CFMOTO Bangladesh - Cool Life Cruising
Our Partners:
Lifan Advertisement
CFMoto Advertisement
BikeBikroy Advertisement
ELF Advertisement

সাবধানের মার নেই!

সাবধানের মার নেই!
1 / 1
0 Add us on
Ashik Mahmud Bangla
0 Followers
Published: September 03, 2014
Add on
Listen to article
8 min read

হরহামেশাই চুরি হচ্ছে মোটরবাইক। চোররা কৌশলী হলেও অনেক চুরির পেছনে নিজের অসাবধানতাও দায়ী। কিছু কৌশল জেনে রাখলে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়ানো সম্ভব। জানাচ্ছেন মোটরবাইক ক্লাব 'হন্ট রাইডারস'-এর প্রতিষ্ঠাতা মিথুন মৃধা। 

মোটরবাইক চোররা কী ধরনের কৌশলে তাদের কাজটি সারে? সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনা অনুযায়ী চুরির উল্লেখযোগ্য কিছু কৌশল হলো- * নির্জন জায়গা থেকে মোটরসাইকেলের তালা ভেঙে চুরি করা। * তালা না ভেঙে মোটরসাইকেলটি অন্য আরেকটি যানবাহনে তুলে নিয়ে যাওয়া। চুরি করার সময় চোররা এমন ভাব করে যেন নষ্ট মোটরবাইক ঠিক করতে গ্যারেজে নিয়ে যাচ্ছে। 

সাবধানের মার নেই!

* মোটরসাইকেলের চাবি নকল করে যেকোনো স্থান থেকে মালিক সেজে মোটরসাইকেলটি চুরি করা। * অস্ত্রের মুখে মোটরসাইকেলটি নিয়ে যাওয়া। যেভাবে প্রতিকার পাওয়া সম্ভব * বাজারে হরেক রকমের 'অ্যালার্ম লক' পাওয়া যায়। অনাকাঙ্ক্ষিত কেউ মোটরবাইকে হাত দিলে এই লক শব্দ করে জানান দেয়। এসব লক পাওয়া যাবে মোটরসাইকেল মার্কেট ঢাকার বংশাল, বিজয়নগর ও বাংলামোটরে। দাম ৪০০ থেকে এক হাজার টাকার মধ্যে।

 * তৈরি করে রাখতে পারেন গোপন 'ইঞ্জিন সুইচ'। এটি অন না করা পর্যন্ত কোনোভাবেই মোটরবাইক স্টার্ট দেওয়া সম্ভব হবে না। খেয়াল রাখবেন যেন সুইচটি অবশ্যই গোপনে থাকে। এটা থাকলে চোররা লক ভাঙলেও মোটরবাইক চালু করতে পারবে না। সুইচটি তৈরি করতে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা পর্যন্ত খরচ হতে পারে। * সম্প্রতি বাজারে এসেছে কিছু নতুন 'জিপিএস ডিভাইস'। 

Also Read: বরিশালে বখাটের মোটরসাইকেল জ্বালিয়ে দিলো জনগন!

এসবের মাধ্যমে আপনি তাৎক্ষণিক চুরি হওয়া মোটরসাইকেলের অবস্থান জানতে পারবেন মোবাইল ফোনের মাধ্যমে। আর এভাবেই বের করতে পারবেন কোথায় আছে আপনার চুরি হওয়া বাইকটি। ঘরে বসেই বিভিন্ন অনলাইন শপ থেকে কেনা যায় এসব ডিভাইস। দাম ১০ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে। * এমন কোনো জায়গায় মোটরসাইকেল রাখবেন না, যেখান থেকে বাইকটি আরেকটি বাহনে তোলাটা সহজ হয়। 

চেষ্টা করুন যেন মোটরসাইকেলটি স্থায়ী কোনো স্থাপনা বা গাছের সঙ্গে চেইন বা কেবল লকের মাধ্যমে বাঁধা যায়। * অপরিচিত অথবা নতুন পরিচিত কাউকে মোটরসাইকেল চালাতে দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। মোটরসাইকেল চালানোর ফাঁকে কখন যে আপনার মোটরসাইকেলটির নকল চাবি তৈরি করে ফেলবে, আপনি হয়তো ধারণাও করতে পারবেন না। পরে সুযোগমতো সেই নকল চাবি দিয়ে মোটরসাইকেলটি নিয়ে যেতে পারে। 

* সাধারণত অস্ত্র দেখিয়ে মোটরসাইকেলটি নিয়ে যাওয়ার মতো ঘটনাগুলো খুব নিরিবিলি জায়গাতেই বেশি ঘটে থাকে। চেষ্টা করবেন দূরের কোনো পথে একা না যাওয়ার। মহাসড়কগুলোতে কখনোই কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত সংকেতে থামবেন না। যদি কোনোভাবে আপনাকে একান্তই বাধ্য করে ফেলে ছিনতাইকারীরা, তাহলে মনে রাখবেন, একটি মোটরসাইকেলের চেয়ে আপনার জীবনের মূল্য অনেক বেশি। 

ছিনতাইকারীদের সঙ্গে কোনো ধরনের তর্ক বা দ্বন্দ্বে না গিয়ে মোটরসাইকেলটি তাদের দিয়ে দেওয়াটাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। * নির্জন জায়গাগুলোতে মোটরসাইকেল না রেখে জনাকীর্ণ স্থানে রাখার চেষ্টা করুন। সবচেয়ে ভালো, কারো দায়িত্বে রাখা। আর এ জন্য কয়েকটি টাকা যদি খরচ হয়, তাহলেও ভালো। অনেকে চিন্তা করেন- এখনই তো চলে যাব। এই অল্প সময়ের জন্য টাকা দিয়ে পার্কিং করব? 

১৫-২০ টাকার জন্য আপনার লাখ টাকার মোটরবাইকটি কি চোরদের হাতে চলে যাওয়াটা ভালো হবে? তার পরও যদি চুরি হয় মোটরবাইক চুরি বা ছিনতাই হওয়ার পর আপনার প্রথম কাজটি হবে নিকটস্থ থানায় (চুরি হওয়া স্থান বিবেচনায়) একটি সাধারণ ডায়েরি করা। সাধারণ ডায়েরির জন্য আপনার দরকার হবে মোটরসাইকেলের প্রয়োজনীয় সব নিবন্ধনপত্র। সঙ্গে পরিচয়পত্র অথবা ড্রাইভিং লাইসেন্সের ফটোকপি। 

পুলিশকে সব ধরনের সহযোগিতা করুন আপনার চুরি হওয়া মোটরসাইকেলটি সঠিকভাবে চিহ্নিত করার জন্য। আগে তোলা মোটরবাইকের আলোকচিত্র দিন। তাদের বাইকে থাকা নির্দিষ্ট কোনো চিহ্নের কথা জানান। -মিথুন মৃধা

খবর

Discussion 8 Comments