়া আশেপাশের জেলাসহ আরো অনেক জায়গাগুলোতে গিয়েছি। লং ট্যুরের জন্য বলা যায় পারর্ফেক্ট একটি বাইক এটি। এখন পর্যন্ত আমাকে হতাশ করেনি এই বাইকটি, সব ধরনের রোড কন্ডিশনে ভালো সাপোর্ট দিয়েছে।

আমি সর্বোচ্চ একটানা প্রায় ২০০ কিলোমিটার রাইড করেছিলাম। এয়ার কুলিং হওয়া সত্বেও একটানা রাইডে ভালো সাপোর্ট পেয়েছি। এখন পর্যন্ত আমি বাইকটিতে স্পেয়ার পার্টস শুধুমাএ চেইন স্পোকেট, ব্রেক প্যাড, বল রেসার, অয়েল সিল একবার করে পরিবর্তন করা করেছি। এছাড়া নিয়মিত নির্দিস্ট সময় পরপর ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করা হয়েছে।

প্রথম সার্ভিসসহ সবগুলো সার্ভিস ইয়ামাহা কোম্পানির রিকমেন্ড অনুযায়ী সময়মত করিয়েছি, যার ফলে এ পর্যন্ত কোন বড় সমস্যার সম্মুখীন হইনি। আমি ইয়ামালুব ইঞ্জিন অয়েল ব্যবহার করি । এই বাইকটিতে লিকুইড কুলিং যদি দেওয়া হত তাহলে দাম বিবেচনায় একদম পারর্ফেক্ট হত। পরিশেষে সবার উদ্দেশ্যে বলতে চাই সবাই সাবধানে, সতর্কতার সাথে, উচ্চ গতি পরিহার করে, অবশ্যই হেলমেট পরে বাইক রাইড করবেন। ধন্যবাদ ।

 

লিখেছেনঃ উপানন্দ চন্দ্র বর্মন

আপনিও আমাদেরকে আপনার বাইকের মালিকানা রিভিউ পাঠাতে পারেন। আমাদের ব্লগের মাধ্যেম আপনার বাইকের সাথে আপনার অভিজ্ঞতা সকলের সাথে শেয়ার করুন! আপনি বাংলা বা ইংরেজি, যেকোন ভাষাতেই আপনার বাইকের মালিকানা রিভিউ লিখতে পারবেন। মালিকানা রিভিউ কিভাবে লিখবেন তা জানার জন্য এখানে ক্লিক করুন এবং তারপরে আপনার বাইকের মালিকানা রিভিউ পাঠিয়ে দিন articles.bikebd@gmail.com – এই ইমেইল এড্রেসে।

ইয়ামাহা মোটরসাইকেল মালিকানা রিভিউ স্ট্যান্ডার্ড বাইক ১৫০সিসি

Discussion 8 Comments