New Suzuki Gixxer ২২০০০ কিলোমিটার মালিকানা রিভিউ - শুভ

This page was last updated on 30-Jul-2024 08:46am , By Md Kamruzzaman Shuvo

আমি মোঃ আসিফুজ্জামান শুভ ,পড়াশোনা শেষ করেছি আপাতত। আমি বর্তমানে ময়মনসিংহের গফরগাঁও থাকি । বাইকের প্রতি ছোটবেলা থেকেই আমার প্রচুর আকর্ষন কাজ করতো। আমি আমার প্রথম বাইক New Suzuki Gixxer  নিয়ে আজ রিভিউ দিবো।

New Suzuki Gixxer

আমি বাইকটা কিনেছিলাম ঘাটাইলের সুজুকির শোরুম সামিরা মোটরস এর শোরুম থেকে । অনেকে পালসার,আ্যপাচি ,হোন্ডা পছন্দ করেন । কিন্তু আমার পছন্দ ছিলো এই বাইকটা। কারণ, এটা তখন নতুন বাজারে আসে।

বাইক কেনার আগে মানুষের অনেক কথা শুনলাম। কিন্তু আমি আমার পছন্দকেই প্রাধান্য দিয়েছি।  আমি এখন পর্যন্ত বাইকটি চালিয়েছি ২১,৭৫০ কিলোমিটার । এই বাইক চালানোর আগেও অনেক বাইক চালিয়েছি। কিন্তু এই বাইকটিও আমায় নিরাশ করেনি। বাইকটি স্মুথ,চালিয়ে আরাম পাওয়া যায়।নিজের আছে তাই বলে বলছি না,এর সিটিং পজিশন,পাইপ অন হ্যান্ডেল বার সবকিছুই খুব কোম্ফোর্টেবল। 

New Suzuki Gixxer

 New Suzuki Gixxer বাইকের কিছু ফিচার বলা যাক -

  • বাইকটির স্পোর্টি লুক রয়েছে।
  • বাইকটির হেডলাইট টি দেখতে দারুণ। 
  • বাইকটিতে ১২লি. ফুয়েল ট্যাংক রয়েছে।
  • বেশ শক্ত মজবুত প্লাস্টিক বডি।
  • এটাতে রেডি পিকাপ রয়েছে।
  • প্রয়োজন অনুযায়ী পাওয়ার ডেলিভারি করে।
  • বাইকের আনকমন একটা লুক রয়েছে।

New Suzuki Gixxer

বাইককের কন্ট্রোলিং চমৎকার। আমি যখনি বাইকটা রাইড করি,আমি খুবই কম্ফোর্ট ফিল করি।আমি আমার বাইক নিরাপদে রাইড করি।বাইকটিতে রয়েছে ABS ব্রেকিং সিস্টেম, যা আমাকে রাইড করার সময় আত্নবিশ্বাসী করে তোলে । ওভারঅল বাইকের ব্রেকিং সিস্টেম আমি খুবই সন্তুষ্ট। আমি বাইকটিতে এভারেজ ৪৬-৪৮ কিলোমিটার মাইলেজ পাচ্ছি। 

আমি সব সময় খুব সাবধানতা অবলম্বন করে রাইড করি। আমি বাইকে শুধু বাম্পার লাগিয়েছি সেটার খরচ ৭৫০ টাকা । সারিগাট বা পা'দানি লাগিয়েছি ৪৫০ টাকা দিয়ে । বাইকটি প্রথমবার চালানোর কথা বললে বলবো, স্মুথ এক্সিলারেশন।  

বাইকবিডি ওয়েবসাইটে বাইকটির ব্যাপারে অনেক কিছুই দেওয়া আছে তারপর আরো কিছু বলি । সামনে হেডলাইটে ৩ টি এলইডি লাইট। বাইকের মিটারে ফুয়েল, গিয়ার ইন্ডিকেটর, কিলোমিটার ইন্ডিকেটর আছে। বাইকে কোন কিক স্টার্ট মেথড নেই এক সেল্ফেই স্টার্ট হয় ।

New Suzuki Gixxer

New Suzuki Gixxer বাইকের কিছু খারাপ দিক - 

  • বাইকটি বৃষ্টিতে রাইড করলে হেডলাইটে পানি বাষ্পীভূত হয়ে জমা হয়। 
  • বাইকটি নিয়ে লং রাইড করলে ইঞ্জিন সাউন্ড একটু নষ্ট হয়ে যায়। তবে বিরতি নিয়ে রাইড করলে এই বিষয় টা এড়ানো সম্ভব৷ 

বিঃদ্রঃ বাইকের সবগুলো সার্ভিস আমি সুজুকি শোরুম থেকে সময়মতো করিয়েছি এবং মাস্টার সার্ভিস ও করিয়েছি। 

সবার প্রতি ভালোবাসা রইলো। এটা একান্তই আমার ব্যক্তিগত মতামত। সুতরাং ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইলো। ধন্যবাদ টিম বাইকবিডি'কে  এরকম, সুন্দর একটি প্ল্যাটফর্ম গঠনের জন্য । সবসময় বাইকবিডির পাশে আছি । ধন্যবাদ ।


লিখেছেনঃ রুবেল আহমেদ
 
আপনিও আমাদেরকে আপনার বাইকের মালিকানা রিভিউ পাঠাতে পারেন। আমাদের ব্লগের মাধ্যেম আপনার বাইকের সাথে আপনার অভিজ্ঞতা সকলের সাথে শেয়ার করুন! আপনি বাংলা বা ইংরেজি, যেকোন ভাষাতেই আপনার বাইকের মালিকানা রিভিউ লিখতে পারবেন। মালিকানা রিভিউ কিভাবে লিখবেন তা জানার জন্য এখানে ক্লিক করুন এবং তারপরে আপনার বাইকের মালিকানা রিভিউ পাঠিয়ে দিন articles.bikebd@gmail.com – এই ইমেইল এড্রেসে।

Latest Bikes

E-MAX S80

E-MAX S80

Price: 0

E-MAX S600

E-MAX S600

Price: 0

E-MAX FX

E-MAX FX

Price: 0

View all Sports Bikes

Upcoming Bikes

E-MAX S80

E-MAX S80

Price: 0

E-MAX S600

E-MAX S600

Price: 0

E-MAX FX

E-MAX FX

Price: 0

View all Upcoming Bikes