CFMOTO Bangladesh - Cool Life Cruising
Our Partners:
Lifan Advertisement
CFMoto Advertisement
BikeBikroy Advertisement
ELF Advertisement

যেসকল ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করলে ১০ হাজার টাকা জরিমানা হতে পারে!

যেসকল ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করলে ১০ হাজার টাকা জরিমানা হতে পারে!
0 Add us on
Arif Raihan Opu
1 Followers
Published: January 28, 2026
Add on
No audio available

সড়ক পরিবহন আইন অনুযায়ী জরিমানা ও শাস্তির বিষয়ে বর্তমানে বিআরটিএ এবং প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। আমরা অনেকেই সড়কে চলাচলের সময় গতিসীমা, হেলমেট, উল্টোদিকে চালানো, হাইড্রোলিক হর্ণ ব্যবহার ইত্যাদি বিষয়ে উদাসীন থাকার কারনে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।  আসুন যেনে নেওয়া যাক কোন কোন ধারা ও অপরাধের কারনে এই শাস্তির বিধান রয়েছে। 

যেই ট্রাফিক আইন গুলো ভঙ্গ করলে ১০ হাজার টাকা জরিমানা হবে

যেই ট্রাফিক আইন গুলো ভঙ্গ করলে ১০ হাজার টাকা জরিমানা হবে

ধারা ৭৬

এই ধারায় বলা হয়েছে, ট্যাক্স টোকেন ব্যতীত বা মেয়াদউত্তীর্ণ ট্যাক্স টোকেন ব্যবহার করে মোটরযান চালনা করা হলে অনধিক ১০(দশ) হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হবে।

আরও পড়ুনঃ মোটরসাইকেলের ট্যাক্স টোকেনের মেয়াদ ১০ বছর অতিক্রান্ত হলে করণীয় কি?

ধারা ৮৫

আবার এই ধারায় যদি কেউ ট্রাফিক সিগনাল অমান্য করেন তবে তাকে অনধিক ১ মাসের কারাদন্ড বা অনধিক ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডে অপরাধী দন্ডিত হবেন। 

ধারা ৮৭

মোটরযানের গতিসীমা লঙ্ঘন বা স্পিড লিমিট এর বেশি গতি (ওভারস্পিড) এ মোটরযান চালালে অনধিক ৩ মাসের কারাদন্ড বা অনধিক ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অথবা উভয় দন্ড প্রদান করা হবে। পাশাপাশি চালকের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত হিসাবে দোষ সূচক ১ পয়েন্ট কর্তন করা হবে। 

এখানে বলে রাখা ভাল, প্রতিটি সড়কের আলাদা গতিসীমা থাকে। যেমন জাতীয় মহাসড়কে ৮০ কি.মি/ঘন্টা, আঞ্চলিক মহাসড়কে ৬০ কি.মি/ঘন্টা ইত্যাদি। সঠিকভাবে যে সড়কে মোটরযান চালাবেন সেই সড়কের গতিসীমা সম্পর্কে যদি জানা না থাকে তবে আপনার বিরুদ্ধে আইনি ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হতে পারে। 

ধারা ৮৮

মোটরসাইকেল বা গাড়িতে হাইড্রোলিক হর্ণ বা এই ধরণের কোন যন্ত্রাংশ মোটরযানে স্থাপন করা হলে অনধিক ৩ মাসের কারাদন্ড বা অনধিক ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত করা হবে। সাথে চালকের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত হিসাবে দোষ সূচক ১ পয়েন্ট কর্তন করা হবে। 

traffic-rules-bangladesh-brta

ধারা ৯২

৪৯ এর উপ-ধারা (১) এ সাধারণ নির্দেশাবলীর প্রথম অংশে উল্লেখিত নিয়মাবলী যেমন উল্টাদিকে মোটরযান চালানো, মোটরসাইকেলে ৩ জন আরোহন, মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী উভয়ের হেলমেট না পরা, ফুটপাতের উপর মোটরযান চালানো সহ ইত্যাদি অপরাধের কারনে অনধিক ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড বা অনধিক ৩ মাসের কারাদন্ড প্রদানের বিধান রয়েছে। 

আরও পড়ুনঃ ড্রাইভিং লাইসেন্স সহ অন্যান্য ট্রাফিক আইন ভঙ্গের বর্তমান জরিমানা ও বিস্তারিত তথ্য - ২০২৬ 

৪৯ এর উপ-ধারা (১) এ সাধারণ নির্দেশাবলীর দ্বিতীয় অংশে উল্লেখিত নিয়মাবলী যেমন মোটরযান চালানোর সময় ফোন ব্যাবহার, বিপরীত দিকের মোটরযান চালানোয় বিঘ্ন হয় এমন হাইবিম ব্যাবহার করে চালানো ইত্যাদি ক্ষেত্রে অনধিক ১ মাসের কারাদন্ড বা অনধিক ২৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড কিংবা উভয় দন্ডের বিধান রয়েছে। উভয় অংশের আইন ভঙ্গের ক্ষেত্রেই চালকের অতিরিক্ত হিসাবে দোষ সূচক ১ পয়েন্ট কর্তন করা হবে।

ধারা ১০১ ও ১০২ ও ১০৩

অনুযায়ী দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে মোটরযান পরিদর্শন, তল্লাশি ও তথ্য প্রদানের ক্ষেত্রে বাধা দেওয়া এবং কর্মকর্তার সাথে আক্রমণাত্মক আচরণ করা হলে অনধিক ১ মাসের কারাদন্ড, অনধিক ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত করার বিধান রয়েছে। 

এছাড়াও ধারা ১০০ অনুযায়ী কেউ যদি কোন অপরাধে পূর্বে শাস্তি প্রাপ্ত বা জরিমানা পাওয়ার পরে পুনরায় একই অপরাধ সংগঠিত করেন তবে পুনরায় সংগঠিত অপরাধের জন্য দ্বিগুণ জরিমানা বা দ্বিগুণ মেয়াদে কারাদন্ডে দন্ডিত করা হবে। 

আরও পড়ুনঃ বিআরটিএ সংক্রান্ত সকল তথ্য ও আপডেট পেতে এখানে ক্লিক করুন

দুঃখজনক হলেও সত্য উল্লেখিত অপরাধই আমরা সাধারণ বাইকাররা উদাসীনতার কারনে অথবা ভুলবশত বেশি করে থাকি। তাই আমাদের যথাযথভাবে ট্রাফিক আইন মেনে চলা এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের সহায়তা করা আমাদের আবশ্যিক কর্তব্য। 

মোটরসাইকেল ও বিআরটি সংক্রান্ত সকল বিষয়ক তথ্যের জন্য বাইকবিডির সাথেই থাকুন। 

বিআরটিএ

Discussion 8 Comments